Alexa ইনিংস ব্যবধানে জিতে ইতিহাস সৃষ্টি বাংলাদেশের

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৫ অক্টোবর ২০১৯,   আশ্বিন ৩০ ১৪২৬,   ১৫ সফর ১৪৪১

Akash

ইনিংস ব্যবধানে জিতে ইতিহাস সৃষ্টি বাংলাদেশের

ক্রীড়া প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ১৪:০৭ ২ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৮:০২ ২ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

১৮ বছরের টেস্ট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইনিংস ব্যবধানে জয় পেল বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টে এক সময়ের প্রবল প্রতাপশালী ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ইনিংস ও ১৮৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে সাকিব আল হাসানের দল। এর মাধ্যমে ২-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজে দ্বিতীয়বারের মতো ক্যারিবীয়দের ধবল ধোলাই করলো সাদা পোশাকের বাংলাদেশ।  

সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে প্রথম ইনিংসে মাহমুদউল্লাহর শতক এবং সাকিব-সাদমান-লিটনের অর্ধশতকে ৫০৮ রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে মিরাজ ও সাকিবের ঘূর্ণিতে ১১১ রানে অলআউট হয় উইন্ডিজ। মিরাজ ৭টি ও সাকিব ৩টি উইকেট নেন।

৩৯৭ রানে পিছিয়ে থাকা ক্যারিবীয়ানরা ইনিংস পরাজয় ঠেকাতে ব্যাটিং নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি। প্রথম ইনিংসের ন্যায় দ্বিতীয় ইনিংসেও প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় তারা। ব্রাথওয়েটকে এলবিডব্লিউয়ের শিকার করেন টাইগার দলপতি সাকিব আল হাসান। দলীয় ১৪ রানে মেহেদি মিরাজের বলে স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হয়ে ফিরে যান পাওয়েল।

এরপর দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন শাই হোপস এবং সুনীল আম্ব্রিস। কিন্তু তাইজুলের জোড়া আঘাতে মুহূর্তেই চার উইকেট হারায় সফরকারীরা। আম্ব্রিসকে এলবিডব্লিউতে পরিণত করে ব্যক্তিগত পরের ওভারেই চেজকে মুমিনুলের তালুবন্দি করে এই বাঁহাতি স্পিনার। এরপরই ৬৬ রানের জুটি গড়েন শাই হোপস ও হেটমেয়ার। মিরাজের বলে পুল খেলতে গিয়ে সাকিবের হাতে ধরা পড়েন হোপস। যাওয়ার আগে করেছেন ব্যক্তিগত ২৫ রান। কিছুক্ষণ পর সৌম্যের হাতে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ডাওরিচও। ক্যারিবিয়ানদের স্কোর দুইশ পার করানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছেন হেটমেয়ার। ৯ ছক্কা ও ১ চারে ৯৩ রান করেন তিনি। ছক্কা মারতে গিয়ে মিরাজের বলে মিথুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন এই হার্ড হিটার। ওয়ারিক্যানকে করা বলে নিজেই ক্যাচ ধরে ৭ম বারের মতো ক্যারিয়ারে পাঁচ উইকেট দখল করেন মেহেদি হাসান মিরাজ।  শেষ পর্যন্ত ক্যারিবিয়ানরা অলআউট হয় ২১৩ রানে। শেষ উইকেট জুটিতে রোচ ও লুইস ৪২ রান যোগ করেন।  

বাংলাদেশের পক্ষে মিরাজ ৫ উইকেট, তাইজুল ৩টি, নাঈম ও সাকিব একটি করে উইকেট নেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ