ইহরাম: পবিত্র হজ ও ওমরার প্রথম রুকন

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২০ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৭ ১৪২৬,   ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

ইহরাম: পবিত্র হজ ও ওমরার প্রথম রুকন

 প্রকাশিত: ১২:২০ ২১ জুলাই ২০১৮   আপডেট: ১২:৩৫ ২১ জুলাই ২০১৮

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

পবিত্র হজ ও ওমরার ইবাদতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রথম রুকনই হলো ইহরাম। ইহরাম সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই কোনো ধারণা নেই। অথচ পবিত্র হজ ও ওমরা পালনে ইহরাম বাঁধা হলো ফরজ। 

সংক্ষেপে ইহরাম কি? তার পরিচয় ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হলো-

ইহরাম কি?
اَلْاِحْرَامُ (ইহরাম) শব্দটি حَرَامٌ (হারাম) শব্দ থেকে এসেছে। যার অর্থ হলো কোনো জিনিসকে নিজের ওপর হারাম বা নিষিদ্ধ করে নেয়া। আর এ ইহরামই পবিত্র হজ ও ওমরার প্রথম ফরজ কাজ। পুরুষদের জন্য সেলাইবিহীন দুই টুকরো সাদা কাপড় আর নারীদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যময় শালীন পোশাক পরিধান করাই হলো ইহরাম।

ইহরাম কেন?
এ কারণেই হজ ও ওমরা পালনকারী ব্যক্তি ইহরামের মাধ্যমে নিজের ওপর স্ত্রী সহবাস, মাথার চুল, হাতের নখ, গোঁফ, বগল ও নাভির নিচের ক্ষৌর কর্যাদি, সুগন্ধি ব্যবহার, সেলাই করা পোশাক পরিধান এবং শিকার করাসহ কিছু বিষয়কে হারাম করে নেয়।

প্রকাশ থাকে যে-
উল্লেখিত কাজগুলো পাশাপাশি ‘পবিত্র হজ ও ওমরা’ এ দুটির মধ্যে যেটি আদায় করার ইচ্ছা করবে; তার নিয়ত করে চার ভাগে উচ্চ স্বরে তিন বার তালবিয়া পাঠ করাকেই ইহরাম বলে।

ইহরামের প্রয়োজনীয়তা
নামাজের জন্য যেমন তাকবিরে তাহরিমা বাধা হয়। তেমনি পবিত্র হজ ও ওমরার জন্য ইহরাম বাঁধা হয়। তাকবিরে তাহরিমার দ্বারা স্বাভাবিক অবস্থার হালাল ও বৈধ কাজগুলো নামাজি ব্যক্তির জন্য নামাজ আদায়ের সময় হারাম হয়ে যায়।

ঠিক ইহরামের মাধ্যমেই পবিত্র হজ ও ওমরা পালনকারী ব্যক্তির জন্যও স্বাভাবিক অবস্থার অনেক হালাল কাজও হারাম হয়ে যায়। এ কারণেই পবিত্র হজ ও ওমরার জন্য ইহরামকে ফরজ করা হয়েছে।

মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র হজ ও ওমরা পালনকারীকে সঠিকভাবে ইহরাম বাধার ও ইহরাম বাধার করণীয় সম্পর্কে জানার তাওফিক দান করুন। আল্লাহুম্মা আমিন।

আরো পড়ুন>>> মহান আল্লাহ তাআলা যাদের প্রতি সন্তুষ্ট

আরো পড়ুন>>> পবিত্র হজ ও ওমরায় তালবিয়া পড়া এক ঐশী নির্দেশ

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে