Alexa ইরি-বোরোয় কৃষকের মুখে হাসি

ঢাকা, সোমবার   ১৯ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৪ ১৪২৬,   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

ইরি-বোরোয় কৃষকের মুখে হাসি

 প্রকাশিত: ১৫:০৪ ২৯ এপ্রিল ২০১৮  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শষ্যভান্ডার খ্যাত চলনবিলের প্রাণকেন্দ্র তাড়াশে এ বছর ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। পুরো দমে শুরু হয়েছে ধান কাটা। কয়েক দফা কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টি হলেও কাঁচা-আধা-পাকা ধানের তেমন ক্ষতি হয়নি। ফলে ধানের বাম্পার ফলনে কৃষক অনেকটাই খুশি।

উপজেলা কৃষি অধিদফতর সুত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ফসলি জমিতে ইরি-বোরো ধান  চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ২১ হাজার হেক্টর। অর্জিত হয়েছে ২২ হাজার ৭৫০ হেক্টর । এ সমস্ত জমিতে হাইব্রিড, মিনিকেট, উফশীসহ স্থানীয় বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করা হয়।

চৌড়া গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, আমি ৭০ বিঘা জমিতে মিনিকেট ধান চাষ করি। এ বছর ধানের রোগ-বালাই খুব একটা দেখা দেয়নি। তাছাড়াও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাসহ মাঠ পর্যায়ে লোকজন মাঠে থেকে সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়েছেন। গত বছরের তুলনায় এবছর ধানের ফলন বেশি হয়েছে। প্রতি বিঘায় ২৫-২৮ মন ধান হয়েছে। ফলন ভাল পাওয়ায় খুশি।

আড়ংগাইল গ্রামের কৃষক গোলাম মাওলা বলেন, আমি উফশী জাতের ২৫ বিঘা ধান চাষ করেছিলাম। ফলন অনেক ভাল হয়েছে। দামও ভাল পাচ্ছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম বলেন, উপজেলার ৮ ইউনিয়নে সব মাঠেই চলতি মৌসুমে ধান ভাল হয়েছে। আমি ও আমার লোকজন সার্বক্ষণিক মাঠে থেকে কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছে। গত বছরের চেয়ে এবার ১৭০০ হেক্টর বেশী জমিতে ধান চাষ হয়েছে। সম্প্রতি কাল বৈশাখী ঝড়ে ধানের এখনো তেমন  ক্ষয়- ক্ষতি হয়নি।

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/আরআর

Best Electronics
Best Electronics