Exim Bank Ltd.
ঢাকা, বুধবার ২২ আগস্ট, ২০১৮, ৭ ভাদ্র ১৪২৫

আষাঢ়ে গল্প নয়, ঢেঁকিছাঁটা সত্য: বন্ধু থেকে দানব

আমার কবিতার একটি পাঠকপ্রিয় পঙ্‌ক্তি আছে– ‘বন্ধুত্ব মানেই তুমি বিচ্ছেদের চুক্তি মেনে নিলে’। লেখা হয়ে যাওয়া কবিতার পঙ্‌ক্তি নিয়ে আমার উৎসাহ খুব কম। কোনো পাঠক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেও লজ্জা পাই। কিন্তু, গত কিছুদিন ধরে এই পঙ্‌ক্তিটি কেবলই মাথায় ঘুরছে। কেন? সে প্রসঙ্গে লিখতেই এই গদ্য।

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর নিকুঞ্জ আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ও নকল ঔষুধসহ দেলোয়ার নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে র‍্যাব। ধৃতব্যক্তির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর চারটি নামি হাসপাতালে (ল্যাবএইড, বইউনাইটেড, স্কয়ার ও অ্যাপোলো) অভিযানও চালায়।

দেলোয়ার র‍্যাবকে জানান, ওই চারটি হাসপাতালে তিনি ওইসব প্রাণঘাতী ওষুধ নিয়মিত সরবরাহ করত। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ তো বিষ। কথিত হাসপাতালগুলো বিষ খাওয়ায় চিকিৎসা-প্রার্থীদের? আর সেগুলোর একটির (ল্যাবএইড) মালিক আমার শৈশবের বন্ধু শামীম! তাকে অর্থগৃধ্নু বলে জানতাম। শৈশবের অনেক বন্ধুকেই তার নাম শুনলে নাক সিঁটকাতে দেখেছি। কেন, সিঁটকাত, এখন বুঝতে পারি। এই সংবাদের পর তারা বোধকরি নাক সিঁটকানোকে যথেষ্ট মনে করবে না। আমিও না। কয়েকদিন আগে শৈশবের দুই বন্ধু মাহবুবুর রশীদ ও সাঈফ আজমেদের আমন্ত্রণে– রঞ্জু, জামাল, আউয়াল, বাবুল, আরিফ, শাহীন, সোবহান, সাইফ, মোহসিন, মশিউর, মাসুদ, লাবলু...– স্কুলজীবনের কজন বন্ধু এক হয়েছিলাম উত্তরার এক আকাশবান্ধব ভবনে। তারাই জড়ো হয়েছিলাম, যারা এখনও স্বপ্ন দেখতে এবং নতুন প্রজন্মের চোখে স্বপ্ন ছড়াতে ভালোবাসি। শামীমের জন্য এমন স্বপ্নাদ্য আড্ডা নিষিদ্ধ হয়ে গেছে তার দানবদুষ্টতায়– একথা ভেবে সেদিন কেমন করেছে মন। হাজার হলেও শৈশবের বন্ধু।

তো যা বলছিলাম, র‍্যাবের পর দুর্নীতি দমন কমিশনও হানা দেয় হাসপাতাল চারটিতে। ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হয় হাসপাতালগুলোর কোনো-কোনোটির। মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা গণশত্রুদের এ অর্থদণ্ড আমার কাছে খুবই অপ্রতুল মনে হয়েছে। প্রতারণার মাধ্যমে এই অংকের অর্থ ওরা একজন রোগীর কাছ থেকেই আদায় করে। প্রাবন্ধিক-ভাষাচিত্রী মোরশেদ শফিউল হাসান বেসরকারি হাসপাতালের চরিত্রচিত্রণ করতে গিয়ে এক গদ্যে লিখেছেন–

‘রোগীকে প্রথম সুযোগেই তারা আইসিইউতে নিয়ে যায়, তারপর সেখান থেকে লাইফ সাপোর্টে। মৃত ব্যক্তিকেও লাইফ সাপোর্টে রাখার নাম করে তার আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করে। রোগীর পারিবারিক অবস্থা বুঝে তাদের এই শকুনি-তৎপরতা শুরু হয়। আর রোগীর মৃত্যুর পরও তা চলতে থাকে। ভুক্তভোগী অনেকের কাছ থেকেই বছরের পর বছর আমরা এমন অভিযোগ শুনে আসছি।’

লেখার উপসংহারে মোরশেদ শফিউল হাসান বিবেকের কাছে এই জিজ্ঞাসাও রাখেন ‘চিকিৎসার নামে এই মৃত্যু-বাণিজ্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার– জোরালো প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধ গড়ে তোলার সময় কি এখনও আসেনি?’

বিবেকহীনদের বিরুদ্ধে একজন বিবেকবান লেখকের এই জিজ্ঞাসা আমাকে ভীষণভাবে আলোড়িত করে। সেই সঙ্গে ছেলেবেলার বন্ধুদের একজন আমার উপলব্ধিতে দানবের মূর্তিতে আবিভূর্ত হয়। শৈশবের শামীম আর পরিণত বয়সের ডা. এ. এম. শামীমের মধ্যে যে আকাশ-পাতাল তফাৎ, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রথম প্রতিবাদ বয়কট– করা উচিত এবং করতেও জানি।

শৈশবের বন্ধুদের মধ্যে শামীমের সাফল্য ও সামাজিক অবস্থান সবার শীর্ষে। কিন্তু, সাফল্য মানেই সার্থকতা নয়। নষ্ট সমাজে অর্থ-বিত্তই সাফল্যের সূচক। সেই সাফল্য খুনিরও থাকতে পারে, যদি সে ধরা না পড়ে। যেমন আজও অধরা সাগর-রুনির বা ত্বকীর হত্যাকারীরা। নিঃসন্দেহে সফল তারা; কিন্তু, সার্থক নয়। মোরশেদ শফিউল হাসানের লেখাটি পড়ে শৈশবের বন্ধুটিকেও আমার সেরকম সার্থকতাহীন সফল মনে হয়েছে।

হ্যাঁ, বিপুল অর্থের বিনিময়ে অভিযুক্ত হাসপাপাতাল চারটি থেকে সুচিকিৎসা নিয়ে ফেরারও উদাহরণ আছে। রোগীর ন্যায্য অধিকার সেটা। ল্যাবএইড কী ইউনাইটেড কী স্কয়ার কী অ্যাপোলো তো আর দাতব্য স্বাস্থ্যসেবা দেয় না? তাই বলে রোগীদের মেয়াদোত্তীর্ণ কিংবা নকল ওষুধ খাইয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া! জীবনে এর চেয়ে অনেক কম অসাধুসঙ্গ পরিত্যাগ করেছি। শৈশবপ্রেমে হাসপাতাল চারটির একটির মালিক-বন্ধুটির ক্ষেত্রে দেরি হলেও ব্যত্যয় ঘটাইনি। নিজেকে ধোয়া তুলসীপাতা দাবি করব না– হয়তো আমার মধ্যে প্রভাব ফেলেছিল জাগতিক মোহ। বিত্তবান বন্ধুর মোহবলয় থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করতে দেরি হওয়ার এটাই হয়তো বড়ো কারণ।

কবি শামসুর রাহমান শৈশবকে বেহেস্ত জানতেন। সবার শৈশবই বেহেস্ত এবং বেহেস্তের স্মৃতি তো সুন্দর হবেই। উল্টোটিও অসত্য নয়– বেহেস্তি শৈশবেরই কোনো কোনো বন্ধু গণশত্রু হয়ে ওঠে সময়ের ব্যবধানে। তখন বন্ধু না বলে গণশত্রুকে ‘গণশত্রু’ই বলতে হয়। তাতে শৈশবের সেই বন্ধু যদি গালিগালাজও করে; শুনতে নেই। কেউ গণমানুষের বিরুদ্ধে দাঁড়ালে বন্ধুত্বকে অস্বীকার করাও সত্য ও সুন্দরের সাধনা।

তো, ফেসবুকে আমার অন্য এক বন্ধু জিয়া আহমেদ মূল্যবান একটি মন্তব্য করেছিলেন আমার এক পোস্টে–

‘বেসরকারি খাতে স্বাস্থ্যসেবার কার্যক্রম তদারকির জন্য আমাদের দেশে কি কোনো তত্ত্বাবধানকারী সংস্থা আছে? এ বিষয়ে হাসপাতালগুলোর স্বেচ্ছাচারিতা কি প্রতিরোধযোগ্য নয়? তারা কি জবাবদিহির বাইরে? না, আমি ক্রসফায়ারের কথা বলব না; কেননা, ক্রসফায়ার একটি বর্বর সংস্কৃতি। তবে, চিকিৎসাক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান এই অপচিকিৎসা প্রতিকারের একমাত্র কার্যকর উপায় হলো– ‘ক্লাস অ্যাকশন’ মামলা। আমাদের প্রয়োজন সঠিক আইন। উল্লেখ্য, ক্লাস অ্যাকশনের মামলায় ভুক্তভোগীকে অর্থ ব্যয় করতে হয় না।’

দূর প্রবাসে থাকা জিয়া পেশায় প্রকৌশলী এবং তিনিও আমার শৈশবের বন্ধু। না, জীবন প্রৌঢ়ত্বে গড়ালেও জিয়া একদিনের জন্যও গণশত্রু হয়নি। বরং, আমার মতোই ঘৃণা করে তাদের। গণশত্রুদের দণ্ড চায়। অর্থদণ্ড– ক্লাস অ্যাকশন। জিয়ার মতে এই ক্লাস অ্যাকশনই গণশত্রুদের দমন করতে সক্ষম।

‘ক্লাস অ্যাকশন’ হচ্ছে এমন এক মামলা, মামলার বাদি একজন হলেও তিনি একই ধরনের ভুক্তভাগী সবার প্রতিনিধিত্ব করেন এবং মামলার রায়ও সকল ভুক্তভোগীর জন্য সমান প্রযোজ্য হয়।

অনুমতি ছাড়াই গ্রাহকদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করায় সামাজিক মাধ্যম ফেসবুককে এমন এক মামলায় জড়িয়ে কোটি-কোটি ডলার ক্ষতিপূরণের অর্থ গুণতে বাধ্য হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। জেলা-বিচারক জেমস ডোনাটো ৭ জুন ২০১১ সাল থেকে রায় ঘোষণা পর্যন্ত মার্কিন ফেসবুক ব্যবহারকারীদের আমলে নিয়ে বলেন– সামাজিক মাধ্যমটি নিশ্চয় বুঝতে পারছে, এই মামলায় প্রতিষ্ঠানটিকে শত কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। অথবা তারও বেশি।

দক্ষিণ কোরিয়ার শিউলের জেলা আদালতে অ্যাপলের বিরুদ্ধে ৬৩ হাজার ৭৬৭ জন আইফোন ব্যবহারকারীর পক্ষে ক্লাস অ্যাকশন মামলা হয় অ্যাপল ও অ্যাপল কেরিয়ার বিরুদ্ধে। তাতে প্রত্যেক আইফোন ব্যবহারকারী ১৮৮ ডলার করে ক্ষতিপূরণ পান, যার সর্বমোট অঙ্ক ১ কোটি ২০ লাখ ডলার। উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়ায় তখন পর্যন্ত অ্যাপলই ছিল একমাত্র আইফোন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।

উইন্ডোজ-১০ কম্পিউটার ও ডাটা নষ্ট করে দিয়েছে অভিযোগে গত বছর (২০১৭) শিকাগোর জেলা জজ আদালতে প্রযুক্তির রাজাধিরাজ মাইক্রোসফ্টের বিরুদ্ধে মামলা ঠোকেন তিন ব্যক্তি। এই মামলার আগে ২০১৬ সালে পিসি নষ্ট হওয়ার অভিযোগে মাইক্রোসফ্টের বিরুদ্ধে মামলা করে ১০ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ পেয়েছিলেন ক্যালিফোর্নিয়ার এক নারী।

আইনের প্রয়োগ থাকায় বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর চিত্র যখন এই, তখন বিচারহীনতার সুযোগে এক শ্রেণির পিশাচ বংশোদ্ভূত নষ্ট ব্যবসায়ী মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে বাংলাদশে। হাসপাতাল নাম দিয়ে খুলে বসেছে কসাইখানা। অবিলম্বে এই খুনিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি। নইলে কীসের রাষ্ট্র আর কীসের মানবিকতা?

সব কথার শেষকথা এই যে, অর্থের লালসায় শৈশবের কোনও বন্ধুও যদি সময়ের ব্যবধানে গণশত্রুতে রূপান্তরিত হয়, শুধু বন্ধুবিচ্ছেদই তার জন্য যথেষ্ট নয়, তাকে প্রতিরোধ করাও একজন বিবেকবান মানুষের কাজ। এই কাজটি করতে আমরা অস্বস্তিবোধ করি বলেই গণশত্রুরা ফুলে-ফেঁপে দানব হয়। সীমাহীন লালসায় এই দানবরা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কমর্চারীদের কাছ থেকে প্রভুভক্ত কুকুরের আচরণ আশা করে এবং বিরামহীন মৃত্যু-বাণিজ্যের কারণে নিজেদের ভাবে যমদূতের খুড়তুতো ভাই। ফলত, নিজেদেরও যে একদিন মরতে হবে, সেকথা তারা বেমালুম বিস্মৃত হয়। হলেই কী? অগণন মানুষের অভিশাপ ঘণ্টা বাজিয়ে তাদের অসম্মানজনক মৃত্যুর বার্তা ঘোষণা করছে। মানুষ বয়কট করতে শুরু করেছে হাসপাতাল নামের এই কসাইখানাগুলোকে। একদিন শাস্তিও হবে দানবদের। সেদিন খুব বেশি দূরে নয়। অপেক্ষা শুধু সময়ের।

শৈশবের বন্ধুরা বয়কট করেছে দানবে রূপান্তরিত বন্ধুকে। মানুষও করবে তার দানবযজ্ঞকে। সময় বড় বলবান। দানবকেও ছাড়ে না।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। এর দায় ভার পুরোপুরি লেখকের। ডেইলি বাংলাদেশ-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

লেখক: কবি

আরও পড়ুন
SELECT id,hl2,news.cat_id,parent_cat_id,server_img,tmp_photo,entry_time,hits FROM news AS news INNER JOIN news_hits_counter AS nh ON news.id=nh.news_id WHERE entry_time >= "2018-08-15 14:03" AND news.cat_id LIKE "%#23#%" ORDER BY hits DESC,id DESC LIMIT 10
SELECT id,hl2,news.cat_id,parent_cat_id,server_img,tmp_photo,entry_time,hits FROM news AS news INNER JOIN news_hits_counter AS nh ON news.id=nh.news_id WHERE entry_time >= "2018-08-15 14:03" ORDER BY hits DESC,id DESC LIMIT 20
সর্বাধিক পঠিত
ভারতে নিকের পরিবার, কাল প্রিয়াঙ্কার বাগদান!
ভারতে নিকের পরিবার, কাল প্রিয়াঙ্কার বাগদান!
প্রিয়াঙ্কার ‘হবু বর’ কে এই নিক?
প্রিয়াঙ্কার ‘হবু বর’ কে এই নিক?
বিয়ে সেরেছেন পপি, বর পুরনো প্রেমিক!
বিয়ে সেরেছেন পপি, বর পুরনো প্রেমিক!
নারীদের জন্য হজ জিহাদের সমতুল্য
নারীদের জন্য হজ জিহাদের সমতুল্য
পরিচালকের সঙ্গে মম’র অবৈধ সম্পর্ক, ঘটেছে হাতাহাতি!
পরিচালকের সঙ্গে মম’র অবৈধ সম্পর্ক, ঘটেছে হাতাহাতি!
মাতাল প্রিয়াঙ্কা, ভিডিও করলেন নিক!
মাতাল প্রিয়াঙ্কা, ভিডিও করলেন নিক!
কারাগারে সুখময় জীবন!
কারাগারে সুখময় জীবন!
আবেদনময়ী পপি, পেতে গুনতে হবে ১০ লাখ!
আবেদনময়ী পপি, পেতে গুনতে হবে ১০ লাখ!
কেন বিয়ে করেননি অটল বিহারী বাজপেয়ী?
কেন বিয়ে করেননি অটল বিহারী বাজপেয়ী?
ভাগে কোরবানি এবং নাম দেয়ার বিধি-বিধান
ভাগে কোরবানি এবং নাম দেয়ার বিধি-বিধান
শোয়েব আখতার: এক গতিদানবের ক্যারিয়ার
শোয়েব আখতার: এক গতিদানবের ক্যারিয়ার
অতিরিক্ত ঘামছেন? যা করবেন…
অতিরিক্ত ঘামছেন? যা করবেন…
প্রেম চলছে নাকি বিয়েও হয়েছে?
প্রেম চলছে নাকি বিয়েও হয়েছে?
সোনা, হিরে ছাড়াই সাতপাক ঘুরবেন দীপিকা, কেন জানেন?
সোনা, হিরে ছাড়াই সাতপাক ঘুরবেন দীপিকা, কেন জানেন?
শাকিব-বুবলীর জুটি ভাঙনে যা বললেন অপু
শাকিব-বুবলীর জুটি ভাঙনে যা বললেন অপু
কারিনাকে পেতে গুনতে হবে ৮ কোটি!
কারিনাকে পেতে গুনতে হবে ৮ কোটি!
সুমির অন্তরঙ্গ দৃশ্য ফাঁস, যা বললেন নায়িকা!
সুমির অন্তরঙ্গ দৃশ্য ফাঁস, যা বললেন নায়িকা!
‘দেহ দাও নয়তো স্তন বড় করো’!
‘দেহ দাও নয়তো স্তন বড় করো’!
যারা কাবা ঘর ধ্বংস করতে গিয়েছিল, তারাই ধ্বংস হলো
যারা কাবা ঘর ধ্বংস করতে গিয়েছিল, তারাই ধ্বংস হলো
দাগমুক্ত ত্বক পেতে কাঁচা দুধের ফেসিয়াল
দাগমুক্ত ত্বক পেতে কাঁচা দুধের ফেসিয়াল
শিরোনাম:
পল্লবীতে বাড়িতে রিজার্ভ ট্যাংক বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৯ আজ পবিত্র ঈদুল আজহা; ডেইলি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা গাড়ির মন্থর গতি, জানজটে নাকাল যাত্রীরা ঈদের আগেই মুক্তি পেলেন অভিনেত্রী নওশাবা বগুড়ায় মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার