Alexa এপিআই খাতের উন্নয়নে গবেষণা বাড়ানোর আহ্বান

ঢাকা, বুধবার   ১১ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২৭ ১৪২৬,   ১৪ রবিউস সানি ১৪৪১

এপিআই খাতের উন্নয়নে গবেষণা বাড়ানোর আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৫৬ ২ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৯:৫৭ ২ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বাংলাদেশে এপিআই (অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডিয়েন্ট) খাতে গবেষণা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। শনিবার ‘বাংলাদেশে এপিআই খাতের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ বিষয়ক সেমিনারে এ আহ্বান জানানো হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)’র নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম। ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের পরিচালক মো. রুহুল আমিন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি ওসামা তাসীর বলেন, কাঁচামাল আমদানির উপর বেশিমাত্রায় নির্ভরতা আমাদের ঔষধ শিল্পের অন্যতম একটি প্রতিবন্ধকতা।  অপরদিকে দেশীয় এপিআই উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ মোট আমদানিকৃত এপিআই’র প্রায় ৫ শতাংশ উৎপাদন করতে সক্ষম এবং এটি আমদানিকৃত এপিআই’র চেয়ে তুলনামূলকভাবে স্বস্তা। 

তিনি বলেন, স্থানীয়ভাবে এপিআই’র উৎপাদন আরো বাড়ানোর জন্য দক্ষ মানবসম্পদ ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি উল্লেখ করেন, এখাতে গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানসমূহরে পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পাঠ্যক্রম আধুনিকায়নে সরকার ও বেসরকারিখাতকে একযোগে কাজ করতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প আমাদের মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় ৯৮ শতাংশ চাহিদা মেটাতে সক্ষম, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। 

তিনি বলেন, বতর্মানে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১২০টি দেশে ১৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঔষধ রফতানি হচ্ছে। ঔষধ খাতের সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক বাজারে দেশে উৎপাদিত ঔষধের গ্রহণযোগ্যতার বহিঃপ্রকাশ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ঔষধ খাত বিশেষকরে সম্ভাবনাময় এপিআই খাতের উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রম গতিশীল করার আহ্বান জানান মো.সিরাজুল হক। 

বিডা’র চেয়ারম্যান বলেন, সারা পৃথিবীতে বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের গবেষণা পরিচালনায় বেসরকারিখাত উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে এবং এলক্ষ্যে তিনি বাংলাদেশের বেসরকারিখাতকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের পরিচালক মো. রুহুল আমিন বলেন, সরকার ২০১৯ সালকে ‘এপিআই ও ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পবছর’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এক্ষেত্রে আমাদের পিছিয়ে থাকার কোন সুযোগ নেই। তিনি ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের পক্ষ থেকে এ খাতের বিকাশে নীতি সহায়তাসহ সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। উদ্যোক্তাদের এপিআইতে আরো বেশি হারে বিনিয়োগের পাশাপাশি গবেষণা কার্যক্রম বাড়ানোর তাগিদ দেন তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএস/এমআরকে