Alexa উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে এনপিও-ডিসিসিআই’র চুক্তি

ঢাকা, শুক্রবার   ২২ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৭ ১৪২৬,   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে এনপিও-ডিসিসিআই’র চুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৪৬ ৭ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ২০:৫৪ ৭ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

জাতীয় অর্থনীতির বিভিন্ন খাত ও উপ-খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) ও ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র (ডিসিসিআই) মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এ  লক্ষ্যে দু’ পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিমের উপস্থিতিতে সমঝোতা স্মারকে এনপিও’র পক্ষে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও ডিসিসিআই’র পক্ষে সংগঠনের সভাপতি ওসামা তাসীর স্বাক্ষর করেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ডিসিসিআই’র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা স্মারক (MOU) অনুযায়ী, উৎপাদনশীলতা উন্নয়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশনের (এনপিও) সঙ্গে  ডিসিসিআই’র সেতুবন্ধন জোরদারে কাজ করবে।

বিভিন্ন শিল্পখাত ও উপ-খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এনপিও ও ডিসিসিআই’র যৌথ উদ্যোগে প্রতি বছর কমপক্ষে ৪টি প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হবে। এনপিও এসব কর্মশালায় রিসোর্স পারসন প্রেরণ করবে।

অন্যদিকে ডিসিসিআই এসব প্রশিক্ষণের ব্যয়ভার বহন করবে। পাশাপাশি ডিসিসিআই কেন্দ্রিয়ভাবে প্রতিবছর উৎপাদনশীলতার উন্নয়নের লক্ষ্যে ২টি সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজন করবে। এনপিও এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে কারিগরি সহায়তা দেবে।

এ ছাড়া ডিসিসিআই প্রতিবছর ২ অক্টোবর জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উদ্যাপনে এনপিওকে সহায়তা করবে। এর অংশ হিসেবে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচিতে ডিসিসিআই এর প্রধান কার্যালয় ও সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।

সমঝোতা স্মারকে আরো উল্লেখ করা হয়, এনপিও প্রতিবছর ‘ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অ্যান্ড কোয়ালিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ প্রদানের বিজ্ঞপ্তি যথাসময়ে ডিসিসিআই’র কার্যালয়ে প্রেরণ করবে। সে অনুযায়ী ডিসিসিআই সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবহিত ও আবেদনে উদ্বুদ্ধ করবে। উভয় প্রতিষ্ঠান এশিয়ান প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এপিও) প্রদত্ত টেকনিক্যাল এক্সপার্ট সার্ভিস কর্মসূচি বাস্তবায়নে পারস্পরিক সহায়তার ভিত্তিতে কাজ করবে বলেও সমঝোতায় উল্লেখ করা হয়।

শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিম এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের উদ্যোগকে দেশের শিল্পখাতের উন্নয়নে একটি মাইল ফলক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ষোল কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মহাসড়ক ধরে এগিয়ে যাচ্ছে। এরইমধ্যে শিল্পখাতসহ সব সেক্টরে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। বিশ্ব সম্প্রদায় বাংলাদেশের এ গুণগত পরিবর্তনের প্রশংসা করছে। সমঝোতা স্মারক সইয়ের ফলে দেশের বিভিন্ন শিল্পখাত ও উপখাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির প্রয়াস জোরদার হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএস/আরএইচ