Alexa উইলসের কারাতে গার্ল ফিজা

ঢাকা, বুধবার   ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ১৪ ১৪২৬,   ০৩ রজব ১৪৪১

Akash

উইলসের কারাতে গার্ল ফিজা

এস আই রাসেল ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:২২ ৪ আগস্ট ২০১৯   আপডেট: ১১:৪৪ ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

সুমাইয়া দেওয়ান ফিজা। ঢাকার প্রথম ইংলিশ মিডিয়াম উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজে ও লেভেলে পড়াশুনা করেন। বাবা দেশের বিখ্যাত জ্যোতিষী লিটন দেওয়ান চিশতী, মা গৃহিণী। বর্তমান দেশের পরিস্থিতির কথা ভেবেই নারীদের আত্মরক্ষার্থে কাজ করতে চান ফিজা।

নিজের আত্মরক্ষার জন্যই কারাতেতে আগমন হলেও এখন নারীদের নিয়ে কাজ করাই তার লক্ষ্য। কারাতে নিয়ে ডেইলি বাংলাদেশের সাথে কথা বলেন তিনি।

ছবি : সংগৃহীত

কেমন আছেন?
জি আলহামদুলিল্লাহ্‌।

কি উদ্দ্যেশে কারাতে শেখা?
আত্মরক্ষার জন্যই কারাতে শুরু। তবে নিজের একটা ভালো লাগা ও কাজ করে। মূলত আমার শখই কারাতে। 

কবে থেকে কারাতে শুরু?
৭ম শ্রেনী থেকে শুরু। তখন হয়তো আমার বয়স তের। 

ছবি : সংগৃহীত

এখন কোন ক্লাসে পড়াশুনা করেন?
 ও লেভেলে পড়াশুনা করছি।

কোন বেল্টে আছেন এখন?
ফাস্ট ব্রাউন বেল্ট।

কারাতে নিয়ে ভবিষ্যৎ প্লান কি?
যতগুলো ব্লেট আছে আমি সব গুলো পেতে চাই। কারাতে কোচিং করাতেই চাই।

কারাতের বাইরে নিজেকে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?

আমি ব্যারিস্টার হতে চাই।

ছবি : সংগৃহীত

নারীদের নিয়ে কি কিছু করার ইচ্ছা আছে?
প্রতিটা পরিবারেরই বোঝা উচিত বর্তমানে দেশের যা অবস্থা তাতে সকলের কারাতে শেখা উচিত। বিশেষ করে মেয়েদের। যদি কখনো সুযোগ হয় আমি মেয়েদের আন্তনির্ভশীল হতে কাজ করবো। 

আপনার পারিবারিক সাপোর্ট কেমন?
বেশ ভালো সাপোর্ট ই পাই পরিবার থেকে। প্রথম মা ঝামেলা করলেও এখন সে পুরো সাপোর্ট দেয়। তাদের বিশ্বাস আমি অর্জন করতে পেরেছি। তাদের বুঝাতে পেরেছি এটা কতটা দরকার।

কে বেশি উৎসাহ দিয়ে থাকে পরিবারের?
প্রথমে বাবা উৎসাহ দিলে ও এখন মা ই বেশি দেয়।

ছবি : সংগৃহীত

কারাতে কাকে আইডল মানেন?
রন্ডা রাউজি(আমেরিকা), রিকা উসামি(জাপান)। 

কার হাত ধরে এতদুর আসলেন?
জাকের স্যারের (জাকেরউল্লাহ-কারাতে ও জুডো কোচ উইলস এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) হাত ধরেই আজ এতদুর। তার সাপোর্ট না পেলে এতদূর আসতে হয়তো অনেক কষ্ট হতো। সে প্রয়োজনের থেকে বেশি চেষ্টা করেন ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য। কারাতে ছাড়াও নৈতিক চরিত্র গঠনে স্যার বেশ সাহায্য করেন।

ফিজা ডেইলি বাংলাদেশকে সময় দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

ডেইলি বাংলাদেশকেও ধন্যবাদ।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস