Alexa এডিবির বিল জমা দিতে এসে হামলার শিকার চেয়ারম্যান ও মেম্বার

ঢাকা, শুক্রবার   ১৯ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৪ ১৪২৬,   ১৫ জ্বিলকদ ১৪৪০

এডিবির বিল জমা দিতে এসে হামলার শিকার চেয়ারম্যান ও মেম্বার

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০১:০৫ ১৮ জুন ২০১৯   আপডেট: ০১:০৬ ১৮ জুন ২০১৯

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক ইউপি চেয়ারম্যান ও এই ইউপি মেম্বার দুর্বৃত্তের হামলার শিকার হয়েছেন।

তারা হলেন, ঘোগাদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ আলম ও ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ। তাদের কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলমের চাচাতো ভাই বাবলু জানান, ঘোগাদহ ইউপির ৫ নং ওয়ার্ডে ঘোগাদহ নুরানী ও হাফিজিয়া মাদরাসা ও মাদরাসা সংলগ্ন মসজিদ সংস্কারে এডিবির বরাদ্দের এক লাখ ১০ হাজার টাকার কাজ করা হয়। আবুল কালাম আজাদ এই সংস্কার কমিটির সভাপতি। তিনি ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বার। এই কাজের বিল তোলার জন্য আবুল কালাম ও ঘোগাদহ ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম সোমবার বিকেলে উপজেলা পরিষদে আসেন। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন মঞ্জুকে এই কাজের বিলের জন্য স্বাক্ষর করতে বললে তিনি তাদের গালাগাল করেন। এক পর্যায়ে তিনি তাদের অপেক্ষা করতে বলে বাইরে চলে যান।

এরপর আবুল কালাম আজাদ বের হয়ে যাওয়ার সময় তাকে অজ্ঞাত কয়েকজন যুবক উপজেলা চত্বরের গাছ বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করা হয়। খবর পেয়ে উপজেলা পরিষদে থাকা চেয়ারম্যান শাহ্ আলম ওই ইউপি সদস্যকে উদ্ধারে এগিয়ে আসলে তার উপরও হামলা করা হয়। পরে স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ বিষয়ে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন মঞ্জু সাড়া দেননি।

সদর উপজেলার ইউএনও নিলুফার ইয়াছমিন বলেন, ঘটনার সময় আমি আমার অফিস রুমে ছিলাম। উপজেলা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। আহত ইউপি চেয়ারম্যান আমার রুমে এসে ঘটনাটির বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি এ সময় অসুস্থতা ফিল করায় আমি তাকে হাসপাতালে পাঠিয়েছি।

আহত ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি মেম্বারকে হাসপাতালে দেখতে কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম মঞ্জু মণ্ডল বলেন, এ ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দলীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম সদর থানার এসআই সফিক জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত থানায় কেউ কোন অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম