ঢাকা, সোমবার   ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ৬ ১৪২৫,   ১২ জমাদিউস সানি ১৪৪০

সৌন্দর্য চর্চায় ফুলের জাদু

জান্নাতুল মাওয়া সুইটি

 প্রকাশিত: ২০:০৯ ৭ অক্টোবর ২০১৮   আপডেট: ২০:০৯ ৭ অক্টোবর ২০১৮

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ব্যয়বহুল বিভিন্ন কেমিক্যালযুক্ত ক্রিম ও লোশন ব্যবহারের পরিবর্তে ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক ফুলের নির্যাস ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। বিভিন্ন ফুলের নির্যাসে রয়েছে প্রাকৃতিক জৈব গুণাগুণ যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর পাশপাশি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এমনকি চুলের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করতে সক্ষম। জেনে নিন ত্বক ও চুলের যত্নে যে ফুলগুলো ব্যবহার করবেন-

বেলি:

এই ফুলের নির্যাস ত্বকের চামড়া মসৃণ এবং নরম করার পাশাপাশি ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে থাকে। এর সুবাস সকলের কাছেই সমাদৃত। ক্লান্তি দূর করতে বেলি বা জেসমিন ফুলের সুবাসের তুলনা হয় না। জেসমিন তেল চুল মসৃণ করার পাশাপাশি চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করে।

গাঁদা:

এই একটি ফুলের মধ্যেই যেনো সব সমস্যার সমাধান রয়েছে। এর নির্যাস ত্বকের র‌্যাশ ও ব্রণ সমস্যা দূর করে। সেইসঙ্গে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর পাশাপাশি শুষ্ক ত্বক ময়েশ্চারাইজও করে থাকে। এই ফুলের তেল রক্ত সঞ্চালনকে উন্নত করার জন্য পরিচিত। গাঁদা ফুল তেল স্ক্যাল্পের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধির মাধ্যমে দ্রুত চুলের বৃদ্ধিকে ত্বরাণ্বিত করে এবং চুলকে আরো ঘন করতে সাহায্য করতে পারে।

গোলাপ:

ত্বকের যত্নে গোলাপের জুড়ি মেলা ভার! এর নির্যাস ত্বককে নরম এবং মসৃণ করতে সাহায্য করে। গোলাপজল ব্রণ চিকিত্সার জন্য সহায়ক। গোলাপের পাপড়িতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য থাকায় ব্রণ সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি দিয়ে থাকে। । গোলাপ মধ্যে থাকা ইথানল ব্রিণ শুকাতে এবং ব্রণের দাগ দূর করে সাহায্য করে।

জবা:

চুলের জন্য জবা ফুলের তুলনা হয় না। আর তাইতো প্রাচীনকাল থেকেই চুলের যত্নে এর ব্যবহার প্রচলিত। এতে  থাকা কলেজেন চুলের গোড়া শক্ত করার পাশাপাশ চুলের বৃদ্ধি বাড়ায়। চুলের যত্নে জবার নির্যাসের পাশাপাশি আপনি এর তেলও ব্যবহার করতে পারেন।

ল্যাভেন্ডার:

জৈব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যগুণ সম্বৃদ্ধ এই বেগুনি রঙের ফুল সকলেরই পরিচিত। ল্যাভেন্ডারে এন্টিসেপটিক এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ব্রণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করে এবং ত্বকের ফুসকুড়ি এবং লালচে দাগ দূর করে। ল্যাভেন্ডার তেলের কদর বিশ্বব্যাপী। এই তেল রিংকেলসহ বয়সের ছাপ দূর করে থাকে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস/এসজেড