আসছে কেরুজ জৈব সার ‘সোনার দানা’

ঢাকা, সোমবার   ০১ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৮ ১৪২৭,   ০৮ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

আসছে কেরুজ জৈব সার ‘সোনার দানা’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:২৬ ৫ এপ্রিল ২০২০   আপডেট: ২২:০৭ ৫ এপ্রিল ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার উৎপাদনের পর কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে বাজারে নিয়ে আসছে কেরুজ জৈব সার ‘সোনার দানা’।

স্বল্পমূল্যে কৃষকদের কাছে উন্নতমানের এ জৈব সার পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে ‘সোনার দানা’ ব্যাপক হারে উৎপাদন ও বাণিজ্যিকীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এর আগে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে জীবাণুনাশক হ্যান্ড স্যানিটাইজারের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। এ পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ মার্চ  থেকে প্রথমবারের মতো অ্যালকোহল ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করে কেরু অ্যান্ড কোম্পানি। 

জৈব সার তৈরির জন্য বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠান কেরু অ্যান্ড কোম্পানিতে ২০১২ সালে  কারখানাটি স্থাপিত হয়। চিনি কারখানার আখ হতে বর্জ্য হিসেবে প্রাপ্ত ফিল্টার মাড, প্রেসমাড ও ডিস্টিলারি ইফ্লুয়েন্ট স্পেন্টওয়াস হতে জৈব সার ‘সোনার দানা’ তৈরি করায় এ জৈবসার ভেজালমুক্ত ও উন্নত মানসম্পন্ন। 

বর্তমানে জৈব সার কারখানাটির বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা সাত হাজার মেট্রিক টন। জৈব সার ‘সোনার দানা’ ১ কেজি ও ৫০ কেজির প্যাকেটে বাজারজাত করা হচ্ছে।

দেশের সর্বত্র এ সার পৌঁছে দিতে এরইমধ্যে ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। জৈব সার ‘সোনার দানা’ ব্যবহারের ফলে কৃষি জমিতে ফসলভেদে রাসায়নিক সারের ব্যবহার ২৫-৩০ শতাংশ পর্যন্ত কম প্রয়োজন হয়। সেই সঙ্গে  ফসলের রোগবালাই কম হওয়ায় ক্ষতিকর কীটনাশকের ব্যবহার ও উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে বলে কেরু অ্যান্ড কোম্পানির সূত্রে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদ আলী আনছারী বলেন, বর্তমানে বাজারেপ্রাপ্ত জৈব সারগুলোর অধিকাংশ নিম্মমানের ও ভেজাল হওয়ার কারণে কৃষকেরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। এতে তারা কৃষি জমিতে জৈবসার ব্যবহারে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন এবং তাদের মধ্যে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির সৃষ্টি হচ্ছে। 

তিনি বলেন, জৈব সার ‘সোনার দানা’ ব্যবহারের ফলে ফসলের কাণ্ড, পাতা ও ফল পরিপুষ্ট হয়। এ সার ফলের মিষ্টতা বৃদ্ধি করে, রং বাড়ায় এবং গুদাম জাত শস্য সংরক্ষণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই