ইউরোপে যাবে সাতক্ষীরার আম

ঢাকা, শুক্রবার   ২১ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৭ ১৪২৬,   ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

ইউরোপে যাবে সাতক্ষীরার আম

ডেস্ক নিউজ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৪৬ ১৬ মে ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

স্বাদে জুড়ি নেই সাতক্ষীরার হিমসাগর আমের। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে সুনাম, চাহিদা ছড়িয়ে পড়েছে ইউরোপেও। তবে এ আম পেতে এখনো ১৫ দিন সময় লাগবে।

এবার সাতক্ষীরার হিমসাগর আম ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে রফতানি হবে।

তীব্র গরমে এ বছর জেলায় আম আগে থেকেই পরিপক্ব হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতেই ব্যবসায়ীরা স্থানীয় জাতের আম ভাঙতে শুরু করেছেন। ১২ মে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের আদেশের পর গোবিন্দভোগ ও গোপালভোগ আম ব্যাপকভাবে বাজারজাত শুরু হয়। জেলা শহরের বড়বাজার, তালা, পাটকেলঘাটা, নলতা, পারুলিয়া, কালিগঞ্জ ও কলারোয়াসহ গ্রামাঞ্চলের হাটবাজারগুলো আমে ভরে গেছে।

পৌর শহরের বড় বাজারের আম ব্যবসায়ী ইসহাক বলেন, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে অবস্থান করছেন। প্লাস্টিক ক্যারেটে এসব আম প্রক্রিয়াজাত করে পাঠানো হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। প্রতিদিন এখান থেকে ৫ শতাধিক টন আম দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে যাচ্ছে। ১৫ দিন পর হিমসাগর, ল্যাংড়া ও আম্রপালি আম ভাঙা শুরু হলে আমের বাজার এখানকার বাজারের থেকে দ্বিগুণ হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশি আম প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া হিমসাগর প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। তবে হিমসাগর এখনো ভাঙা শুরু হয়নি। যাদের কিছু আম পেকেছে শুধু তারাই বাজারজাত করছেন।

তালা সদরের শিবপুর এলাকার রাবেয়া বসরী বৈশাখী বলেন, ফলন ভালো হলেও ঝড়ে গাছের আম পড়ে যাচ্ছে। তীব্র গরমের কারণে অন্য বছরের তুলনায় এবার আম আগেই পেকেছে। গত বছর থেকে এ বছর আমের ফলন বেশি হয়েছে। তবে আমের দাম বেশি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক অরবিন্দ বিশ্বাস বলেন, জেলায় এবার আমের ফলন ভালো হয়েছে। এরইমধ্যে আম বাজারজাত শুরু হয়েছে। এবার এখান থেকে হিমসাগর, ল্যাংড়া ও আম্রপালি আম ইউরোপে রফতানির জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২শ টন। এ কারণে জেলার ১৪ হাজার ৪৫১টি হিমসাগর, ল্যাংড়া ও আম্রপালি গাছ বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।

এছাড়া অপরিপক্ব আম ভাঙা থেকে বিরত থাকতে ব্যবসায়ীদের বিশেষভাবে বলা হয়েছে। তাছাড়া আমে কোনো প্রকার কেমিক্যাল না মেশানোর জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর