.ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৮ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ৫ ১৪২৬,   ১২ শা'বান ১৪৪০

আরেকটি চ্যালেঞ্জের সামনে মারিয়া-আঁখিরা

 প্রকাশিত: ২৩:৪৮ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮   আপডেট: ২৩:৪৮ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

বাংলাদেশের ফুটবলে মেয়েরা বেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তা মারিয়া-আঁখিদের দেখলেই বোঝা যায়। সদ্য শেষ হওয়া মেয়েদের সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্স আপ হয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। যদিও গত আসরে চ্যাম্পিয়ন ছিল তারা।

তাই এইবার চ্যাম্পিয়ন না হতে পারার দুঃখ ভুলার আগেই তাদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে আরো এক চ্যালেঞ্জ। এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ টুর্নামেন্টের বাছাই পর্বে চ্যাম্পিয়ন হইয়ে দুঃখ কিছুটা কমাতে পারবে মারিয়া-আঁখিরা।

কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম শনিবার থেকে  শুরু হচ্ছে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬  টুর্নামেন্টের বাছাই পর্ব। ‘এফ’ গ্রুপের পাঁচ দলের প্রতিযোগিতায় স্বাগতিক বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ বাহরাইন, লেবানন, ভিয়েতনাম ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। বাংলাদেশের চারটি ম্যাচ ১৭, ১৯, ২১ ও ২৩ সেপ্টেম্বর যথাক্রমে বাহরাইন, লেবানন, আমিরাত ও ভিয়েতনামের বিপক্ষে।

টুর্নামেন্ট উপলক্ষে শুক্রবার বাফুফে ভবনে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন জানান, তিনি অবশ্য আশাবাদী। তার আশা, সব বাধা পেরিয়ে থাইল্যান্ডে মূল প্রতিযোগিতার টিকিট হাতে পাবে লাল-সবুজ দল।  

তিনি বলেছেন, আমাদের কাছে সব প্রতিপক্ষই শক্তিশালী। তবে আমাদের দলও শক্তিশালী। মেয়েরা ভালো খেলতে  প্রস্তুত।

র‌্যাকিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে ভালো করতে চেষ্টা করবো আমরা। আশা করি, সবার মন জয় করে থাইল্যান্ডে মূল পর্বে জায়গা করে নিতে পারবো।

ছোটন আরো বলেছেন, ২০১৪ সালে আমিরাতের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলে দুটিতেই জিতেছিলাম আমরা। ভিয়েতনাম, বাহরাইন ও লেবানন শক্তিশালী দল। তবে অনেক দিন ধরে একসঙ্গে অনুশীলন করায় আমাদের দলের মেয়েরা আত্মবিশ্বাসী। আমাদের দলের সুবিধা হচ্ছে ২৩ জনেরই আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

বাংলাদেশের অধিনায়ক মারিয়া মান্ডা বলেন, আমরা মাঠের খেলার দিকে মনোযোগ দিতে চাই, ভালো খেলে মূল পর্বে কোয়ালিফাই করতে চাই। আশা করি আমরা আমাদের ভালো খেলা টা দর্শকদের দিতে পারব।

গতবারের চেয়ে এবারের প্রতিযোগিতার ধরন একটু ভিন্ন। গতবার বাছাই পর্বের তিন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং সেরা রানার্স-আপ মূল পর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছিল। তবে এবার গ্রুপ পর্বের ছয় চ্যাম্পিয়ন এবং সেরা দুই রানার্স-আপ দলকে খেলতে হবে দ্বিতীয় পর্বে। দ্বিতীয় পর্বের সেরা চার দল আগামী বছর মূল পর্বে অংশ নেয়ার সুযোগ পাবে। তাদের সঙ্গে থাকবে আগেই মূল পর্ব নিশ্চিত করা উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং স্বাগতিক থাইল্যান্ড। অর্থাৎ মূল পর্বে খেলতে পেরোতে হবে দুটি কঠিন ধাপ।
 
ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস/আরএ