Exim Bank
ঢাকা, বুধবার ২০ জুন, ২০১৮
Advertisement

একুরিয়ামে গোল্ডফিশ চাষ করার পদ্ধতি ও সতর্কতা

 নিউজ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৭:৫০, ২ জুন ২০১৮

আপডেট: ১০:১৪, ৩ জুন ২০১৮

২৫৫ বার পঠিত

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আমাদের সবারই নানারকম শখ থাকে। কারো বই পড়া, কারো পাখি পালা, কারো বাগান করা। এমন করেই মাছ পালাও একটি শখ। কিন্তু শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পুকুর পাবো কই? তখন ভরসা রাখতে হয় একুরিয়ামে। একুরিয়ামে সবধরণের মাছ রাখা গেলেও সবচেয়ে আকর্ষণীয় হলো "গোল্ডফিশ।" লালচে, কমলা ও সাদার মিশ্রণে গোল্ডফিশ হয় পেট মোটা এক মাছ। লেজটা শরীরে চেয়ে দেড়গুন বড় হয়।

মাছ কেনার সময় সতর্কতা :

মাছ যেখান থেকেই কিনবেন দেখে নিবেন মাছের চলাফেরা কেমন। যে মাছ ঝিমানো অবস্থা বা এক কোণে বসে থাকে সে মাছ না নেয়া উত্তম। যে মাছ ছুটাছুটি বেশি করে সে মাছ নেয়া ভালো। বড় মাছ না কিনে ছোট বাচ্চা মাছ কেনা ভালো।

পালনের নিয়মানুবর্তিতা :

গোল একুরিয়াম মাছের জন্যে ভালো নয়, দেখতে সুন্দর হলেও তা মাছের জন্যে ক্ষতিকর। চারকোণা একুরিয়াম মাছের জন্যে উত্তম।

দুইটা গোল্ডফিশের জন্যে কমপক্ষে ১৮" বাই ১২" সাইজের একুরিয়াম লাগবে। আরো বড় দিতে পারলে ভালো।

একুরিয়ামে নুড়িপাথর দিতে হয়, কিন্তু অবশ্যই রাস্তার নুড়িপাথর না। কেনা নুড়িপাথরও একুরিয়ামে দেয়ার আগে ভালো করে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।

একুরিয়ামের পানি দুইদিন পর পর পরিবর্তন করতে পারলে ভালো। সাপ্লাইয়ের পানিতে ব্লিচিং থাকে, তাতে করে মাছ মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই কুয়া বা নদীর পানি দিতে পারলে ভালো হয়।

গোল্ডফিশ খাবার বেশি খেতে চায়। কিন্তু দুইবেলার বেশি খাবার দিবেন না। বেশি খাবার খেলে হজম করতে না পেরে মারা যায়।

কিছু জীবিত গাছ একুরিয়ামে দিলে মাছের অক্সিজেন পায় এবং মাছ খেতে পারে।

১৫দিন পরপর একুরিয়াম ধুয়ে নিবেন। তবে একুরিয়াম ধোয়ার ক্ষেত্রে কোনোরকম ব্লিচিং পাউডার বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার করবেন না। গরম পানি ও একুরিয়াম ক্লিনার দিয়ে ধুয়ে নিবেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ

সর্বাধিক পঠিত