Alexa ইন্টারনেটে সবচেয়ে বেশিবার ডাউনলোড হয় এই নারীর ছবি, কেন জানেন কি?

ঢাকা, শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৭ ১৪২৬,   ২২ মুহররম ১৪৪১

Akash

ইন্টারনেটে সবচেয়ে বেশিবার ডাউনলোড হয় এই নারীর ছবি, কেন জানেন কি?

মজার খবর ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৩৮ ২১ আগস্ট ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ইন্টারনেটের এই যুগে প্রতিদিন প্রচুর ছবি ডাউনলোড হয়ে থাকে। সামাজিক  যোগাযোগ মাধ্যমগুলো যেন ছবি ছাড়া একদমই অচল। তবে এরই মধ্যে ইন্টারনেটে সবচেয়ে বেশিবার ডাউনলোড হয়েছে একজন নারীর ছবি। আর এর কারণটিও অবাক করবে আপনাকে।

যুক্তরাষ্ট্রের মডেল ড্যান্নি অ্যাশের ছবি ইন্টারনেটে সব থেকে বেশি সংখ্যক মানুষ দেখেছেন। তার ছবির ডাউনলোড সংখ্যা আরো বেশি। আর সে কারণের তার নাম গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা পেয়েছে।  

ড্যান্নি অ্যাশে ১৯৬৮ সালের ১৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যারোলিনার বিউফোর্টে জন্মগ্রহণ করেন। স্কুল জীবন শেষ করতে না করতেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেন তিনি। ১৭ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন অ্যাশে। তারপরই ন্যুড মডেল হিসেবে র‌্যাম্পে নামেন। র‌্যাম্প ছাড়াও ফটোগ্রাফারদের ন্যুড মডেল বা চিত্রশিল্পীদের ক্যানভাসের সামনে দাঁড়িয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

সিনেমার ছোট রোল থেকে শুরু করে ডেইলি সোপ কিংবা নীল ছবিতে অভিনয় করে গিয়েছেন অ্যাশে। তার হাত ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের নীল ছবির ইন্ড্রাস্ট্রির একটা নতুন দরজা খুলে যায়।

আরো জানা যায়, স্বামীর প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট দেখে একদিন হঠাৎ নিজেরও একটা ওয়েবসাইট খোলার শখ হয় ড্যান্নি অ্যাশের। যেই কথা সেই কাজ, ১৯৯৫ সালে ‘ড্যান্নিজ হার্ড ড্রাইভ’ বা ‘ড্যান্নি ডট কম’ নামে একটি ওয়েবসাইট খুলে ফেলেন এই মডেল। ওয়েবসাইটটি খোলার পর যুক্তরাষ্ট্রের এই মডেল রাতারাতি ইন্টারনেটে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। সেই সময় অ্যাশের ‘ড্যান্নি ডট কম’ অনেক বড় বড় ম্যাগাজিনগুলোকেও টক্কর দিচ্ছিল। তার ওয়েবসাইটে খুব হালকা চালের পর্ন থাকতো। এছাড়া ড্যান্নিকে নিয়ে কিছু লেখালেখি থাকতো।

২০০১ সালে ড্যান্নি তার ওয়েবসাইট দিয়ে ৫৫ কোটি টাকার মতো কামাই করেন। ২০০০ সালের ডিসেম্বরে, ‘সবচেয়ে বেশিবার ডাউনলোডেড উইমেন অন দ্য ইন্টারনেট’ খেতাব পেয়ে যান এই মডেল। ওই বছর প্রায় ১০০ কোটি ডাউনলোডের সুবাদে সিন্ডি মারগোলিসের পুরানো রেকর্ডটি ভেঙে দেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের মিডিয়া বিনিয়োগকারী জন মরিসানোর কাছে ২০০৪ সালে নিজের ওয়েবসাইটটি বিক্রি করে দেন অ্যাশে। আর তখন সবার আড়ালে চলে যান তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ