Alexa এখনো ১৯ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৭ ১৪২৬,   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

এখনো ১৯ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে

 প্রকাশিত: ১৫:০৪ ৩ জুন ২০১৭  

শিক্ষাখাতে সরকারের নানামুখী উদ্যোগের পরও এখনো শতভাগ অর্জন হয়নি প্রাথমিকে শিক্ষার্থীর ভর্তির হার। এই সময়ে শিক্ষার্থী ভর্তি হার বেড়েছে ১০ দশমিক ৭ ভাগ। আবার শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হারেও তেমন সফলতা দেখা যাচ্ছে না। এখনো প্রতিবছর ১৯ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রাথমিক থেকে ঝরে পড়ে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫ সালে সারা দেশে প্রাথমিকে নিট ভর্তির হার ছিল শতকরা ৮৭ দশমিক ২ ভাগ। ২০১০ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪ দশমিক ৮ ভাগে। তিন বছরের ব্যবধানে ২০১৩ সালে বেড়ে শতকরা ৯৭ দশমিক ৩ ভাগে। বিগত ২০১৬ সালে যার হার ছিল ৯৭ দশমিক ৯ শতাংশে। এছাড়া ২০১৪ ও ২০১৫ সালে ছিল শতকরা ৯৭ দশমিক ৭ ও ৯৭ দশমিক ৯ ভাগ। তা দেশে বলা যায় গত ৫ বছরে তেমন উন্নতি পরিলক্ষিত হয়নি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাৎসরিক শুমারির তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালে মোট ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হার ছিল ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ২০১২ সালে তা এসে দাঁড়িয়েছে ২৬ দশমিক ২ শতাংশে। পাঁচ বছরের ব্যবধানে কমেছে ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ। ২০১৩ সালে এর পরিমাণ ছিল শতকরা ২১ দশমিক ৪ ভাগ। ২০১৬ সালে এটি এসে দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ২ ভাগে। গত চার বছরের তেমন কোন অগ্রগতি হয় নি ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হারের ওপর। ২০১৪ তে শতকরা ২০ দশমিক ৯ ভাগ এবং ২০১৫ তে ২০ দশমিক ৪ ভাগ। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তিকৃত ছাত্রছাত্রীর অনেক অংশই প্রতি বছর ঝরে যায়। সরকার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় জন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে নানা উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৭ এর তথ্য মতে, সরকার উপবৃত্তি ৪০ শতাংশ হতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি করেছে এবং সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৪৮ লাখ থেকে ৭৮ দশমিক ৭০ লাখে উন্নীত করা হয়েছে গত কয়েক বছরে। জুলাই ২০১৫ থেকে প্রাক প্রাথমিক এবং ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত ১ দশমিক ৩০ কোটি সুবিধাভোগীকে উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। ভর্তির হার বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের স্কুলে ধরে রাখার লক্ষ্যে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু আছে। দেশে ৯৩টি উপজেলার ৩০ দশমিক ০৫ লক্ষ শিশুদের মধ্যে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে স্কুল খোলার দিনে দৈনিক ৭৫ গ্রাম ফটিফাইড বিস্কুট বিতরণের কার্যক্রম চালু আছে। এছাড়ও বলা আছে, বিদ্যালয় বর্হিভূত এবং ঝরে পড়া ৭-১৪ বছর বয়সী প্রায় ৪ দশমিক ৫ লক্ষ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে পিইডি-৩ এর আওতায় ‘সেকেণ্ড চান্স এডুকেশন’ প্রোগ্রাম বাস্তবায়নাধীন আছে। ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই