Exim Bank Ltd.
ঢাকা, সোমবার ২২ অক্টোবর, ২০১৮, ৭ কার্তিক ১৪২৫

ইসলামে মধ্যপন্থা জীবন ও ঋণ মুক্তির উপায়

মুফতী শহীদুল ইসলামডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
ইসলামে মধ্যপন্থা জীবন ও ঋণ মুক্তির উপায়
ফাইল ছবি

দ্বীন ইসলাম একটি স্বভাবজাত ধর্ম। মানুষের অবিকৃত এমন কোনো চিন্তা, কর্ম বা রুচি নেই, ইসলাম যাকে সমর্থন করে না। বরং মহান আল্লাহ তায়ালা মানবজাতিকে জন্মগতভাবে যে স্বভাব দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, তার প্রত্যেকটি ইসলাম সমর্থন করে।

কারণ, ইসলাম জীবনের সকল ক্ষেত্রে মধ্যপন্থা অবলম্বনকে নির্দেশ করে।

মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনুল কারিমে বলেন, ‘এমনিভাবে আমি তোমাদের এক মধ্যপন্থী উম্মত বানিয়েছি। যাতে তোমরা অন্যসব মানুষের ব্যপারে সাক্ষী হতে পারো এবং রাসূল হলো তোমাদের সাক্ষী। (বাকারা-১৪৩)।

আর জন্মগতভাবে মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষকে যে স্বভাব দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, তার পছন্দও হলো মধ্যপন্থা। এ জন্য দেখা যায়, ইসলাম ও মানুষের সৃষ্টিগত স্বভাবের মাঝে কোনো বৈপরীত্য নেই। তাই একজন মুসলমানের শুধু নয় বরং সকল মানুষের সৃষ্টিগত স্বভাবের চাহিদা হলো, জীবনের প্রতিটি পর্যায়, যেমন আধ্যাতিকতা ও বস্তুবাদ, অভিজ্ঞতা ও বুদ্ধিভিত্তিকতা, দ্বীনি ও দুনিয়াবি, ব্যক্তিগত ও সামাজিক সকল ক্ষেত্রে মধ্যপন্থা। বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির রাস্তা থেকে সরে এসে ভারসাম্যপূর্ণ পথ ও মতকে আকড়ে ধরা। খোদায়ী নেজামের এই মূলনীতিকে সামনে রেখে বলা যায়, একজন সচেতন, রুচিবোধ সম্পন্ন নাগরিক মাত্রই জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তার চলার পথ হবে মধ্যপন্থা। দ্বীনের সকল বাধা-বন্ধনকে ঝেড়ে ফেলে, সে নফসের তাড়না মিটানোর পিছনে ছুটবে না। আবার জীবনের সব কিছু থেকে হাত গুটিয়ে বৈরাগ্যবাদকেও গ্রহণ করবে না। আর এই দুয়ের মাঝামাঝি পথের নামই হলো ইসলাম।

ভারসাম্যপূর্ণ, মধ্যপন্থায় ব্যয় করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য:

ইসলাম জীবন যাত্রার মান মধ্যম পর্যায়ে রাখতে নির্দেশ করে। মধ্যম পর্যায়ে জীবন যাপনকে মুমিনের বৈশিষ্ট্য সাব্যস্ত করা হয়েছে। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘এবং তারা (মুমিনগণ) যখন ব্যয় করে, তখন অপব্যয় করে না এবং কৃপণতাও করে না, বরং (তাদের জীবনযাত্রা) হচ্ছে এর মাঝামাঝি, ভারসাম্যপূর্ণ।’ (সূরা: ফুরকান, আয়াত: ৬৭)

অন্য এক আয়াতে অনিয়ন্ত্রিত ব্যয় থেকে নিষেধ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘আর তুমি তোমার হাত নিজ ঘাড়ের সঙ্গে বেঁধে রেখো না এবং তা সম্পূর্ণরূপে উম্মুক্তও করে দিয়ো না। তাহলে তুমি (পরবর্তীতে) তিরস্কৃত, নিঃস্ব হয়ে যাবে। (সূরা: ইসরা, আয়াত:২৯)

অর্থাৎ সম্পদ রেখে, ব্যয় থেকে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে বলবে, লোকটি কৃপণ, বড় বখিল! আর বেশি খরচ করে নিঃস্ব হয়ে গেলে, পরে তিরস্কার করে বলবে, এত খরচ করলো কেন যে, আজকে মানুষের ধারে ধারে ঘুরছে!

মুফতী শফী (রহ.) এই আয়াতের তাফসীরে লেখেন, ‘আসল কথা হলো, এই আয়াতে ভবিষ্যতের কথা না ভেবে, হাতে যা আছে তাই অনিয়ন্ত্রিত খরচ করা থেকে নিষেধ করা হয়েছে। অনিয়ন্ত্রিত খরচ যেমন (দানের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সামান্য বিষয়ে বেশি বেশি দান করে টাকা শেষ করে ফেলে) পরে বেশি মুখাপেক্ষী ব্যক্তি এসে কিছু দান করতে বললে বা (আগের তুলনায়) বড় কোনো দ্বীনি খেদমত এসে উপস্থিত হলে তখন খরচ করার মতো কিছুই থাকে না। (কুরতুবী) অথবা (আগে নফল খাতে বেশি বেশি খরচ করার কারণে) পরে যাদের হক্ব আদায় করা ওয়াজিব, যেমন সন্তানাদি, পিতা-মাতা, তাদের হক্ব আদায় করা যায় না (আল্লাহ তায়ালা এ সকল অসঙ্গতি খরচ থেকে নিষেধ করেছেন। (মাআরেফুল কোরআন, খন্ড-৫.পৃষ্ঠা-৪৭৩)

‘সামর্থ্যের বাইরে বা আয়ের অধিক খরচ করাও এই আয়াতের নিষেধাজ্ঞার আওতাভূক্ত।’ (তাফসীরে ইবনে কাছীর, খন্ড-৫. পৃষ্ঠা-৭৩)।

অপব্যয়ের পরিণাম ও শাস্তি:

উল্লিখিত আলোচনাতো হলো, ঐ খাতের খরচ প্রসঙ্গে, যেখানে খরচ করতে বলা হয়েছে। কিন্তু খরচ করতে গিয়ে এদিক-সেদিক করে ফেলেছে। তাহলে একটু ভাবুন! যেখানে খরচ করা নিষেধ, সেখানে যদি আমরা খরচ করি, তারপর আবার অঢেল, তাহলে তার খেসারত কি দিতে হবে? এ রকম খরচকারীকে ইবলিসের দোস্ত বলা হয়েছে। আল কোরআনের সূরা ইসরা এর ২৭ নং আয়াতে বলা হয়েছে ‘নিশ্চয় অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই, আর শয়তান ওর রবের প্রতি চরম অকৃতজ্ঞ।’

অর্থাৎ হালাল সম্পদ মহান রাব্বুল আরামিন আল্লাহ তায়ালার অনেক বড় নেয়ামত। আর নিয়ামত পেয়ে মহান আল্লাহর কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত। এর দ্বারা যতদুর সম্ভব দ্বীন ও মানবতার খেদতম করা কর্তব্য। এগুলো না করে, সম্পদ অপব্যয় করা হচ্ছে অকৃতজ্ঞতা, যা শয়তানের যোগসাজশে হয়ে থাকে। তাই অপব্যয়কারীকে শয়তানের ভাই বলা হয়েছে।

মিতব্যয়িতা উপার্জনের অর্ধেক:

হজরত ইবনে ওমর রাযিআল্লাহু আনহু বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ব্যয় মাঝামাঝি, ভারসাম্যপূর্ণ হওয়া উপার্জনের অর্ধেক। (ত্ববরানী, মুজামুল আওসাত, খন্ড-৭. পৃষ্ঠা-২৫)

মানুষের আয়ের পথ সীমিত আর ব্যয়ের কোন সীমা-পরিসীমা নেই। একজন দিনমজুর দিনে পাঁচশ টাকা আয় করতে পারে। চাইলেই সে পাঁচ হাজার টাকা আয়ের ব্যবস্থা করতে পারবে না। কিন্তু চাইলে দৈনিক পাঁচ লক্ষ্য টাকা খরচ করতে পারবে। তাই উচিত হলো, প্রত্যেকের অবস্থান ঠিক করে, ব্যয়ের ক্ষেত্রে মধ্যপন্থা অবলম্বন করা।

মিতব্যয়িতা অবলম্বনকারী কখনো অভাবী হয় না:

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রাযিআল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে মিতব্যয়িতা অবলম্বন করে, সে অভাবী হয় না।’ (ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল, মুসনাদ. খন্ড-৭. পৃষ্ঠা-৩০২)

ঋন কুফরির দিকে নিয়ে যায়:

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, ঋনের মন্দ দিক উম্মতের সামনে তুলে ধরেছেন। তিনি এই আশঙ্কাও করেছেন যে, ঋন শেষ পর্যন্ত মানুষকে কুফুরি পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। উম্মতকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য তিনি ঋন থেকে বার বার মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়ে দোয়া করেছেন।

‘হজরত আবু সাইদ খুদরী রাযিআল্লাহু আনহু বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকম দোয়া করতে শুনেছি- ‘আমি কুফুর এবং ঋন থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় কামনা করছি।’

عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه و سلم قال : أعوذ بالله من الكفر والدين فقال رجل أ تعدل الدين بالكفر قال نعم

তখন জনৈক শ্রোতা জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঋন কুফুরের সমপর্যায়ভূক্ত হতে পারে? তখন হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেন, হ্য্যঁ।’ (সুনানে নাসায়ী, খণ্ড: ৪. পৃষ্ঠা: ৬৫৮)

এর কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে অন্য একটি হাদীসে। নাসায়ী শরীফসহ বহু হাদীসগ্রন্হে এই হাদীসটি বর্ণীত হয়েছে-

عنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يُكْثِرُ التَّعَوُّذَ مِنَ الْمَغْرَمِ وَالْمَأْثَمِ فَقِيلَ لَهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّكَ تُكْثِرُ التَّعَوُّذَ مِنَ الْمَغْرَمِ وَالْمَأْثَمِ فَقَالَ ্র إِنَّ الرَّجُلَ إِذَا غَرِمَ حَدَّثَ فَكَذَبَ وَوَعَدَ فَأَخْلَفَ

হজরত আয়েশা রাযিআল্লাহু আনহা বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঋন এবং গুনাহ থেকে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি আশ্রয় কামনা করতেন। কেউ একজন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি ঋন এবং গুনাহ থেকে আল্লাহর কাছে এত বেশি আশ্রয় কামনা করেন কেন? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর দিলেন, কোনো ব্যক্তি ঋনগ্রস্ত হয়ে গেলে, কথা-কাজে ঠিক রাখে না। কথা বললে মিথ্যা বলে আর ওয়াদা দিলে ভঙ্গ করে। (সুনানে নাসায়ী, খন্ড-৪. পৃষ্ঠা-৬৫৮)।

এই হাদীস দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, ঋন মানুষকে মিথ্যা বলা ও ওয়াদা খেলাফির দিকে নিয়ে যায়। আর এ দুটি হলো মুনাফিকির আলামত, যা এক প্রকার কুফুরি। তাই নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঋনকে কুফুরির সমপর্যায়ে সাব্যস্ত করেছেন।

ঋন থেকে মুক্তি লাভের দোয়া:

তিরমিযী শরীফে হাদীসটি বর্ণীত হয়েছে, একবার হজরত আলী রাযিআল্লাহু আনহু এর নিকট একজন গোলাম আসলো। সে ছিলো মুক্তির চূক্তি মোতাবেক মালিকের কাছে দায়বদ্ধ। সে বললো, আমি চূক্তি মোতাবেক দেনা পরিশোধ করতে অক্ষম হয়ে পড়েছি; সুতরাং আপনি আমাকে সাহায্য করুন। তখন আলী রাযিআল্লাহু আনহু বললেন, আমি তোমাকে এমন একটি দোয়া শিখাচ্ছি, যা আমাকে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিক্ষা দিয়ে বলেছেন, সাবীর পাহাড় সমান দেনা থাকলেও তা আল্লাহ তায়ালা আদায় করে দেবেন। দোয়া-

اللَّهُمَّ اكْفِنِى بِحَلاَلِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَأَغْنِنِى بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ

আরো একটি দোয়া:

হজরত আবু সাইদ খুদরী রাযিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণীত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো একদিন, অসমেয় মসজিদে তাশরীফ আনলেন। তো এক আনসারী লোক, যার নাম ছিলো আবু উমামা তাকে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মসজিদে বসা পেলেন। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কি হলো, এই অসময়ে মসজিদে বসে রয়েছ? উত্তর দিলেন, হজরত আমার ওপর অনেক বড় ঋণের বোঝা; এই কারণে, চারদিক থেকে দুঃশ্চিন্তা আমাকে গ্রাস করে ফেলেছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, আমি তোমাকে এমন এক দোয়া শিখিয়ে দিচ্ছি, যার বদৌলতে আল্লাহ তায়ালা তোমাকে সমস্ত দুঃশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিবেন এবং সমস্ত ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিবেন। সকাল সন্ধা এই দোয়াটি পড়তে বললেন,

اللَّهُمَّ إِنِّى أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَقَهْرِ الرِّجَالِ স্বভাবতই পৃথিবীর আদিকাল থেকে চলে আসছে আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগীতা। এক গোত্র আরেক গোত্রের ওপর, এক জাতি অপর জাতির ওপর, এমনিভাবে এক দেশ অপর দেশের ওপর আধিপত্য বিস্তারের জন্য পৃথিবীর ইতিহাসে যুগে যুগে সংঘটিত হয়েছে বহু রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। বিজয়ীপক্ষ পরাজিতের সর্বস্ব ছিনিয়ে নিয়ে, তাদের রাজা ও প্রজাকে একই কাতারে দাসত্বের শৃঙ্খল পরিয়ে করেছে লাঞ্চিত এবং নুন্যতম মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত। কিন্ত কালের বিবর্তনে, মানব সভ্যতা যুগে যুগে পরিশীলিত হয়েছে। পরিবর্তন হয়েছে রাষ্টনীতি ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার। বদলেছে বিশ্বের রাজনৈতিক পরিবেশ-পরিস্থিতিও।

আধিপত্যের লড়াই এখনো চরমভাবে বহাল অছে। পরিবর্তন ঘটেছে কেবল পদ্ধতির। এখন আর যুদ্ধ করে রাষ্ট দখলের প্রচলন সেভাবে নেই। প্রচলন হয়েছে অপরাপর রাষ্ট্রগুলোর অর্থনীতি দখল ও জনগনের মানসিকতায় প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে পরোক্ষ দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করার কৌশলী যুদ্ধ। বিশ্বের শক্তিমান রাষ্ট্রগুলো এখন এ পদ্ধতিতেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক আধিপত্যের লড়ায়ে প্রবৃত্ত। এটাকে বলা হয় নয়া উপনিবেশবাদ। পুরাতন উপনিবেশবাদীরা মুসলিম বিশ্বকে অর্থনৈতিকভাবে এমন শোষন করেছে, মুসলিম বিশ্বের জন্য আজো তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি।

এরই মধ্যে নয়া উপনিবেশবাদীদের ঋণের ঘেরাকলে পড়তে যাচ্ছে মুসলিম বিশ্ব। মহান আল্লাহ তায়ালা ঋনের অভিশাপ থেকে আমাদের বেঁচে থাকার তাওফীক দান করুন। আল্লাহুম্মা আমীন।

ডেইলি বাংলাদেশে/আরএজে

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
আজো হিমঘরে সন্তানের প্রতীক্ষায় ‘বাবা’!
আজো হিমঘরে সন্তানের প্রতীক্ষায় ‘বাবা’!
আইয়ুব বাচ্চু মারা গেছেন
আইয়ুব বাচ্চু মারা গেছেন
দুই স্বামীকে ‘ছেড়ে’ মন্ট্রিলে দেখা মিলল তিন্নির!
দুই স্বামীকে ‘ছেড়ে’ মন্ট্রিলে দেখা মিলল তিন্নির!
না ফেরার দেশে সালমানের ‘শেষ প্রেমিকা’
না ফেরার দেশে সালমানের ‘শেষ প্রেমিকা’
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার সময়সূচি
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার সময়সূচি
যেভাবে প্রথম বুবলীর ‘ভাই’
যেভাবে প্রথম বুবলীর ‘ভাই’
স্ত্রী ফিরে দেখে বাসায় অন্য নারী!
স্ত্রী ফিরে দেখে বাসায় অন্য নারী!
‘ওয়েব সিরিজে ভরপুর নগ্নতা’ দেখার কেউ নেই!
‘ওয়েব সিরিজে ভরপুর নগ্নতা’ দেখার কেউ নেই!
দাম শুনলে চমকে যাবেন যে কেউই!
দাম শুনলে চমকে যাবেন যে কেউই!
মৃত্যুর আগে কোথায় ছিলেন আইয়ুব বাচ্চু?
মৃত্যুর আগে কোথায় ছিলেন আইয়ুব বাচ্চু?
অনেকেই সাবান জমান কেউ গোসলই করেন না!
অনেকেই সাবান জমান কেউ গোসলই করেন না!
এক উঠোনে মসজিদ-মন্দির, প্রার্থনায় নেই বিবাদ
এক উঠোনে মসজিদ-মন্দির, প্রার্থনায় নেই বিবাদ
দুলাভাইয়ের কাছে শ্যালিকার আবদার!
দুলাভাইয়ের কাছে শ্যালিকার আবদার!
বন্ধুর ‘অকাল প্রয়াণে’ যা বললেন হাসান
বন্ধুর ‘অকাল প্রয়াণে’ যা বললেন হাসান
এবার মেয়েকে নিয়ে মারাত্মক কথা বললেন ঐশ্বরিয়া!
এবার মেয়েকে নিয়ে মারাত্মক কথা বললেন ঐশ্বরিয়া!
‘বেঁচে আছেন বাচ্চু?’ এ কী শোনালেন!
‘বেঁচে আছেন বাচ্চু?’ এ কী শোনালেন!
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাচ্চুর ৬০টি গিটার!
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাচ্চুর ৬০টি গিটার!
১ কোটি টাকা চেয়েছিলেন অনন্ত
১ কোটি টাকা চেয়েছিলেন অনন্ত
মিলনেই মৃত্যু, কারা ছিলো সেই ‘বিষকন্যা’?
মিলনেই মৃত্যু, কারা ছিলো সেই ‘বিষকন্যা’?
কাদের ওপর চটেছেন জেমস?
কাদের ওপর চটেছেন জেমস?
শিরোনাম:
বাংলাদেশ দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বাংলাদেশ দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়েকে হারাল টাইগাররা ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়েকে হারাল টাইগাররা