Alexa ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সিলেটে র‌্যালি

ঢাকা, সোমবার   ১৮ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৩ ১৪২৬,   ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সিলেটে র‌্যালি

সিলেট প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৪৩ ৯ নভেম্বর ২০১৯  

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার উদ্যোগে সিলেটে ‘মুবারক র‌্যালি’ হয়েছে। ঘুর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর প্রভাবে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন র‌্যালিতে। 

শনিবার বাদ জোহর নগরীর সোবহানীঘাটের হযরত শাহজালাল দারুস সুন্নাহ্ ইয়াকুবিয়া কামিল মাদরাসা থেকে র‌্যালিটি বের হয়। পরে বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার, আম্বরখানা, সুবিদবাজার হয়ে ফের মাদরাসা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। সালাম সালাম নবী সালাম সালাম, মাওলা ইয়া সাল্লি ওয়া সাল্লিম, শামছুদ্দুহা আস্সালাম- এরকম অগণিত নাত এর সুমধুর সুর লহরিতে মুখরিত হয়ে ওঠে র‌্যালি। এ সময় মুসল্লিরা হযরত মোহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে রচিত বিভিন্ন কবিতার শ্লোক খচিত ফেস্টুন ও প্লেকার্ড বহন করেন। এর আগে সকাল থেকে র‌্যালিতে অংশ নিতে সিলেটের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসল্লিরা এসে জড়ো হন সোবহানী ঘাট মাদরাসায়।

র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.)’র ছেলে অধ্যক্ষ মাওলানা কমরুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী, আনজুমানে আল ইসলাহর মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা একেএম মনোওর আলী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাওলানা আব্দুর রকিব, আনজুমানে আল ইসলাহর সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা ছরওয়ারে জাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মাহমুদ হাসান চৌধুরী, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নজমুল হুদা খান, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি আখতার হোসাইন জাহেদ প্রমূখ। 

র‌্যালি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মোজতবা হাসান চৌধুরী নোমানের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব জাহেদুর রহমান ও সিলেট পশ্চিম জেলা সভাপতি শেখ আলী হায়দারের পরিচালনায় র‌্যালিপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলার (র.) অধ্যক্ষ মাওলানা কমরুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী।

এ সময় তিনি বলেন, প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিশ্বমানবতার এক ক্রান্তিলগ্নে দুনিয়ার বুকে তাশরীফ এনেছিলেন। তখন মানুষে মানুষে ছিল হানাহানি। বিশেষ করে নারীরা ছিল সব দিক থেকে নির্যাতিত-নিপীড়িত। মানুষ হিসেবে তাদের কোনো মূল্য ছিল না। মেয়ে সন্তানকে জীবন্ত কবর দেয়া হতো। তখন মানুষকে প্রকৃত মানবিক মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে দুনিয়ার বুকে তাশরীফ এনেছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। তিনি ছিলেন বিশ্বমানবতার জন্য আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ করুণা ও অনুগ্রহ।
 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ