‘আর কোনো নুসরাত যেন অধ্যক্ষের লালসার বলি না হয়’

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৭ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ২৫ ১৪২৬,   ১৪ শা'বান ১৪৪১

Akash

‘আর কোনো নুসরাত যেন অধ্যক্ষের লালসার বলি না হয়’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৫৬ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ২১:০০ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ-হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ-হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে বাঞ্ছারামপুরে মানববন্ধন হয়েছে। বুধবার বিকেলে ওই উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি শাহ রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন হয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছয়ফুল্লাকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম তুষার, শাহ রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল করিম, শাহ রাহাত আলী মহাবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমীর আহাম্মেদ, ইউপি আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির, ইউপি যুবলীগের সভাপতি জাকির হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, ইউপি ছাত্রলীগের সভাপতি মোজাম্মেল হক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব আহমেদ প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন- ফেনীর সোনাগাজীতে অধ্যক্ষের লালসার শিকার হয়ে প্রাণ দিয়েছেন মাদরাসাছাত্রী নুসরাত। একই ঘটনা ঘটিয়েছেন সলিমগঞ্জ জান্নাতুল ফেরদৌস মহিলা মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা। ধর্ষণের পর হত্যা করেছেন ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে। আমরা আর কোনো নুসরাতকে অধ্যক্ষের লালসার বলি হতে দেখতে চাই না। মাওলানা মোস্তফা ও তার সহযোগী শিক্ষকদের উপযুক্ত শাস্তি দেয়া হোক।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল ছয়ফুল্লাকান্দি বাজার ও আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

সোমবার রাতে নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ জান্নাতুল ফেরদৌস মহিলা মাদরাসায় হোস্টেলের সিঁড়িঘর থেকে ওই মাদরাসাছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন অধ্যক্ষ। এরপর শিক্ষকদের সহায়তায় নিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছেন। ওই ঘটনায় অধ্যক্ষসহ চার শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর