Alexa ‘এক্স-রে রিপোর্ট হয় না, শুধু ফিল্ম দেয়া হয়’

ঢাকা, বুধবার   ২০ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৫ ১৪২৬,   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল

‘এক্স-রে রিপোর্ট হয় না, শুধু ফিল্ম দেয়া হয়’

হারুন আনসারী, ফরিদপুর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৪২ ১৩ অক্টোবর ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে সাড়ে তিন মাস ধরে কোনো এক্স-রে রিপোর্ট মিলছে না। রোগীদের শুধুমাত্র ফিল্মটি ধরিয়ে দেয়া হয়। একইসঙ্গে হচ্ছে না আল্ট্রাসনোগ্রামও। ফলে ভোগান্তি পোহাচ্ছে রোগীরা।

১৯৩৯ সালে হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগটি ইনস্টিটিউট হিসেবে চালু হয়। বর্তমানে কক্ষটির সামনে বিজ্ঞপ্তি ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। যেখানে লেখা রয়েছে, ‘এক্স-রে রিপোর্ট হয় না, শুধু ফিল্ম দেয়া হয়’। আর এক্স-রে কক্ষের পাশেই আল্ট্রাসনোগ্রাম কক্ষ। ঘরটি তালাবদ্ধ।

চিকিৎসা নিতে আসা বিড়ম্বনার শিকার রোগীদের অভিযোগ, প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর সুবিধার্থে এ দশা। বাইর থেকে আল্ট্রাসনোগ্রাম ও এক্স-রে করাতে হয়। এতে গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ টাকা।

এখানকার রেডিওলজিস্ট জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মাকসুদা খানম ২৪ জুন সিনিয়র কনসালটেন্ট পদে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বদলি হন। এরপর থেকেই জেনারেল হাসপাতালের রেডিওলজিস্ট পদটি শূন্য রয়েছে।

হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওলজি) মো. শাহজাহান মিয়া জানান, হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৪০-৪৫টি এক্স-রে এবং ২৫-৩০টি আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হতো। কিন্তু রেডিওলজিস্ট না থাকায় রোগীরা বাইর থেকে করাতে হয়।

সাদ্দাম হোসেন নামে এক রোগী জানান, এ হাসপাতালে দেড়শ টাকায় এক্স-রে রিপোর্ট পাওয়া যেতো। বর্তমানে বাইর থেকে এক্স-রে রিপোর্ট আনতে চারশ থেকে পাঁচশ টাকা লাগে। এছাড়া দুইশ টাকার বড় ফিল্মের এক্স-রে করতে লাগে পাঁচশ থেকে ছয়শ টাকা।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সিভিল সার্জন ডা. এনামুল হক বলেন, প্রতি মাসেই স্বাস্থ্য অধিদফতরে রেডিওলজিস্ট চেয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু এখনো কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। আশা করি চলতি মাসেই নিয়োগ দেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর