Alexa উত্তাল বুয়েট

ঢাকা, সোমবার   ১৪ অক্টোবর ২০১৯,   আশ্বিন ৩০ ১৪২৬,   ১৫ সফর ১৪৪১

Akash

উত্তাল বুয়েট

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:০১ ৭ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ১৪:১৩ ৭ অক্টোবর ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যায় উত্তাল এখন বুয়েট।

সোমবার সকাল থেকেই বিক্ষোভ করছেন তার সহপাঠীসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা। তারা বিক্ষোভে জানিয়ে দিচ্ছেন ফাহাদ হত্যার বিচার হোক।

এরআগে আবরার ফাহাদ হত্যায় শেরে বাংলা হলের প্রভোস্ট জাফর ইকবালকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে শিক্ষার্থীরা।  শিক্ষার্থীরা জানান সিসিটিভি ফুটেজের জন্য তারা প্রভোস্টের রুম অবরুদ্ধ করেছেন। ওই ফুটেজ পেলে হত্যার বিষয়ে বিস্তারিত জানানযাবে উল্লেখ করে তারা আরো বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখানো না হলে তারা ওই যায়গা ছাড়বেন না।

নিহত ফাহাদের সহপাঠীরা বলছেন, রাত ৮টার দিকে শের-ই বাংলা হলের এক হাজার ১১ নম্বর কক্ষ থেকে কয়েকজন ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যায়। এর পর রাত ২টা পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

তাদের ধারণা, ২ হাজার ১১ নাম্বার রুমে নিয়ে তাকে পেটানো হয়। পরে শেরেবাংলা হলের একতলা ও দুই তলার মাঝখানের সিঁড়ি থেকে ফাহাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

ফাহাদের এক সহপাঠী বলেন, যারা ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যায় তাদের আমরা চিনি। কিন্তু এ মুহূর্তে তাদের নাম বলতে চাচ্ছি না।

চকবাজার থানার ওসি সোহরাব হোসেন জানান, বুয়েট শিক্ষার্থী ফাহাদের মৃত্যুর ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাসেল ও ফুয়াদকে আটক করা হয়েছে। তারা দুজনই বুয়েট শিক্ষার্থী।

নিহত আবরার ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (ইইই) বিভাগের লেভেল-২ এর টার্ম ১ এর ছাত্র ছিলেন। তিনি শের-ই বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তার বাড়ি কুষ্টিয়া শহরে। কুষ্টিয়া জেলা স্কুলে তিনি স্কুলজীবন শেষ করে নটরডেম কলেজে পড়েন।

হল প্রভোস্ট মো. জাফর ইকবাল খান বলেন, রাত পৌনে ৩টার দিকে খবর পাই এক শিক্ষার্থী হলের সামনে পড়ে আছে। কেন সে বাইরে গিয়েছিল, কী হয়েছিল, তা এখনও জানা যায়নি। পরে বুয়েটের চিকিৎসক দিয়ে তাকে পরীক্ষা করা হয়। ওই চিকিৎসক জানান তিনি বেঁচে নেই। পরে পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ এসে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম