Exim Bank Ltd.
ঢাকা, বুধবার ২৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১০ মাঘ ১৪২৫

একই বিন্দুতে মিলছে শুরু আর শেষ

সঞ্জয় বসাক পার্থডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
একই বিন্দুতে মিলছে শুরু আর শেষ
ছবি: সংগৃহীত

তার পরিচয় দিতে গেলে স্রেফ একটি বাক্যই যথেষ্ট, উইকেটের দিক থেকে টেস্ট ইতিহাসের সফলতম বাঁহাতি বোলার। পেসার হোক বা স্পিনার, বাঁ হাতে বল ঘুরিয়েছেন এমন বোলারদের মধ্যে টেস্টে হেরাথের চেয়ে বেশি উইকেট নেই আর কারোর। অথচ রঙ্গনা হেরাথের টেস্ট ক্যারিয়ারটা কি অদ্ভুত বৈপরীত্যে ভরা! মুরালিধরণ নামের এক জাদুকরের কারণে যখন ম্যাচের পর ম্যাচ, বছরের পর বছর বাইরে বসে কাটাতে হচ্ছে, তখনো কি হেরাথ জানতেন, অবসরের সময় তিনিই হবেন টেস্ট ইতিহাসের সফলতম বাঁহাতি বোলার!

১৯৯৯ সালের ২২ সেপ্টেম্বর। চোখে রঙিন স্বপ্ন নিয়ে গলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অভিষেক হয়েছিল হেরাথের। ১৯ বছর পরে সেই প্রিয় গলেই থামতে চলেছে হেরাথের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার। প্রতিপক্ষ হিসেবে অস্ট্রেলিয়াকে পাচ্ছেন না, পাচ্ছেন অজিদেরই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডকে। কিন্তু এই টেস্টে প্রতিপক্ষ মুখ্য না, হয়তো মুখ্য না খেলার ফলটাও। মুরালি উত্তর-যুগে শ্রীলঙ্কাকে একা কাঁধে টেনে চলা, বাঁ হাতের ঘূর্ণিতে বহু ম্যাচ জেতানো মানুষটা যে এবার চিরতরে বিদায় বলে দিচ্ছেন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটকে। সবকিছু ছাপিয়ে এই ম্যাচ তাই শুধুই রঙ্গনা হেরাথের ম্যাচ।

হেরাথের অবসরের সঙ্গে সঙ্গে থেমে যাচ্ছে ইতিহাসের একটি অধ্যায়ও। বর্তমানে ক্রিকেট খেলছেন এমন খেলোয়াড়দের মধ্যে কেবল হেরাথের অভিষেকই হয়েছিল বিংশ শতাব্দীতে। হেরাথের বিদায়ের সঙ্গে তাই ২০০০ সালের আগে অভিষেক হওয়া ক্রিকেটারের অস্তিত্বও বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। আক্ষরিক অর্থেই হেরাথের অবসরকে তাই এক যুগের অবসান বলে চালিয়ে দেয়া যায়।

মুরালির ছায়া থেকে বের হয়ে আসা: টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে অভাগা দুই ক্রিকেটারের নাম করতে গেলে সবার আগে চলে আসত দুটি নাম, স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল আর রঙ্গনা হেরাথ। কপালটা সত্যিই মন্দ ছিল দু’জনের, শেন ওয়ার্ন আর মুত্তিয়া মুরালিধরণ নামের দুই অতিমানবের সময়ে জন্মে যেন পাপই করে ফেলেছিলেন তারা! ওয়ার্নের ছায়ায় থাকা ম্যাকগিল ক্যারিয়ারটাকে খুব বেশিদূর টানতে পারেননি, কিন্তু পেরেছেন হেরাথ। কে জানে, হয়তো ভাগ্যদেবীই ঠিক করে রেখেছিলেন, একদিন মুরালিকে ছাপিয়ে নিজস্ব পরিচয়েই পরিচিত হবেন এই বাঁহাতি জাদুকর!

১৯৯৯ সালে বৃষ্টিবিঘ্নিত অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অভিষেক হেরাথের। ম্যাচে এক ইনিংসেই বল করার সুযোগ পেয়েছিলেন, রিকি পন্টিং ও স্টিভ ওয়াহর উইকেট দুটি সহ ইনিংসে ৯৭ রান দিয়ে পেয়েছিলেন ৪ উইকেট, আর মুরালি পেয়েছিলেন ৭১ রানে ৫ উইকেট। একে প্রতিকী হিসেবে ধরে নিতে পারেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকটায় বেশিরভাগ সময়ই যে এভাবে মুরালির পিছনে পড়ে কাটাতে হয়েছে তাকে।

অভিষেকের এক দশক পরে প্রথমবারের মতো স্পটলাইটটা নিজের দিকে টেনে নেন হেরাথ, ২০০৯ সালে সেই পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৫ রানে ৪ উইকেটের ম্যাচজয়ী স্পেল দিয়ে। হেরাথের ওই স্পেলের কল্যাণেই চতুর্থ ইনিংসে ১৬৮ রান ডিফেন্ড করেছিল লঙ্কানরা। এরপরের বছর অবসর নিলেন মুরালি, আর সুযোগ পেয়ে সেটিকে নতমস্তকে লুফে নিলেন হেরাথ। মুরালি যুগে যেখানে ২২ টেস্টে ৭১ উইকেট, মুরালির অবসরের পর ৭০ টেস্ট খেলে সেখানে ৩৫৯ উইকেট! ম্যাচপ্রতি গড়ে ৫ দশমিক ১৩ উইকেটের পরিসংখ্যানই বলে দেয়, মুরালির অবসরের পর কীভাবে তার অভাব পূরণ করে গেছেন হেরাথ।

মুরালির অবসরের পর লঙ্কান দলের সবচেয়ে বড় ম্যাচ উইনার ছিলেন এই হেরাথ। হ্যাঁ, সাঙ্গাকারা, জয়াবর্ধনের মতো দুই মহীরুহকে বিবেচনায় রেখেই বলা হয়েছে কথাটি, যার পক্ষে সাফাই গাইবে পরিসংখ্যান। মুরালির অবসরের পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১০ বার ম্যাচ সেরা হয়েছেন হেরাথ, যা পুরো ক্রিকেট বিশ্বেই এই সময়সীমার মধ্যকার সর্বোচ্চ। লঙ্কান দলে হেরাথের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬ বার ম্যাচসেরার পুরষ্কার পেয়েছেন সাঙ্গাকারা। মুরালি যাওয়ার পর লঙ্কান বোলিং আক্রমণের ভার পুরোটাই নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন হেরাথ। প্রমাণ? হেরাথের ৩৫৯ উইকেটের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকার দিলরুয়ান পেরেরা, উইকেট সংখ্যা? ১২৫ টি!

মুরালির বিদায়ের পর শ্রীলঙ্কা যে ২৬ টি টেস্ট জিতেছে, সেই ২৬ টেস্টে ২০৫ উইকেট নিয়েছেন হেরাথ! তথ্যটা আরো বিস্ময়কর শোনাবে যখন জানবেন, গড়ে প্রতি সাড়ে ৬ ওভার বোলিংয়ে একটি করে উইকেট তুলেছেন তিনি! এর মধ্যে এমন কিছু বোলিং পারফরম্যান্স রয়েছে, যা ইতিহাসে জায়গা করে নেয়ার মতো। ২০১১ সালে সাউথ আফ্রিকার মাটিতে শ্রীলঙ্কার একমাত্র টেস্ট জয়ে ১২৮ রানে ৯ উইকেট, ২০১৪ সালে সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবে (এসএসসি) পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৮৪ রানে ১৪ উইকেট। এছাড়াও আছে ২০১৫ সালে গল টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৮ রানে ৭ উইকেট, যে টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১৯২ রানে পিছিয়ে পড়েও হেরাথের নৈপুণ্যে জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। ২০১৬ সালে এসএসসিতে অজিদের বিপক্ষে ম্যাচে ১৩ উইকেট ও গত বছর আবুধাবিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে দশ উইকেটও লেখা থাকবে হেরাথ মাস্টারক্লাসের তালিকায়। ব্যাট হাতেও একটি টেস্ট জয়ে অবদান রেখেছিলেন হেরাথ। লিডসে অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের সঙ্গে ৮ম উইকেটে ১৪৯ রান যোগ করেন হেরাথ, নিজে করেন ৪৮ রান। ওই প্রথমবার ইংরেজদের মাটিতে টেস্ট সিরিজ জিতেছিল লঙ্কানরা।

দশকের সবচেয়ে সফল স্পিনার: উইকেটের দিক থেকে বিবেচনা করতে গেলে এই দশকের সবচেয়ে সফল স্পিনারটির নাম রঙ্গনা হেরাথ। অন্তত ৫০ টেস্ট উইকেট পেয়েছেন এমন ২৩ জন স্পিনারের মধ্যে উইকেট সংখ্যায় হেরাথের কাছাকাছি আসতে পেরেছেন কেবল ভারতের রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৩৩৬) ও অস্ট্রেলিয়ার নাথান লায়ন (৩১৮)। আর পেসার স্পিনার মিলিয়ে হিসেব করলে হেরাথের সামনে আছেন কেবল অ্যান্ডারসন (৪১৬) ও ব্রড (৩৬০)

ক্ষুরধার হেরাথ: হেরাথের শারীরিক ফিটনেস ও মানসিক শক্তিমত্তার প্রমাণ পাবেন যখন শুনবেন, তার মোট টেস্ট উইকেটের ৮০ শতাংশের বেশি এসেছে বয়স ৩৩ হওয়ার পর, যে বয়সে উপমহাদেশের বেশিরভাগ বোলার ক্যারিয়ার শেষ করার চিন্তায় মগ্ন থাকেন! ৩৩ বছর হওয়ার পর এত উইকেট নিতে পারেননি ইতিহাসের আর কোনো বোলার, এমনকি স্বয়ং মুরালিও না। বয়স যত বেড়েছে, হেরাথের অস্ত্রভাণ্ডারও যেন ততই সমৃদ্ধ হয়েছে। যে ১১ বার ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েছেন, তার মধ্যে ১০ বারই বয়স ৩৩ পার হওয়ার পরে! বিশেষজ্ঞ বোলারদের মধ্যে কেবল অনিল কুম্বলেই বয়স ৩৩ হওয়ার পরে ৫বার ম্যাচসেরা হতে পেরেছিলেন। হেরাথ সেখানে কুম্বলের দ্বিগুণবার হয়েছেন! ৩৩ বার হওয়ার পর ইনিংসে ৫ উইকেট পেয়েছেন ৩০ বার, ম্যাচে ১০ উইকেট ৯ বার। যেখানে অনেক বোলার তাদের পুরো ক্যারিয়ারেই এসব অর্জন করতে পারেন না, হেরাথ সেটা করে দেখিয়েছেন শেষবেলায় এসে।

শেষ ইনিংসের অবিসংবাদিত রাজা: হেরাথ টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো স্পটলাইটে এসেছিলেন চতুর্থ ইনিংসের পারফরম্যান্স দিয়েই। দিন যত এগিয়েছে, চতুর্থ ইনিংসের সঙ্গে হেরাথের মিতালি ততটাই দৃঢ় হয়েছে। শেষ ইনিংসে বল করতে এলেই যেন ব্যাটসম্যানদের কাছে সাক্ষাৎ মৃত্যুদূতে পরিণত হতেন হেরাথ। টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে মাত্র ১৮ দশমিক ৮ গড়ে ১১৫ উইকেট নিয়েছেন হেরাথ, ইনিংসে ৫ উইকেট পেয়েছেন ১২ বার। চতুর্থ ইনিংসে হেরাথের মোট উইকেটের প্রায় অর্ধেকই আবার এসেছে গল ও এসএসসিতে।

শেষ ইনিংসে হেরাথের চেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন কেবল স্পিন সম্রাট শেন ওয়ার্ন, তবে তিনি হেরাথের চেয়ে টেস্ট খেলেছেন ১৩টি বেশি। চতুর্থ ইনিংসে কমপক্ষে ৫০ উইকেট পেয়েছেন, এমন ২০ জন বোলারের মধ্যে হেরাথের গড় তৃতীয় সর্বোচ্চ। কেবল বিষেণ সিং বেদী ও কার্টলি অ্যামব্রোসের চতুর্থ ইনিংসের গড় হেরাথের চেয়ে ভালো। তবে চতুর্থ ইনিংসে তার চেয়ে বেশিবার পাঁচ উইকেট পাননি ইতিহাসের আর কোনো বোলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭ বার করে পেয়েছেন ওয়ার্ন ও মুরালি।

রঙ্গনা হেরাথ

চতুর্থ ইনিংসে হেরাথের স্মরণীয় পারফরম্যান্সগুলোর মধ্যে রয়েছে- ২০১৫ সালে গলে ভারতের বিপক্ষে ৪৮ রানে ৭ উইকেট, আবুধাবিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪৩ রানে ৬ উইকেট (হেরাথের এই পারফরম্যান্সেই টেস্টে নিজেদের সর্বনিম্ন স্কোর ডিফেন্ড করেছিল শ্রীলঙ্কা), ২০১২ সালে গলে তৎকালীন এক নম্বর দল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৭ রানে ৬ উইকেট ও ডারবানে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ৭৯ রানে ৫ উইকেট (এটি ছিল সাউথ আফ্রিকার মাটিতে শ্রীলঙ্কার প্রথম টেস্ট জয়)। ২০০ এর নিচে টার্গেট দিয়ে ৩ বার সেটা ডিফেন্ড করতে সমর্থ হয়েছে শ্রীলঙ্কা , তিনবারই মূল কাণ্ডারি ছিলেন হেরাথ।

হেরাথের ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য দিক:

১) ৪৩০ টেস্ট উইকেট নিয়ে হেরাথ এখন সর্বকালের দশম সর্বোচ্চ টেস্ট উইকেট শিকারি। তবে নিজের শেষ টেস্ট শেষে তালিকার ৮ নম্বরে উঠে আসার খুব ভালো সম্ভাবনা রয়েছে তার। শেষ টেস্টে ৫ উইকেট পেলেই রিচার্ড হ্যাডলি (৪৩১) ও কপিল দেবকে (৪৩৪) ছাড়িয়ে যাবেন হেরাথ। বর্তমানে খেলছেন এমন বোলারদের মধ্যে কেবল অ্যান্ডারসন (৫৬৪) ও ব্রড (৪৩৩) এর টেস্ট উইকেটই তার চেয়ে বেশি।

২) টেস্ট ক্রিকেটে হেরাথই সবচেয়ে বেশিদিন টিকে থাকা খেলোয়াড় হিসেবে ক্যারিয়ার শেষ করতে চলেছেন। শেষ টেস্ট যখন খেলতে নামবেন ততদিনে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের বয়স ১৯ বছর পার করে যাবে।

৩) নিজের প্রিয় গলে শেষ টেস্টে ১০০ উইকেটের হাতছানি হেরাথের সামনে। ডাচদের দুর্গ ঘেঁষা এই স্টেডিয়ামে এখনো পর্যন্ত ১৮ টেস্ট খেলে ৯৯ উইকেট পেয়েছেন হেরাথ। শেষ টেস্টে একটি উইকেট পেলেই মুরালি (গল, এসএসসি, ক্যান্ডি) ও অ্যান্ডারসনের (লর্ডস) পর কোনো নির্দিষ্ট ভেন্যুতে ১০০ টেস্ট উইকেট পাওয়া ৩য় বোলার হবেন হেরাথ। এছাড়া নিজের আরেক পয়া ভেন্যু এসএসসিতেও ১৪ টেস্ট খেলে ৮৪ উইকেট পেয়েছেন তিনি।

৪) ক্যারিয়ারে হেরাথের সবচেয়ে প্রিয় প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। নিজের মোট উইকেটে প্রায় এক চতুর্থাংশই তিনি পেয়েছেন পাকিস্তানের বিপক্ষে। টেস্ট ইতিহাসের একমাত্র বোলার হিসেবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০০ উইকেট পেয়েছেন তিনি, ২১ টেস্ট খেলে পেয়েছেন ১০৬ উইকেট।

৫) টেস্ট ইতিহাসের মাত্র চতুর্থ বোলার হিসেবে টেস্ট খেলুড়ে সব দেশের বিপক্ষে ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব রয়েছে হেরাথের (আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তান বাদে)। বাকি তিনজন হলেন মুরালি, ডেল স্টেইন ও সাকিব আল হাসান।

৬) ২০১৪ সালে এসএসসিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে তার এক ইনিংসে ১২৭ রানে ৯ উইকেট নেয়াটা ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে। টেস্ট ক্রিকেটে এক ইনিংসে কোনো বাঁহাতি বোলারের সেরা ফিগার এটিই। ওই টেস্টে ১৮৪ রান দিয়ে ১৪ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী যুগে কোনো বাঁহাতি বোলারের পক্ষে ম্যাচে সেরা বোলিং ফিগার এটি।

৭) হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে ১৫২ রানে ১৩ উইকেট নিয়েছিলেন হেরাথ। টেস্ট ইতিহাসে অধিনায়ক হিসেবে এটি ৩য় সেরা বোলিং ফিগার।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস/এসজেড

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
নতুন হাইস্পিড রেলে ঢাকা থেকে ৫৪ মিনিটে চট্টগ্রাম
নতুন হাইস্পিড রেলে ঢাকা থেকে ৫৪ মিনিটে চট্টগ্রাম
সেলফিতে মাশরাফী দম্পতি
সেলফিতে মাশরাফী দম্পতি
বঙ্গোপসাগরে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার যন্ত্রযুক্ত কচ্ছপ উদ্ধার
বঙ্গোপসাগরে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার যন্ত্রযুক্ত কচ্ছপ উদ্ধার
বাংলাদেশের মাঝে এক টুকরো ‌'কাশ্মীর'!
বাংলাদেশের মাঝে এক টুকরো ‌'কাশ্মীর'!
‘মা’ গানে মাতালেন নোবেল, কাঁদালেন মঞ্চ (ভিডিও)
‘মা’ গানে মাতালেন নোবেল, কাঁদালেন মঞ্চ (ভিডিও)
এমপি হচ্ছেন মৌসুমী!
এমপি হচ্ছেন মৌসুমী!
মদের চেয়ে দুধ ক্ষতিকর: মার্কিন পুষ্টিবিদ
মদের চেয়ে দুধ ক্ষতিকর: মার্কিন পুষ্টিবিদ
পাসওয়ার্ড না দেয়ায় স্বামীকে পুড়িয়ে মারল স্ত্রী
পাসওয়ার্ড না দেয়ায় স্বামীকে পুড়িয়ে মারল স্ত্রী
বিয়েতে সৌদি নারীদের পছন্দের শীর্ষে বাংলাদেশি পুরুষরা!
বিয়েতে সৌদি নারীদের পছন্দের শীর্ষে বাংলাদেশি পুরুষরা!
স্ত্রীর ‘বিশেষ’ আবেদনে মলম মাখিয়ে বিপাকে স্বামী!
স্ত্রীর ‘বিশেষ’ আবেদনে মলম মাখিয়ে বিপাকে স্বামী!
সোমবার ‘চন্দ্রগ্রহণ’
সোমবার ‘চন্দ্রগ্রহণ’
শুধুই নারীসঙ্গ পেতে পর্যটকরা যেসব দেশে ভ্রমণ করেন
শুধুই নারীসঙ্গ পেতে পর্যটকরা যেসব দেশে ভ্রমণ করেন
মৃত মানুষের বাড়িতে কান্না করাই তাদের পেশা!
মৃত মানুষের বাড়িতে কান্না করাই তাদের পেশা!
পালিয়ে বিয়ে করলে আশ্রয় দেবে পুলিশ
পালিয়ে বিয়ে করলে আশ্রয় দেবে পুলিশ
স্ত্রীকে ভালোবাসার বিরল ঘটনা: ৫৫ হাজার পোশাক উপহার
স্ত্রীকে ভালোবাসার বিরল ঘটনা: ৫৫ হাজার পোশাক উপহার
বিয়ের খবর প্রকাশ করলেন সালমা
বিয়ের খবর প্রকাশ করলেন সালমা
বৃক্ষমানবের হাতে পায়ে ফের শেকড়
বৃক্ষমানবের হাতে পায়ে ফের শেকড়
বিষ খেয়ে হাসপাতালেই বিয়ে!
বিষ খেয়ে হাসপাতালেই বিয়ে!
পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ কাল
পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ কাল
স্থগিত শনিবারের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন
স্থগিত শনিবারের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন
ব্রেকিং:
আগামী ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান; ভোটগ্রহণ চলবে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত