একইসঙ্গে জেরার মুখে প্রযুক্তি বিশ্বের চার ক্ষমতাধর সিইও
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=197136 LIMIT 1

ঢাকা, শনিবার   ০৮ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৫ ১৪২৭,   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

একইসঙ্গে জেরার মুখে প্রযুক্তি বিশ্বের চার ক্ষমতাধর সিইও

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৩০ ৩০ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৪:০০ ৩০ জুলাই ২০২০

অ্যামাজনের সিইও জেফ বেজস, অ্যাপলের সিইও টিম কুক, ফেসবুকের সিইও মার্ক জাকারবার্গ ও গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই

অ্যামাজনের সিইও জেফ বেজস, অ্যাপলের সিইও টিম কুক, ফেসবুকের সিইও মার্ক জাকারবার্গ ও গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই

প্রযুক্তি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর চার ব্যক্তি গত বুধবার মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের জেরার সম্মুখীন হয়েছেন। এর আগে কখনোই একইসঙ্গে কংগ্রেস শুনানিতে অংশ নেননি তারা।

প্রযুক্তি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর এই চার ব্যক্তি হলেন- অ্যাপলের সিইও টিম কুক, গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই, ফেসবুকের সিইও মার্ক জাকারবার্গ ও অ্যামাজনের সিইও জেফ বেজস। তারা কতটুকু ক্ষমতা পুঞ্জিভূত করে রেখেছেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতার পথ বন্ধ করছেন কি-না এবং তাদের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক কেমন হবে—এসব বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় তাদের।

গুগল, ফেসবুক, অ্যাপল ও অ্যামাজনের সিইও এর আগেও কংগ্রেস শুনানির মুখোমুখি হয়েছেন। তবে জেফ বেজস প্রথমবারের মতো এ শুনানিতে অংশ নিয়েছেন। এই চার প্রতিষ্ঠান নিয়ে নিয়ে প্রচুর অভিযোগ রয়েছে। সেসবের ভিত্তিতেই চার সিইওকে কংগ্রেস সদস্যরা প্রশ্ন করেছেন।

অ্যামাজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো তারা নিজেদের পণ্যের বা সেবার প্রচারণায় বেশি মনোযোগী। একারণে অ্যামাজনের মার্কেট প্লেসে থার্ড পার্টি কোম্পানিগুলো বৈষম্যের শিকার হয়। গুগলের বিরুদ্ধেও প্রায় একই অভিযোগ! দীর্ঘ দিন ধরেই ছোট কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারকারীদের তথ্য সংরক্ষণ করার অভিযোগ রয়েছে সার্চ ইঞ্জিনটির বিরুদ্ধে।

বিদ্বেষমূলক কমেন্ট, ভুয়া তথ্য ও উস্কানিমূলক প্রচারণা ঠেকাতে জোরালো কোনো পদক্ষেপ নেয়নি ফেসবুক। এদিকে অ্যাপ নির্মাতাদের অভিযোগ, অ্যাপ স্টোর থেকে যা আয় হয় তার ৩০ শতাংশ কেটে রাখে অ্যাপল।

পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ডেমোক্রেট কংগ্রেস ডেভিড সিসিলিন বলেছেন, এক বছরের দীর্ঘ তদন্তে দেখা গেছে যে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো প্রসারণের জন্য ধ্বংসাত্মক উপায়ে তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ করছে। কিছু কিছু সংস্থা ভেঙে ফেলা দরকার এবং সবগুলোকে যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

জেফ বেজস শুনানিতে বলেন, বড় সংস্থার পাশাপাশি ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজন। তবে এমন কিছু জিনিস রয়েছে, যা ছোট সংস্থাগুলো করতে পারে না। এদিকে অ্যাপল সিইও উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে প্রযুক্তি বিশ্বে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। যা বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা প্রমাণ করে।

ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গ, অ্যামাজনের জেফ বেজোস, গুগলের সুন্দর পিচাই এবং অ্যাপলের টিম কুক জোর দিয়ে বলেন, তারা কোনো অবৈধ কাজ এবং আমেরিকান শেকড় ও মূল্যবোধকে আঘাত করে এমন কিছুও করেননি।

ভিডিও বক্তৃতায় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানরা বলেছেন, তাদের সংস্থা ছোট ছোট ব্যবসায় সহায়তা করেছে এবং তারা নতুন আগতদের কাছেও প্রতিযোগিতা ঝুঁকির মধ্যে ছিল।

প্রযুক্তি খাতের বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে গুগল, ফেসবুক, অ্যাপল ও অ্যামাজন। তাদের নিয়ন্ত্রণের কৌশল প্রায় এক। নতুন কোনো কোম্পানী ভালো কিছু করলে সেটা নকল করে থাকে তারা।  এছাড়া আরো অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে এই চার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে/মাহাদী