ঋণের কিস্তি পরিশোধের মেয়াদ বেড়েছে

ঢাকা, সোমবার   ২৬ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ১১ ১৪২৮,   ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

ঋণের কিস্তি পরিশোধের মেয়াদ বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৩৪ ২৪ মার্চ ২০২১   আপডেট: ১৭:৪০ ২৫ মার্চ ২০২১

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

করোনা পরিস্থিতির কারণে ঋণের কিস্তি পরিশোধের মেয়াদ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন মেয়াদে চলমান ঋণের ক্ষেত্রে গত বছরের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) আরোপিত সুদ ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত দিতে পারবে।

এ জন্য চলতি বছরের মার্চ থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত ছয়টি সমান ত্রৈমাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে। আর তলবি প্রকৃতির ঋণের ক্ষেত্রে চলতি বছরের মার্চ থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আটটি সমান ত্রৈমাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের কার্যরত সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে আরোপিত সুদ (অনাদায়ী থাকলে) ২০২২ সালের জুনের মধ্যে ছয়টি সমান ত্রৈমাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে। এছাড়া ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত আরোপিত সুদ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে নিয়মিতভাবে পরিশোধিত হলে গ্রাহকের নেয়া ঋণ বা বিনিয়োগ ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ উত্তীর্ণ হিসেবে বিবেচিত হবে না।

তলবি প্রকৃতির ঋণ বা বিনিয়োগগুলো চলতি বছরের মার্চ হতে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আটটি সমান ত্রৈমাসিক কিস্তিতে পরিশোধিত হলে ওই ঋণ শ্রেণিকরণ করা যাবে না।

উল্লেখিত নিয়মে কোনো ত্রৈমাসিকে প্রদেয় কিস্তি পরিশোধিত না হলে ওই ত্রৈমাসিক হতে এ সুবিধা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে এবং যথানিয়মে ঋণ বা বিনিয়োগ শ্রেণিকরণ করতে হবে বলেও সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়।

তবে উল্লেখিত চলমান ও তলবি ঋণসহ মেয়াদি ঋণের বিপরীতে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তি ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ২০২১ সালের ৩০ জুনের মধ্যে পরিশোধ করা হলে ওই সময়ে ঋণ বা বিনিয়োগগুলো বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না।

এছাড়া অন্যান্য ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা এবং বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় প্রদত্ত ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রণোদনা প্যাকেজের নীতিমালা অনুসরণীয় হবে বলে সার্কুলারে বলা হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ/এইচএন