Alexa একই টেস্টের দুই রিপোর্ট, রোগী যাবেন কোন দিকে

ঢাকা, রোববার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৭ ১৪২৬,   ২২ মুহররম ১৪৪১

Akash

একই টেস্টের দুই রিপোর্ট, রোগী যাবেন কোন দিকে

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:০৩ ২৫ আগস্ট ২০১৯   আপডেট: ২০:০৯ ২৫ আগস্ট ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাজশাহীর পুঠিয়া পৌর সদরের কাঁঠালবাড়িয়া ওয়ার্ডের নুরুল ইসলামের স্ত্রী রিজিয়া বেগম। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আরএ টেস্ট করান তিনি। কিন্তু একই টেস্টের রিপোর্ট এসেছে দুই ধরনের।

রিজিয়া বেগম বলেন, মে মাসের ১২ তারিখে হাত-পায়ের ফোলা ও ব্যথা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আউটডোরের জুনিয়র কনসালটেন্ট অর্থোপেডিক ডাক্তার সাঈদ আহম্মেদের কাছে যাই। ডাক্তার আমাকে আরএ টেস্ট করতে দেন। টেস্ট করতে সেখানকার প্যাথলজি বিভাগে রক্ত দেই। পরে প্যাথলজি বিভাগ আমার আরএ টেস্ট রিপোর্টে নেগেটিভ দেয়। টেস্ট রিপোর্ট পাওয়ার পর ডাক্তার সাঈদ এক মাসের চিকিৎসাপত্র দেন।

তিনি বলেন, এক মাসের চিকিৎসায় কোনো উন্নতি না হওয়ায় পুনরায় ডাক্তার সাঈদের কাছে যাই। তখন তিনি একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাতে পরামর্শ দেন। পরামর্শ অনুযায়ী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক (অর্থো-সার্জারি) ডাক্তার সফিকুল ইসামের প্রাইভেট চেম্বারে যাই। ডাক্তার সফিকুল পুঠিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টেস্ট রির্পোট দেখে আবার এক মাসের চিকিৎসাপত্র দেন। ডাক্তার সফিকুলের চিকিৎসাতেও কোনো ফল পাইনি।

রেজিয়া আরো বলেন, ১৮ আগস্ট পরিবারের সদস্যরা আমাকে রামেক হাসপাতালের ডাক্তার জহিরুলের প্রাইভেট চেম্বারে নেন। ডাক্তার জহিরুল বিভিন্ন টেস্টের মধ্যে আরএ টেস্ট দেন। সেখানে আরএ টেস্ট রিপোর্টে দেখা যায় ১২১.৪ আই ইউ/এম এল। বর্তমানে ডাক্তার জহিরুলের চিকিৎসায় অনেকটা সুস্থ।

এ বিষয়ে রাজশাহী মেজিকেল কালেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এনামুল হক জানান, আরএ টেস্ট নেগেটিভ হওয়ার পর পজিটিভ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। রোগী রিজিয়া বেগমের আগে থেকে আরএ পজিটিভ ছিল। আগের টেস্টে ব্যবহৃত রিয়েজেন্ট অথবা তাদের মেশিনের মধ্যে হয়তো কোনো ত্রুটি ছিল। তাছাড়া রিপোর্ট নেগেটিভ আসতো না।

পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্যাথলজি বিভাগের টেকনিশিয়ান আসলাম আলী প্যাথলজি টেস্টটি সঠিক বলে দাবি করেন।

একই কথা বলেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার নাজমা নাহার। তিনি বলেন, দুই জায়গার টেস্ট দুই রকম হতেই পারে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর