Alexa এতিমখানা দুর্নীতি: খালেদার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি

ঢাকা, শুক্রবার   ২৩ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৮ ১৪২৬,   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

এতিমখানা দুর্নীতি: খালেদার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি

 প্রকাশিত: ১৭:২২ ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭   আপডেট: ১৭:২৩ ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। মঙ্গলবার বিশেষ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে এ দাবি জানান দুদকের আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন গতকাল শেষ হয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত তিন দিনের যুক্তিতর্কের মধ্যে প্রথম দিনেই রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য শেষ করেছেন কাজল।

এ মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে মোট সাত দিন বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। গত ৫ ডিসেম্বর তার বক্তব্য শেষ হলে বিচারক মো. আখতারুজ্জামান যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য ১৯, ২০ ও ২১ ডিসেম্বর দিন রাখেন।

ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামানের আদালতে বুধবার এ মামলায় আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি হবে। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা সময় আবেদন করলেও বিচারক তা নামঞ্জুর করে আগামীকাল সাড়ে ১০টাতেই সময় বহাল রাখেন।

দুই পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলেই দুই কোটি ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নয় বছর আগে দুদকের দায়ের করা এ মামলা রায়ের পর্যায়ে আসবে।

মামলার প্রধান আসামি খালেদা জিয়া মঙ্গলবার বেলা ১১টার পর বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের মাঠে বিশেষ জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাসে পৌঁছান। এর পরপরই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন।

তিনি বলেন,‘বিদেশি অনুদানের অর্থ এতিমদের কল্যাণে খরচ না করে আসামিরা বিভিন্ন পদ্ধতিতে হস্তান্তর, রূপান্তর করেছেন। বছরের পর বছর তারা ওই অর্থ পাচার করেছেন।’

রাষ্ট্রপক্ষের ৩২ জন সাক্ষীর কারও জবানবন্দিই আসামিপক্ষ জেরা করে খণ্ডন করতে পারেনি বলে দাবি করেন তিনি।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় একটি মামলা করে দুদক।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ। এরপর ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদাসহ ছয় আসামির বিচার শুরু করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদার বড় ছেলে তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান, মাগুরার সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ।

খালেদা জিয়া, সালিমুল হক কামাল ও শরফুদ্দিন আহমেদ এ মামলায় জামিনে আছেন। খালেদার বড় ছেলে তারেক রহমান গত নয় বছর ধরে দেশের বাইরে, তার বিরুদ্ধে এ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। এছাড়া কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান মামলার শুরু থেকেই পলাতক।

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/এআর

Best Electronics
Best Electronics