ইজকেমিক হার্ট ডিজিজের লক্ষণ

.ঢাকা, শুক্রবার   ২৬ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ১২ ১৪২৬,   ২০ শা'বান ১৪৪০

ইজকেমিক হার্ট ডিজিজের লক্ষণ

 প্রকাশিত: ১০:৫৫ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮   আপডেট: ২০:৪৪ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

ইজকেমিক হার্ট ডিজিজ বা করনারি আর্টারি ডিজিজও বলা হয়ে থাকে। আমাদের হৃদপিন্ডে পুষ্টি ও রক্ত প্রবাহের জন্য কিছু রক্তনালী থাকে। সেই রক্তনালী হৃদপিন্ডের পুষ্টি ও রক্ত সরবরাহ করে থাকে। এর মাধ্যমে হৃদপিন্ড পাম্প করে থাকে এবং সারা শরীরে রক্ত প্রবাহ হয়ে থাকে। হৃদপিন্ডের পুষ্টি ও রক্ত সরবরাহের যদি কনো সমস্যা হয়, মানে তার রক্তনালীতে যদি কনো ব্লক হয়, কোলেস্টেরল জমার জন্য সাধারণত ব্লক হয়ে থাকে, ব্লক হলে রক্ত চলাচল কমে যাবে, তারপর বুকে ব্যথা হতে পারে। এই ধরনের রোগকে আমরা বলে থাকি যে ইজকেমিক হার্ট ডিজিজ বা করনারি হার্ট ডিজিজ।

লক্ষণ: ইজকেমিয়া হলে রোগীর বুকের বাম দিকে প্রচণ্ড ব্যাথা বা এনজাইনা হয় এবং রোগী বুকে তীব্র চাপ অনুভব করে। অনেক রোগীই অভিযোগ করে যে তার বুকের উপর ভীষণ ভারী একটা কিছু চেপে বসে আছে। ব্যাথার তীব্রতা বুকে বেশি থাকলেও এটা বুক থেকে গলা, গাল, মাড়ি, কান, বাম হাত এবং আশে পাশে ছড়িয়ে পরতে পারে। একে রেফার্ড পেইন বলা হয়। বুকের ব্যাথা ১ থেকে ৩ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে, তবে এটা কখনোই ৩০ সেকেন্ড সময়ের কম হয় না। আবার ১৫ মিনিটের বেশি স্থায়ী হওয়ার নজিরও খুব কম। এনজাইনা বা ব্যাথা শুরু হয় সাধারণত কোনো একটা পরিশ্রমের কাজ করার সময় যেমন দৌড়ানো বা জোরে হাটা ইত্যাদি। তবে পেট ভরে খাবার খাওয়া, যৌন ক্রিয়া এমনকি হঠাৎ রেগে যাওয়া বা উত্তেজিত হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেও এনজাইনা শুরু হয়ে যেতে পারে। ব্যাথার সঙ্গে রোগীর অন্য উপসর্গ যেমন শ্বাসকষ্ট, পেট ফাপা লাগা, অস্থির লাগা, বুক ধড়ফর করা ইত্যাদিও থাকতে পারে। পরিশ্রম বন্ধ করে বিশ্রাম নিলে এই ব্যথা সাময়িক ভাবে কমে যেতে পারে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই/এসজেড