Alexa আর্সেন ওয়েঙ্গার: একটি যুগের অবসান!

ঢাকা, রোববার   ১৮ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৪ ১৪২৬,   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

আর্সেন ওয়েঙ্গার: একটি যুগের অবসান!

 প্রকাশিত: ২১:২৪ ২৬ এপ্রিল ২০১৮   আপডেট: ২১:২৭ ২৬ এপ্রিল ২০১৮

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আর্সেন ওয়েঙ্গারের একটি ব্যক্তিগত গর্বের জায়গা ছিল সবসময়।

যত যাই হোক, চুক্তিভঙ্গের মতো ‘অপরাধ’ কখনোই করতেন না তিনি। নিজের এই দিকটি নিয়ে গর্বের অন্ত ছিল না তার।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসে চুক্তি ভঙ্গ তাকে করতেই হলো, ম্যানেজারিয়াল ক্যারিয়ারের ৩৫ তম বসন্তে এসে চুক্তি ভঙ্গ করতে হলো আর্সেন ওয়েঙ্গারকে।

নিজের সেরা সময়ে রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মতো ক্লাবদের ফিরিয়ে দিয়েছেন, ইংল্যান্ড জাতীয় দলকে কোচিং করানোর অফার প্রত্যাখ্যান করেছেন, মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন আরব দেশগুলোর লোভনীয় সব প্রস্তাব থেকেও।

কিন্তু সময়কে আর প্রত্যাখ্যান করতে পারলেন কই! সে সাধ্যই বা কার কবে ছিল!

গত বছর চেলসিকে হারিয়ে এফএ কাপ জেতার পর দুই বছরের জন্য চুক্তি নবায়ন করেছিলেন। ২০১৯ এর আগে তাই আর্সেনালে ওয়েঙ্গার যুগ শেষ হওয়ার কথা ছিল না।

কিন্তু এই মৌসুমে লীগে দলের ছন্নছাড়া অবস্থা, শীর্ষ চার থেকেও ১৪ পয়েন্ট পিছিয়ে থাকা, আর সব মিলিয়ে দর্শকদের আস্থা একেবারেই হারিয়ে ফেলা, সব মিলিয়ে তাই আর চুক্তিটা চালিয়ে যেতে সায় দিলো না ওয়েঙ্গারের মন।

ফলাফল, ২২ বছর যেই ক্লাবটিকে আগলে রেখেছিলেন নিজের হাতে, মৌসুম শেষে সেই ক্লাবের ডাগআউট ছেড়ে যাওয়ার ঘোষণাই দিয়ে দিলেন!



সর্বশেষ প্রিমিয়ার লীগ শিরোপা জিতেছিলেন সেই ১৪ বছর আগে। এরপর মেসি-রোনালদোতে বুঁদ হয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব, টাকার বস্তা নিয়ে হাজির হওয়া দুই ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি ও পিএসজির অর্থের তাণ্ডব দেখেছে ফুটবল ভক্তরা, পেপ গার্দিওলা নামের এক জাদুকরের আবির্ভাবও হয়ে গেছে এই সময়ের মধ্যে।

কিন্তু আর্সেন ওয়েঙ্গারের হাতে প্রিমিয়ার লীগ আর ধরা দেয়নি। এফএ কাপ, কমিউনিটি শিল্ডের মতো শিরোপা জিতেছেন, কিন্তু তাতে কি আর আর্সেনালের মতো ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের চাহিদা মেটে!

তারপরেও ভক্ত সমর্থকদের সমর্থন ও ভালোবাসায় ক্লাবটিকে নিজের চেয়েও বেশি ভালোবেসে আঁকড়ে ধরে রেখেছিলেন। সেই ভালোবাসার বন্ধন অবশেষে ছিন্ন হতে চলেছে।

গত কয়েক মৌসুম ধরে ‘ওয়েঙ্গার আউট’ প্ল্যাকার্ড উঁচিয়ে ধরা ভক্তটির চোখও আজ নিশ্চয়ই সিক্ত ওয়েঙ্গারের এই ঘোষণায়। ২২ বছরের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া কি আর মুখের কথা!

১৯৯৬ সালে যখন আর্সেনালে যোগ দিচ্ছেন, স্ত্রী অ্যানিকে কথা দিয়েছিলেন, মাত্র পাঁচ বছর কোচিং করিয়েই সব ছেড়ে দিয়ে পারিবারিক জীবনে চলে আসবেন।

অ্যানি অপেক্ষা করেছেন ১৯ বছর, ওয়েঙ্গারকে একা করে দিয়ে চলেও গেছেন। কিন্তু আর্সেনালের মায়া ত্যাগ করতে পারেননি ওয়েঙ্গার। নিজের নামের সমার্থক হয়ে গেছে যেই ক্লাব, তাকে ছেড়ে যাওয়া কি এতই সহজ?



কে এই আর্সেন?
২২ বছর আগে ঠিক এই প্রশ্নটাই ঘুরে বেড়াচ্ছিল সকল আর্সেনাল ফ্যানের মনে। জাপানের এক ক্লাবে ১৯ মাস কাটিয়ে এসেছেন মাত্র, এর আগে ফ্রেঞ্চ লীগ ওয়ানে মোনাকো হয়ে লীগ জেতা ছাড়া তেমন কোনো অর্জনও নেই। এই ফ্রেঞ্চকে কোত্থেকে ধরে নিয়ে এল আর্সেনাল?

আর্সেনালের এক শেয়ারহোল্ডার ও টিকেট হোল্ডার ড্যারেন এপস্টেইন এখনো মনে করতে পারেন, ‘বেশিরভাগ দর্শকের মতো আমিও কখনো আর্সেনের নাম শুনিনি। আমরা ২৪ ঘণ্টা খবর শুনতাম না, ইউরোপের সব ম্যাচের খবরও ঠিকভাবে এসে পৌঁছাত না। তার উপর সর্বশেষ কোচিং করিয়েছে জাপানে। সত্যি বলতে তার প্রোফাইল বেশ লো ই ছিল।’

বুঝতে অবশ্য খুব বেশিদিন সময় লাগেনি, ইংলিশ লীগে এমন একজনের আগমন ঘতেছে, ট্যাকটিকসের দিক থেকে যিনি বদল আনবেন, খেলোয়াড়দের খাদ্যাভ্যাসে ব্যাপক শৃঙ্খলা আনবেন (ম্যাচের আগে চকোলেট খাওয়াকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন), এবং সবচেয়ে বড় বিষয়, খেলোয়াড়দের পেশাদার করে তুলবেন।

ডেইলি মিররের প্রধান ফুটবল লেখক ও ‘আর্সেন ওয়েঙ্গার: দ্য ইনসাইড স্টোরি অফ আর্সেনাল আন্ডার ওয়েঙ্গার’ বইয়ের লেখক জন ক্রস বিবিসিকে বলেছিলেন, ‘আমার প্রতিক্রিয়াও অনেকটা বাকিদের মতই ছিল। আমার মনে হয়েছিল আর্সেনাল অনেক বড় একটা জুয়া খেলছে, যখন প্রিমিয়ার লীগে বিদেশী কোচের চল খুব একটা চালু হয়নি। এটা ভুলে গেলে কিন্তু চলবে না, প্রিমিয়ার লীগ জেতা প্রথম বিদেশী কোচ কিন্তু আর্সেন ওয়েঙ্গারই।’

আস্থার প্রতিদান দিতে বেশি সময় নেননি ওয়েঙ্গার, নিজের প্রথম পূর্ণ মৌসুমেই ক্লাবকে জিতিয়েছিলেন প্রিমিয়ার লীগ ও এফএ কাপের ডাবল।

আর্সেনালের হয়ে ৪৪৯টি ম্যাচ খেলা ডিফেন্ডার মার্টিন কিউন স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘প্রতিদিন সকালে অনুশীলনে এসে আমার সাথে তিনবার হাত মেলাতেন উনি। আমি মনে মনে ভাবতাম, এত ভদ্র মানুষ প্রিমিয়ার লীগে কিছু জিতবে কীভাবে! তার অনুশীলন সেশনগুলো হতো ভিন্ন রকমের, প্রতিদিনই কিছু না কিছু বৈচিত্র্য থাকতোই। আমরা এর আগে কখনো ম্যানিকুইন দেখিনি, তিনিই আমাদের প্রথম এর সাথে পরিচয় করান।’

ওয়েঙ্গার আর্সেনালে আসার পর থেকে মোট ৫৪ জন বিদেশী কোচ এখন পর্যন্ত প্রিমিয়ার লীগে কোচিং করানোর সুযোগ পেয়েছেন।

বিদেশী কোচেরাও যে প্রিমিয়ার লীগে সফল হতে পারেন, এই ধারণাটা প্রথম করে দিয়েছিলেন ওয়েঙ্গারই। অন্তত এই কারণে হলেও প্রিমিয়ার লীগের ইতিহাসে আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন তিনি।

আর্সেনালে ওয়েঙ্গারের স্বর্ণযুগ:
১৯৯৮ থেকে ২০০৪, আর্সেনালে আর্সেন ওয়েঙ্গারের স্বর্ণযুগ ছিল এই সময়কাল। ১৪ বছর আগে এই ২০০৪ সালেই ওয়েঙ্গারের হাত ধরে এসেছিল আর্সেনালের সেই অপরাজিত থেকে ৩৮ ম্যাচের প্রিমিয়ার লীগ জেতার দুর্লভ রেকর্ড, এরপর যেটি করে দেখাতে পারেনি আর কোনো দল।

প্রথম মৌসুমে এসে যেই ৩০ টি লীগ ম্যাচ পেয়েছিলেন, তাতে তার জয়-পরাজয়ের হার ছিল ৪৬.৭%। কিন্তু মাত্র ১২ মাস পরেই সেটি বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ৬০.৫% এ!

অভিনবত্ব ও ট্যাকটিকাল মাস্টারক্লাস দিয়ে আর্সেনালকে জেতান দুইটি বড় শিরোপা। ইউনাইটেডের আধিপত্য ভেঙে জেতেন লীগ শিরোপা, আর নিউক্যাসলকে হারিয়ে এফএ কাপ।

গোলকিপার হিসেবে ডেভিড সীম্যান, আর ডিফেন্ডার হিসেবে কিউন, টনি অ্যাডামস, স্টিভ বোল্ড, লি ডিক্সন ও নতুন সাইনিং নিগেল উইন্টারবার্নকে নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন ইস্পাত কঠিন ডিফেন্স।

মিডফিল্ডার হিসেবে আনা হলো প্যাট্রিক ভিয়েরা ও ইমানুয়েল পেটিটকে, সাথে আক্রমণভাগে আছেন প্রতিভাবান থিয়েরি অঁরি, মার্ক ওভারমাস, রবার্ট পিরেস ও পিএসজি থেকে ৫ লাখ পাউন্ডের বিনিময়ে নিয়ে আসা ১৭ বছরের নিকোলাস আনেলকা। আর আছেন আর্সেনালের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র, ডেনিস বার্গক্যাম্প।

সবাইকে মিলিয়ে আর নিজের দারুণ ফুটবল মস্তিষ্ক খাটিয়ে ২০০২ সালে জিতলেন আরো একটি ডাবলস। এবারও লীগ জিতলেন, আর চেলসিকে ২-০ গোলে হারিয়ে জিতলেন এফএ কাপ। আর এরপর ২০০৩-০৪ মৌসুমে আসে সেই বিরল অর্জন।

যেকোনো লিগেই একটি ম্যাচও না হেরেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নজির খুব বেশি নেই, কারণ কাজটি যথেষ্ট কঠিন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লীগে তো আরো কঠিন। কঠিন সেই কাজটিই করেছিল ওয়েঙ্গারের আর্সেনাল।

লীগের ৩৮ ম্যাচে তো অপরাজিত ছিলই, অপরাজিত ছিল টানা ৪৯ ম্যাচে।

২০০৩ এর মে থেকে ২০০৪ এর অক্টোবর, প্রায় দেড় বছর আর্সেনালকে হারাতে পারেনি! এর আগে ১৯৭৭ এর নভেম্বর থেকে ১৯৭৮ এর নভেম্বর পর্যন্ত টানা ৪২ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড ছিল নটিংহাম ফরেস্টের।

‘দ্য ইনভিন্সিবল’ নামে পরিচিতি পেয়ে যাওয়া আর্সেনালের এই অপরাজিত থাকার যাত্রা শেষ হয় ওল্ড ট্রাফোর্ডে বিতর্কিত এক পেনাল্টিতে ২-০ গোলে হেরে।

২০০৩-০৪ এ পুরো লীগ জুড়ে মাত্র চারটি ম্যাচে গোল করতে পারেনি আর্সেনাল, গোলশূন্য ড্র করে বার্মিংহাম, নিউক্যাসল, ফুলহাম ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে। অপরাজিত থাকা ৪৯ ম্যাচের মধ্যে জিতেছে ৩৬ টিতে, আর বাকি ১৩ টি ড্র। ১১২ টি গোল করার বিপরীতে খেয়েছে মাত্র ৩৫ টি। ঘরের মাঠে ২৫ ম্যাচ খেলে জিতেছেন ২০ টিতে, আর প্রতিপক্ষের মাঠে ২৪ ম্যাচে জয় ১৬ টিতে।

আর এই ৪৯ ম্যাচের অপরাজিত যাত্রায় আর্সেনালের ডিফেন্সের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় অবদান ছিল দুই স্ট্রাইকার থিয়েরি অঁরি ও রবার্ট পিরেসের। অঁরি করেছিলেন ৩৯ গোল, আর পিরেস ২৩ গোল।

অপরাজিত থাকার এই সময়ে দুটো বড় হতাশাও আছে ওয়েঙ্গারের। ২০০০ সালের উয়েফা কাপ ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য থাকার পর পেনাল্টিতে তুর্কি ক্লাব গ্যালাতাসারের কাছে হেরে শিরোপা খোয়ানো, আর ২০০১ এফএ কাপ ফাইনালে লিভারপুলের কাছে হার।

পতনের দীর্ঘ যাত্রা:
২০০৪ সালের ০২ জুন যখন স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে এসে হোসে মরিনহো নিজেকে ‘স্পেশাল ওয়ান’ দাবি করলেন, তখনো বোঝা যায়নি, যেই মানুষটার সাথে তার নিত্য খোঁচাখুঁচি লেগেই থাকবে, সেই আর্সেন ওয়েঙ্গার আর কখনো প্রিমিয়ার লীগের শিরোপাই জিততে পারবেন না!

একদিক থেকে দেখতে গেলে, পোর্তোকে চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জেতানো মরিনহো যেন দুর্ভাগ্যের প্রতীক হয়েই এলেন ওয়েঙ্গারের জীবনে।

অ্যালেক্স ফার্গুসনের মতো ঝানু কোচকে যিনি সামাল দিয়ে ফেলেছিলেন, সেই আর্সেন ওয়েঙ্গার কেন জানি হোসে মরিনহোর সাথে ঠিক পেরে উঠছিলেন না। কথার লড়াই চলতে চলতে দুজনের সম্পর্কটা হয়ে ওঠে তিক্ত থেকে তিক্ততর।

২০১৭ এর মে তে মরিনহোর ইউনাইটেডকে হারানোর আগে পর্যন্ত লীগে ১২ বার মরিনহোর দলের মুখোমুখি হয়ে একবারও হারাতে পারেননি ওয়েঙ্গার! মরিনহো যেন এক বিশাল মানসিক প্রাচীর হয়ে উঠেছিলেন ওয়েঙ্গারের সামনে।

জয়ের হারের দিকেও যেন মরিনহোর কাছেই পিছিয়ে পড়ছিলেন। ২০০৪-০৫ মৌসুমটাই যেমন সেরা উদাহরণ হতে পারে।

ওয়েঙ্গারের জয়ের হার কিন্তু খারাপ ছিল না, ৬৫.৮% নিয়ে ছিলেন দ্বিতীয় স্থানে। শীর্ষে কেবল ওই মরিনহো, ৭৬.৩% নিয়ে। ৫০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে শিরোপাও এনে দিলেন স্পেশাল ওয়ান।

ধারাটা চালু করে দিয়ে যান মরিনহো, এরপর আন্তোনিও কন্তে, ইয়ুর্গেন ক্লপ, মরিসিও পচেত্তিনো ও পেপ গার্দিওলাদের দৌরাত্ম্যে আর কখনো লীগ শিরোপার স্বাদ পাওয়া হয়নি ওয়েঙ্গারের।

তবে তাই বলে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের সেরা কোচদের তালিকায় উঠে আসতে সমস্যা হয়নি ওয়েঙ্গারের।
স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন ও বব পেইসলির পর প্রিমিয়ার লীগের তৃতীয় সেরা কোচ ওয়েঙ্গার।

আর্সেনালের হয়ে জিতেছেন ৩ টি লীগ শিরোপা, ৭ টি এফএ কাপ ও ৭ টি কমিউনিটি শিল্ড। তবে এতকিছু ছাপিয়ে ওয়েঙ্গার আজীবন হয়ে থাকবেন আর্সেনাল ক্লাবটিরই সমার্থক।

আর্সেনাল মানেই যে ফ্রেঞ্চ ভদ্রলোক আর্সেন ওয়েঙ্গার!

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে

Best Electronics
Best Electronics

শিরোনাম

শিরোনামকুমিল্লার বাগমারায় বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ৭ শিরোনামবন্যায় কৃষিখাতে ২শ’ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হবে না: কৃষিমন্ত্রী শিরোনামচামড়ার অস্বাভাবিক দরপতনের তদন্ত চেয়ে করা রিট শুনানিতে হাইকোর্টের দুই বেঞ্চের অপারগতা প্রকাশ শিরোনামচামড়া নিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সমাধানে বিকেলে সচিবালয়ে বৈঠক শিরোনামডেঙ্গু: গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১৭০৬ জন: স্বাস্থ্য অধিদফতর শিরোনামডেঙ্গু নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন দুপুরে আদালতে উপস্থাপন শিরোনামডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমছে: সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক শিরোনামইন্দোনেশিয়ায় ফেরিতে আগুন, দুই শিশুসহ নিহত ৭ শিরোনামআফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা, নিহত বেড়ে ৬৩