এক গাছেই ধরে ৪০ ধরনের ফল!
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=133798 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৮ ১৪২৭,   ০৫ সফর ১৪৪২

এক গাছেই ধরে ৪০ ধরনের ফল!

ফিচার ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৩১ ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৪:৩৩ ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

শিরোনাম পড়েই হয়তো অবাক হয়েছেন! এক গাছেই চল্লিশ রকমের ফল ধরা কীভাবে সম্ভব? এই ঘটনার জন্ম দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের স্যাম ভেন অ্যাকেন। যদিও তিনি সবাইকে অবাক করার জন্য আবিষ্কার করেননি। তার উদ্দেশ্য ছিল বিরল প্রজাতির কিছু ফলকে সংরক্ষণ করা।

গল্পের শুরুটা ২০০৮ সালে। ভ্যান অ্যাকেন জানতে পারেন, অর্থায়ণ না থাকায় নিউ ইয়র্কের জেনেভার একটি কৃষি গবেষণা স্টেশনের একটি ফলের বাগান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সেখানে অসংখ্য মিশ্র এবং দেশজ প্রজাতির বিভিন্ন ফলের গাছ ছিল। সেখানকার বেশ কয়েকটি গাছের বয়স ১৫০-২০০ বছর। কিন্তু টাকার অভাবে এ ধরনের অনেক দুর্লভ প্রজাতির ফলগাছ বিলুপ্ত হবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। তখনই ফল বাগানটি কিনে নেন ভেন অ্যাকেন। 

তিনি ভাবলেন দুর্লভ প্রজাতির ফলগাছগুলোকে কীভাবে একত্রে রাখা যায়। হুট করেই মাথায় এল কলম করার বুদ্ধি। এরপর গাছগুলো থেকে কলম নিয়ে একটি গাছে রূপান্তরের চেষ্টা করতে লাগলেন। এভাবে গাছটির বয়স দু’বছর হলে তিনি চিফ গ্রাফটিং নামের একটি নতুন পদ্ধতি নিয়ে পরীক্ষা শুরু করেন। ফলের কলিসহ অন্য একটি গাছের ফালি পরীক্ষা করা গাছটির মধ্যে কেটে সেখানে স্থাপন করেন। তারপর সেটা সেভাবেই কয়েক মাস রেখে শীতকাল পার করা হয়। যদি সব ঠিকঠাক থাকে, তাহলে পরীক্ষা করা গাছটির শাখা-প্রশাখা অন্য আর দশটি গাছের মতোই বেড়ে উঠবে। প্রায় পাঁচ বছর ধরে এই এক্সপেরিমেন্ট চালানোর পর ভ্যান অ্যাকেনের প্রথম চল্লিশটি ফলওয়ালা গাছ সুস্থভাবে বেড়ে ওঠে।

চল্লিশ ধরনের ফল ধরে এই গাছে

স্যাম ভেন অ্যাকেন পেন্সিলভানিয়া ডাচের একটি কৃষক পরিবারে সন্তান। এ পর্যন্ত ভ্যান অ্যাকেন আড়াইশ’ প্রজাতির ওপরে কাজ করেছেন। ভবিষ্যতে তার ইচ্ছে গ্রামাঞ্চলে নয়, বরং শহরের বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের গাছ লাগানো। পোর্টল্যান্ডের কাছে দক্ষিণ মেইনে তার নিজস্ব ফল বাগান করার পরিকল্পনা আছে। কেবলমাত্র বৈপ্লবিক শিল্পকর্ম হিসেবেই নয়, ফল উৎপাদনের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত দেখিয়ে দিয়েছে এই চল্লিশ ফলের গাছ।

এতক্ষণ ভাবলেন, তিনি হয়তো বড় কোনো কৃষি গবেষক। ভুল, তিনি পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন চিত্রশিল্পকে। বর্তমানে সিরাকিউজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাস্কর্যবিদ্যা বিভাগে অধ্যাপনা করছেন। তবে তার জীবনের সেরা কীর্তিটির পেছনে কৃষিবিদ্যা এবং চিত্রশিল্প দুটোরই অবদান আছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে