Alexa এক্সিট পোলের ফলাফল দেখে ভেঙ্গে না পড়ার আহ্বান প্রিয়াঙ্কার

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২২ অক্টোবর ২০১৯,   কার্তিক ৭ ১৪২৬,   ২৩ সফর ১৪৪১

Akash

এক্সিট পোলের ফলাফল দেখে ভেঙ্গে না পড়ার আহ্বান প্রিয়াঙ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৩১ ২২ মে ২০১৯   আপডেট: ১৪:৪৪ ২২ মে ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ভারতের লোকসভা নির্বাচনের শেষ দফার ভোটগ্রহণ শেষে জানা গেছে বুথ ফেরত জরিপ তথা এক্সিট পোলের ফলাফল। সেখানে ক্ষমতাসীন বিজেপি জোটের এগিয়ে থাকার খবরে ভেঙ্গে না পড়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।

একে একে সাত দফার ভোটগ্রহণ শেষ হবার পর প্রকাশিত এক্সিট পোলের ফলাফলগুলোতে দেখাগেছে বিজেপি’র ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট বিরোধী জোটগুলো থেকে বেশ খানিকটা এগিয়ে আছে। এতে বিভিন্ন বিরোধী দলগুলোর মধ্যে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। অনেক বিরোধী দল আবার ইলেকট্রনিক ভোটিং পদ্ধতি ‘ইভিএম’ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে নির্বাচনের ভোট গণনা। এদিন শেষেই ফল ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভোট গণনা কেন্দ্রগুলোতে কর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা।

রোববার ‘ইন্ডিয়া টুডে’র একটি বুথ ফেরত জরিপের ফল অনুযায়ী, ৫৪৫ সদস্যের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে মোদীর ক্ষমতাসীন কোয়ালিশন ৩৩৯ থেকে ৩৬৫ আসন পেতে পারে এবং বিরোধীদল কংগ্রেস মাত্র ৭৭ থেকে ১০৮ আসন পাবে বলে ধারণা করা হচেছ।

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন মোদীর ক্ষমতাসীন জোট নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে অনেকটাই আশ্বস্ত হয়ে গেছে এবং মঙ্গলবার একটি নতুন সরকার নিয়ে আলোচনার জন্য তাদের নয়াদিল্লিতে একটি বৈঠক করারও কথা রয়েছে। তবে বুথ ফেরতে জরিপ এর আগে অনেক সময়ই ভূল প্রমাণিত হয়েছে এবং কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি রাহুল গান্ধীর বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র দলীয় নেতকর্মীদেরকে জরিপের ফলকে বেশি গুরুত্ব না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিশ্বাস ধরে রাখতে বলেছেন।

সোমবার এক অডিও বার্তায় তিনি বলেন, “গুজব এবং বুথফেরত সমীক্ষায় ভেঙে পড়বেন না। আপনাদের মনোবল ভাঙতে ইচ্ছা করেই এ গুজব ছড়ানো হচ্ছে।”

যেসব কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন আছে সে কেন্দ্রগুলোর কথা উল্লেখ করে প্রিয়াঙ্কা বলেন, “এ কারণে আপনাদের আরো বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। স্ট্রং রুম এবং গণনা কেন্দ্রগুলোতে সজাগ থাকুন। আমাদের সবার মিলিত প্রচেষ্টার ফল পাব এটাই আমাদের বিশ্বাস।”

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী/টিআরএইচ