.ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৯ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৪ ১৪২৫,   ১২ রজব ১৪৪০

এক ভিসায় ইউরোপের ২৬দেশ ভ্রমণ!

ফিচার ডেস্ক

 প্রকাশিত: ১৪:২৭ ২ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৪:৪০ ২ ডিসেম্বর ২০১৮

সুইডেন। ছবি: সংগৃহীত

সুইডেন। ছবি: সংগৃহীত

এক ভিসায় ঘুরতে পারবেন ইউরোপের ২৬টি দেশ! এই ভিসাকে বলা হয় সেনজেন ভিসা। ইউরোপ মহাদেশের ৫০টি দেশের মধ্যে ২৬টি দেশ ‘সেনজেনভুক্ত’। প্রতিটি দেশই স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। তাদের নিজস্ব ভাষা, মুদ্রা ও রাজধানী আছে। কিন্তু ভিসা পলিসির ক্ষেত্রে তারা এক নীতি অবলম্বন করে থাকে।

সেনজেন দেশগুলো হলো- অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেক রিপাবলিক, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, আইসল্যান্ড, ইতালি, ল্যাটভিয়া, লিয়েসথেন্সটাইন, লিথুনিয়া, লুক্সেমবার্গ, মালটা, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভেকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড। এরমধ্যে যেকোনো একটি দেশের ভিসা থাকলেই আপনি সবগুলো দেশ ঘুরতে পারবেন। তাছাড়া কোনো ইমিগ্রেশন ও ফিঙ্গার প্রিন্টেরও প্রয়োজন হবে না। সবচেয়ে মজার ব্যপার হলো, একটি দেশে প্রবেশ করে সুবিধামতো অন্য দেশ দিয়ে বের হতে পারবে।

তবে বাংলাদেশে সেনজেনভুক্ত ২৬টি দেশের মধ্যে সুইডেন, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, জার্মান, ইতালি, স্পেন ও সুইজারল্যান্ডের দূতাবাস আছে। অন্য দেশগুলোর দূতাবাস বাংলাদেশে নেই। তবে সে দেশগুলো সুইডেন, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, জার্মান, ইতালি দূতাবাসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করে থাকে। 

এ কারণে সেনজেন দেশগুলোর দূতাবাসগুলো প্রতিটি ভিসা আবেদন খুবই পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে পরীক্ষা করে থাকে। সে সঙ্গে আবেদনকারী সংশ্লিষ্ট নানা ধরনের তথ্য ও কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়ে থাকে। যে তথ্যগুলো আবেদনকারীর নিজ বসবাসরত দেশে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থানকে পরিষ্কারভাবে আর তার ভিসা আবেদনের যৌক্তিকতাসহ সংশ্লিষ্ট দেশে যাবার কারণকে নিঃশর্তভাবে তুলে ধরে।

এই উদ্দেশ্যে সেনজেন দেশগুলোর দূতাবাসগুলো আবেদনকারীর সাথে একটি ব্যক্তিগত সাক্ষাত্কারের ও ব্যবস্থা করা হয়। যদি ইন্টারভিউয়ের ফলাফলগুলো জমাকৃত পত্রগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তবেই দূতাবাসগুলো তাদের ভিসা প্রদান করে থাকে।

ডেইলিবাংলাদেশ/এনকে