একসঙ্গে বেশি জিনিসপত্র কেনা থেকে বিরত থাকুন: বাণিজ্যমন্ত্রী

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৮ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৪ ১৪২৬,   ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

একসঙ্গে বেশি জিনিসপত্র কেনা থেকে বিরত থাকুন: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:১৯ ৬ মে ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী বলেছেন, আমাদের দেশের মানুষের একটি অভ্যাস হচ্ছে উৎসব হলে সবাই একসঙ্গেই বেশি-বেশি জিনিসপত্র কিনে নিয়ে যায়। এ কারণে দামটাও অনেক বেড়ে যায়। এজন্য আমি ক্রেতাদের অনুরোধ করব, দাম বেড়ে যাবে এই চিন্তা করে বেশি-বেশি জিনিসপত্র কেনা থেকে বিরত থাকুন। 

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অ্যাটকোর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

মন্ত্রী বলেন, এটা সংযমের মাস। প্রত্যেককেই সংযম হতে হবে। পবিত্র মাসকে উপলক্ষ করে কেউ যেন অসাধু পন্থা না নেয়। পবিত্র মাসের সবকিছু বিবেচনা করেই ব্যবসা করা উচিত।

তিনি বলেন, যথেষ্ট পরিমাণ পণ্যদ্রব্য মজুদ আছে। বড় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমাদের মিটিং হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে আমাকে জানানো হয়েছিল, বাজার দর যা ছিল তার থেকেও আমরা ২ টাকা কমে দেয়ার চেষ্টা করব। 

তিনি আরো বলেন, আমার কাছে গতকাল সকালের বাজার দরটা রয়েছে। ১ মাস আগে বাজারের যে দর ছিল তার থেকে দাম বেশি বাড়েনি। তবে চিনি ও পেঁয়াজে দাম কিছুটা বেড়েছে। অন্য কোনো পণ্যের মূল্য তেমন বাড়েনি।

আন্তর্জাতিক বাজারে চিনিতে উৎপাদন কম। এজন্য চিনির দাম বেড়েছে বলে মনে করেন মন্ত্রী।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজের দাম এক মাস আগে ২৫ থেকে ৩০ টাকা ছিল। এখন বাজার অনুযায়ী দাম বেড়েছে। দাম বাড়ার ক্ষেত্রে একটা ছোট কারণ থাকতে পারে। সেটি হচ্ছে, বৃষ্টির কারণে ইনপুটটা কম হয়েছে। কিন্তু তেমনভাবে দাম বাড়েনি। 

এছাড়া তেলের দাম এরইমধ্যে দুই টাকা করে কমিয়ে দেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, গতকাল সয়াবিন তেলের দাম ছিল ৭৮ থেকে ৮৪ টাকা। এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৭৮ থেকে ৮৪ টাকা। আর এক মাস আগে ছিল ৮০ থেকে ৮৪ টাকা।

রমজান উপলক্ষে বাজার দর তদারকি হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের চারটি টিম প্রতিদিন বাজার দর তদারকি করে। এছাড়া বিভিন্নভাবে মোবাইল কোর্ট দিয়েও আমরা চেষ্টা করি বাজার দর তদারকি করার। আজ সকালেও দিনাজপুর থেকে আমাদের ফোন এসেছিল, যারা বেশি দামে পণ্য বিক্রি করেছিল তাদের পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আমরা ছাড়াও ভোক্তা অধিকার থেকে তারা টিম পাঠায়। এছাড়া সিটি কর্পোরেশন থেকেও টিম পাঠানো হয়। রাস্তায় চাঁদাবাজির ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে র‍্যাব ও পুলিশকে বলা হয়েছে।

বাজার দর নিয়ে আপনি শতভাগ সন্তুষ্ট কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একশ’ ভাগ সন্তুষ্ট হওয়া তো কঠিন ব্যাপার। তবুও আমরা সন্তুষ্ট, আমরা চেষ্টা করছি। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএইচআর/এসআই