Alexa উত্তাপ নেই আছে আমেজ

ঢাকা, বুধবার   ১৬ অক্টোবর ২০১৯,   কার্তিক ২ ১৪২৬,   ১৭ সফর ১৪৪১

Akash

গোপালগঞ্জ সদর

উত্তাপ নেই আছে আমেজ

 প্রকাশিত: ১৯:৪৪ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮   আপডেট: ২০:০২ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

আওয়ামী লীগের অন্যতম ভোট ব্যাংক এ গোপালগঞ্জ জেলা। বরাবরই একক অবস্থান তাদের। এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে অন্য দলের প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয় না। প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় ভোটের শতকরা হারে। শতকরা কত ভাগ ভোট নৌকা পেল সেই হিসাবই মূল কথা।

বরাবরের মত এবারো এখানে নির্বাচনী উত্তাপ নেই। কিন্তু নির্বাচনী আমেজ আছে।

গোপালগঞ্জ-২ (গোপালগঞ্জ সদর-কাশিয়ানী) আসনে বরাবরের মত এবারো আওয়ামী লীগের প্রার্থী হবেন আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য বর্তমান এমপি শেখ ফজলুল করিম সেলিম। তিনি স্বাধীনতার পর টানা সাইত্রিশ বছর জাতীয় সংসদে এলাকার মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এ আসনে তার রয়েছে বিপুল জনপ্রিয়তা। এলাকায় নিয়মিত যাতায়াত করেন তিনি।

তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে রয়েছে তার গভীর সম্পর্ক ও যোগাযোগ। তিনি তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় যোগ দেন নানা রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে।

তাছাড়া নির্বাচনী এলাকায় রাস্তাঘাট নির্মাণ, ব্রিজ কালভার্ট, স্কুল কলেজের উন্নয়নসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখায় জনগণ এ নেতার প্রতি খুশি। এমন কি তার অবর্তমানে তারই বড় ছেলে এফবিসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম এবং তার ছোট ছেলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি ও কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা ব্যারিষ্টার শেখ ফজলে নাঈম প্রতি মাসে দুই একবার গোপালগঞ্জ সফর করেন। বিভিন্ন খেলাধুলা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যোগ দেন।

এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে শেখ ফজলুল করিম সেলিমই একক প্রার্থী হবেন বলে জানা গেছে।

এ আসনে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে সক্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। জেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি এফ ই শরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর, সাবেক সভাপতি এমএইচ খান মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক এম মুনসুর আলী, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান পিনু প্রমুখ নেতাদের তৎপর দেখা যায়।

এদের মধ্যে সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ঢাকায় থাকেন। মাঝে মধ্যে গোপালগঞ্জে এসে বিভিন্ন গ্রামে যান। খোঁজ খবর নেন নেতাকর্মীদের। তার নেতৃত্বে বর্তমানে বিএনপির নতুন সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে।

সিরাজ বলেন, নির্বাচনী মাঠ সমতার ভিত্তিতে পরিচালিত হলে বিএনপি গোপালগঞ্জের তিনটি আসনেই গ্রহণযোগ্য ভোট পাবে। জনগণ যদি তাদের ভোটাধিকার প্রযোগ করতে পারে, তবে এবার তারা বিএনপিকেই জয়ী করবে।

প্রার্থীর দৌড়ে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষক পার্টির সভাপতি আলহাজ সাহিদুর রহমান টেপা এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আলমগীর হোসেনের নাম শোন যাচ্ছে।

গোপালগঞ্জ জেলা জাসদ (ইনু) সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখ মাসুদুর রহমান, অ্যাডভোকেট সহীদুল হকের ( আম্মিয়া) নামও রয়েছে আলোচনায়। তবে জোট-মহাজোট নির্বাচন হলে এ আসনে মহাজোটের একক প্রার্থী হবেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ইলিয়াস হক বলেন, গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি। এখানে অন্য দলের হানা দেয়া বা ভাঙন ধরানো সম্ভব নয়। গোপালগঞ্জের তিনটি আসনেই আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে থাকে। আগামীতেও গোপালগঞ্জে সব কয়টি আসনেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের বিজয় সুনিশ্চিত।

গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান বলেন, গোপালগঞ্জ জেলার মানুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী। আগামী নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বর্তমান এমপি শেখ ফজলুল করিম সেলিমই মনোনয়ন পাবেন বলে আমরা জানতে পেরেছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও পার্লামেন্টারি বোর্ড যাকে মনোনয়ন দেবে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে বিজয়ী করতে কাজ করবো।

>>>কাল থাকছে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার রাজনীতি...

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/এমআরকে