Alexa এক্সপেরিমেন্টাল হলে বুধবার ‘বোধ’

ঢাকা, শনিবার   ২৪ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ১০ ১৪২৬,   ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

এক্সপেরিমেন্টাল হলে বুধবার ‘বোধ’

বিনোদন প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ১৫:৫৪ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৫:৫৪ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

শিল্পকলা একাডেমীর এক্সপেরিমেন্টাল হলে বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রদর্শিত হবে সংলাপের ২৬তম প্রযোজনা নাটক ‘বোধ’। মুন্সী প্রেমচাঁদ এর গল্প অবলম্বনে নাটকটির নাট্যরূপ দিয়েছেন স্বপন দাস এবং নির্দেশনায় রয়েছেন মোস্তফা হীরা। নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মো. হাবীবুর রহমান, মো. মাইনুল ইসলাম, নাঈমা তালুকদার বন্যা, ওয়ালিদ আহমাদ চৌধুরী ও মাসুদ আলম বাবু।

নাটকের গল্পে দেখা যাবে, একটি বোধহীন সমাজ ব্যবস্থায় আমরা বসবার করছি। এ নাটকের ঘিসু ও মেধো এর বাইরে নয়। পিতা-পুত্র (ঘিসু ও মেধো) বেঁচে থাকার লড়াইয়ে পর্যদুস্ত। ক্ষুধা তাদের করে তুলেছে অমানবিক, স্বার্থপর পশুসম। বেঁচে থাকার লড়াইয়ে সম্পর্কের বন্ধন কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখে না তাদের জীবনে। তাই নাটকে দেখা যায় সামান্য কয়েকটি সেদ্ধ আলু নিয়ে পিতা-পুত্রের লড়াই। নিজের সন্তান সম্ভবা পুত্রবধূর অতিসমান্য খাদ্য কেড়ে নিতে ঘিসু উদ্ভুদ্ধ করে পুত্র মেধোকে। মেধোও বোধহীন এক জন্তুর মতো কেড়ে নেয় বধূর সেই সামান্য খাবার।

ক্ষুধা তাদের এমনভাবে তাড়িত করে যে- নিজের পুত্রবধূকে মৃত ঘোষণা দিয়ে কিছু পয়সা পাওয়ার লোভ সামলাতে পারে না ঘিসু। পুত্র মেধোও তা সমর্থণ করে। যে কোনোভাবে বেঁচে থাকাটাই যেন তাদের একমাত্র লক্ষ্য। অথচ কেন তারা আজ দরিদ্র, কেন পাচ্ছে না দু’মুঠো খাবার। এর জন্য এ সমাজ কতটা দায়ী। কেন তারা বৈষম্যর শিকার। এ নিয়ে ভাবে না তারা। কোনো দ্রোহ নেই। নিয়তির ওপর সব ছেড়ে দিয়েছে। এদের কী আর সম্পূর্ণ মানুষ বলা চলে? অবশ্য নাটকের শেষ দৃশ্যে স্বপ্নের ঘোরে ঘিসু-মেধোকে দ্রোহী হতে দেখা যায়। ঘেন্না করে এই সমাজ, সমাজ পতিদের। মেধো তার সন্তানকে বোধ সম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।

‘বোধ’ এর নেপথ্যে আছেন- সেলিনা আক্তার প্রিয়া, মঈনুদ্দীন হাসান খোকন, আজমেরী সুলতানা লাকী, তামান্না মেহের পপি, আশিক-উল-ইসলাম, শহীদুল ইসলাম খোকন, শাকিলুজ্জামান রাজ, সাব্বির দেওয়ান ফাহিম। এবং পোশাক পরিকল্পনা করেছেন চিঠি হাবীব ও সেলিনা আক্তার প্রিয়া। কোরিওগ্রাফি রবিন বসাক, মঞ্চ ও আলোক পরিকল্পনা- পলাশ হেনড্রি সেন। আলোক প্রক্ষেপক ও আবহ সংগীত প্রয়োগ- সেলিনা আক্তার প্রিয়া ও ওয়ালিদ আহমাদ চৌধুরী।

 ডেইলি বাংলাদেশ/এমএস/এসআই

Best Electronics
Best Electronics