Exim Bank Ltd.
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫

আরসার সত্য অনুসন্ধান

ডেইলি বাংলাদেশ ডেস্কডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
আরসার সত্য অনুসন্ধান
ফাইল ছবি

মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতার ঘটনার প্রেক্ষিতে যারা প্রতিনিয়ত মুসলিম রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করছেন, তারা হয়তো এ বিষয়ে একমত হবেন যে তাদের দুর্দশা আজ বা কাল যেকোনো সময় রাজ্যটির বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে।

গত ২৫ আগস্ট দিনের শুরুতে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ৩০টি তল্লাশি চৌকিতে যে হামলা হয়েছিল, তার পাল্টা জবাবে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী আক্রমণ শুরু করে। সেনাবাহিনীর পাল্টা অভিযানের মুখে পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সশস্ত্র হামলার জন্য মিয়ানমার সরকার ‘আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি’কে দায়ী করেছে। এই সশস্ত্র সংগঠনটিও বলেছে যে তারা রোহিঙ্গা মুসলিমদের অধিকার আদায়ে কাজ করছে।

রোহিঙ্গাদের কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর কথা আগে শোনা গেলেও এই সংগঠনটির নাম আগে শোনা যায়নি। বুঝা যাচ্ছে, আরসা নামের এই ছায়া সংগঠনটি রাখাইনে বিদ্রোহীদের একটি ভিত্তি তৈরি করতে চাইছে।

ইতোমধ্যেই মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসা-কে একটি সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী বলে ঘোষণা করেছে এবং বলছে রাখাইনে সাম্প্রতিক সহিংসতার জন্য রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা দায়ী। কিন্তু বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাসহ আরসা সম্পর্কে জানে এমন কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন বিবিসির জোনাথন হেড। তিনি বলেন, তাদের সঙ্গে কথা যা বুঝা গেল, আরসা নামের এই সংগঠনটির কৌশল বেশ দুর্বল এবং বেশিরভাগ রোহিঙ্গা এদের সমর্থন করে না।

মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী ২৫ আগস্টের হামলা সাধারণ ছিল, কয়েকজনের একটি দল ছিল যাদের হাতে ম্যাচ ও বাঁশের লাঠি ছিল, তারা আত্মঘাতী হামলার চেষ্টা চালিয়েছিল। তবে মংডুর আলেল থান কিয়াউয়ের পুলিশ পোস্টে সবচেয়ে বড় হামলা হয়েছিল। ওই এলাকা পরিদর্শনের সময় পুলিশ কর্মকর্তা অং কিয়াই মো সাংবাদিকদের বলেন, হামলা যে হবে এমন তথ্য তাদের কাছে ছিল এবং আগের রাতেই স্থানীয় কর্মকর্তাদের ব্যারাকে সরিয়ে নেয়া হয়।

তিনি জানান, ভোর চারটার দিকে সমুদ্রের তীর ধরে দুটি গ্রুপ আসে, প্রত্যেক গ্রুপে ৫০০ করে লোক ছিল। তারাই হামলা শুরু করে।

সমুদ্রের পাড়েই ছিল এক অভিবাসন কর্মকর্তার বাড়ি, তাকে প্রথমেই হত্যা করে তারা। কিন্তু পুলিশ কর্মকর্তারা গোলাগুলি শুরু করলে তারা পিছু হটে, ১৭ জন নিহত হয়। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া এক রোহিঙ্গা শরণার্থীর মুখেও একই বিবরণ শুনেছেন জোনাথন হেড। রাখাইন থেকে কিভাবে পালিয়ে এলেন এ বর্ণনা দেয়ার সময় জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ওই শরণার্থী বলেন, ২৫ আগস্টের সেনা অভিযানের পাল্টা জবাব দিতে যেভাবে তারা গ্রামবাসীকে উদ্বুদ্ধ করছিল তা ঠিক ছিল।

তারা ম্যাচ ছুরি দিয়ে কিছু তরুণকে উৎসাহ দিচ্ছিল, কাছের পুলিশ স্টেশনে যেন তারা হামলা চালায়। আরসার কাছে অস্ত্র আছে অনেক। গ্রামবাসীদের মধ্যে অন্তত ২৫ জন লোক আরসার কথা অনুযায়ী কাজ করে। এর মধ্যে কয়েকজর মারাও যায়।

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ২০ বছর বয়সী এক যুবকের সঙ্গে কথা হয় জোনাথন হেডের। ওই যুবক চার বছর আগে আরসায় যোগ দিয়েছিল। রোহিঙ্গা এই যুবক জানান, আরসার নেতা আতাউল্লাহ ২০১৩ সাল তাদের গ্রামে এসে বলেছিলেন রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার-বঞ্চনার বিরুদ্ধে লড়াই করার এখনই সময়। তিনি বলেছিলেন, প্রতিটি গ্রাম থেকে পাঁচ থেকে দশজন করে সদস্য চান তিনি। পরে তাদের গ্রাম থেকে কয়েজনকে ধরে নিয়ে পাহাড়ে গিয়ে বোমা প্রশিক্ষণ দেয়ও তারা। আরসার নেতার কথায় ওই যুবকের গ্রামের প্রায় সব বাসিন্দাই উৎসাহিত হয়ে পড়েছিল। যারা প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল তাদের খাবারসহ প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করতো তারা।

তাদের হাতে থাকতো ধারালো বাঁশের লাঠি, সবাই যেন মসজিদে যায় সেটিও লক্ষ্য করা হতো। ওই সময়েই এই যুবক আরসার সঙ্গে যোগ দেয়। তবে তাদের হাতে কখনো বন্দুক দেখেননি তিনি।

বিশ্বের নজর কাড়ার চেষ্টা২৫শে আগস্টের ঘটনা সম্পর্কে ওই তরুণ জানান, ওই দিন তিনি গুলির শব্দ শোনেন। কিছুদূরে আগুনও জ্বলতে দেখেন। স্থানীয় আরসা কমান্ডার (যাদের তারা আমির বলেন) তাদের গ্রামে এসে বলেন সেনারা আক্রমণ করতে আসছে, তোমরা মরতে যাচ্ছো, শহীদের মতো জীবন দাও।

এ কথা শুনে ছোট-বড় সব বয়সী মানুষ ছুরি ও ধারালো বাঁশের লাঠি হাতে নিয়ে সেনাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। তখন অনেকে আহত হয়। অনেকে মারাও যায়।

এরপর অনেকে পরিবার নিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার চেষ্টা করে। পালিয়ে আসার সময় রাখাইনের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষেরাও তাদের হয়রানি করে বলে জানান ওই যুবক। কেন এমন ব্যর্থ হামলার চেষ্টা করলো তারা? জবাবে ওই যুবক জানান, আমরা বিশ্ববাসীর নজর কাড়তে চাইছিলাম। অনেকদিন ধরে কষ্ট করেছি। আমরা যদি মারাও যাই, তাহলেও কারো কাছে এটা কোনো বিষয় হবে না।

আন্তর্জাতিক কোনো জিহাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক আছে কিনা এমন কথা নাকচ করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের অধিকারের জন্য তারা লড়ছেন। আরসার সদস্যদের সঙ্গে ওই যুবক ও গ্রামের আরো অনেকে শেষ মুহুর্তের হামলায় যোগ দেন। পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত রোহিঙ্গা আতা উল্লাহ, ২০১২ সালে রাখাইনে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনার পর আরসার কার্যক্রম চালু করেন। একটি ভিডিও তিনি প্রকাশ করেন যেখানে তার সঙ্গে দেখা যায় সশস্ত্র যোদ্ধা যারা মুখ ঢেকে আছে।

আরসার নেতা আতাউল্লাহ

তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর নির্যাতনের বিরুদ্ধে হামলা চালানো ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। তিনি আন্তর্জাতিক সাহায্য চান, আরাকান (রাখাইন রাজ্যের আরেক নাম) যে রোহিঙ্গাদের ভূমি এটাও দাবি করেন তিনি।

রাখাইনে অন্য সম্প্রদায়ের সঙ্গে যে আরসার কোনো বিবাদ নেই সেটিও এক বিবৃতিতে স্পষ্ট করেন আরসার এই নেতা। আরসার প্রধান দাবি হচ্ছে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের নাগরিকত্ব এবং সমান মর্যাদা দিতে হবে। তার বক্তব্য বা ভিডিওতে কোথাও এমন বক্তব্য নেই যে তিনি জিহাদ করছেন, তিনি রোহিঙ্গাদের অধিকারের কথাই বারবার বলছেন।

মিয়ানমারের সরকার ইতোমধ্যে রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসাকে একটি সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী বলে ঘোষণা করেছে। আরসার নেতা আতাউল্লাহর আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ততা আছে এমন সন্দেহও করা হচ্ছে। তবে ব্যাংককভিত্তিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক অ্যান্থনি ডেভিস বলছেন, ‘আতাউল্লাহও তা তার মুখপাত্রগণ এটা পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে তারা গোষ্ঠীভিত্তিতিক জাতীয়তাবাদী আন্দোলন করছেন। তাদের কিন্তু আন্তর্জাতিক জিহাদি গোষ্ঠীর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই, এখনো তেমনটা দেখিনি আমরা। রাখাইনে রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়ে লড়ছেন। বিচ্ছিন্নতাবাদী বা জিহাদী কোনোটাই তারা নন।

জনসংখ্যায় ভারসাম্য?রাখাইনে সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় রোহিঙ্গা ও স্থানীয় বৌদ্ধরা বিপরীত অবস্থান নিয়েছে। দু’পক্ষের মিলিশিয়াই হামলায় যুক্ত হয়েছে, হতাহত হয়েছে বহু। আর সহিংসতা থেকে বাঁচতে রাখাইনে ছেড়েছে লাখ লাখ রোহিঙ্গা। বড় সংখ্যক রোহিঙ্গাই এখন বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। সংখ্যালঘুদের মিয়ানমারে বর্ণনা করা হয় ‘বাঙালি’ বলে। তাদের দৃষ্টিভঙ্গী অনুযায়ী, রোহিঙ্গারা হচ্ছে ‘বিদেশি’ বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসী; যাদের ভাষা ও সংস্কৃতি আলাদা।

মিয়ানমারের বেশিরভাগ বার্মিজ মনে করে রোহিঙ্গা মুসলিম নয়, সেখানে তাদের ওপরেই হুমকি আছে। আর ২৫ আগস্টের পর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী যে অভিযান চালিয়েছে তাকে ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞে’র অন্যতম উদাহরণ বলা যায়। এমন পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে দেশটিতে রোহিঙ্গা মুসলিমদের সংখ্যার সংখ্যা সেখানকার অমুসলিমদের সংখ্যার একটা ভারসাম্য চলে আসছে। ফলে প্রশ্ন জাগে রাখাইনে আরসা কিভাবে তার কার্যক্রম চালাবে? সীমান্তে হামলা চালানো অনেক কষ্টকর হবে এবং এমনটা বাংলাদেশও সহজভাবে নেবে না বা এমন পরিস্থিতি হোক সেটাও তারা চায় না।

ইতোমধ্যে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নিয়ে সংকটের মধ্যে আছে বাংলাদেশ, আর কোনো ধরনের সংঘাতেও জড়াতে চায় না দেশটি। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে আরসার যে নেতা আছে এবং আরসা’র ‘আমিরের’ সঙ্গে এখনো যোগাযোগ আছে ওই যুবকের। যদিও আতা উল্লাহর সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ নেই তার।

ওই যুবক বলছে আরসা’র পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে সে বিষয়ে কোনো ধারণা নেই তার। আশ্রয়কেন্দ্রে যত মানুষের সঙ্গে কথা হয়েছে তাদের সবাই আরসার অবস্থান সম্পর্কে জানে এবং সংগঠনটি নিয়ে কথা বলার সময় কিছুটা ভয়েই কথা বলছিল তারা।

আগস্টে হামলার পর আরসার সদস্যরা অনেককে হত্যা করেছে এমন খবর রয়েছে। তবে রোহিঙ্গারা একটা বিষয়ে একমত যে ১৯৫০ সালের পর এই প্রথম মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়ে লড়াই করছে এই সংগঠনটি এবং এজন্যতারা অনেকের সমর্থনও পাচ্ছে। বিবিসি বাংলা।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ

আরোও পড়ুন
সর্বশেষ
বিজ্ঞানের আজব খবর
বিজ্ঞানের আজব খবর
নোয়াখালীতে পুলিশ-সাংবাদিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ
নোয়াখালীতে পুলিশ-সাংবাদিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ
আলিয়াকে চুম্বন করতে ভাল লাগে: অর্জুন
আলিয়াকে চুম্বন করতে ভাল লাগে: অর্জুন
সুপার কম্পিউটারে মহাজাগতিক সুর
সুপার কম্পিউটারে মহাজাগতিক সুর
লোকমান হোসেন প্রধান স্মরণে আলোচনা সভা
লোকমান হোসেন প্রধান স্মরণে আলোচনা সভা
বছরে এক লাখ রোগী মারা যাচ্ছে ক্যান্সারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বছরে এক লাখ রোগী মারা যাচ্ছে ক্যান্সারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সিলেটে জ্বলবে ১ হাজার সড়কবাতি
সিলেটে জ্বলবে ১ হাজার সড়কবাতি
বিরুষ্কা একে অপরের মেল এবং ফিমেল ভার্সন!
বিরুষ্কা একে অপরের মেল এবং ফিমেল ভার্সন!
নাসা কেন আর চাঁদে যাওয়ার চেষ্টা করেনি?
নাসা কেন আর চাঁদে যাওয়ার চেষ্টা করেনি?
সাইক্লোন শেল্টার ভাঙনের মুখে
সাইক্লোন শেল্টার ভাঙনের মুখে
সাকিবের  তোপ, ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ
সাকিবের তোপ, ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ
প্রবাসীরা অর্থনীতির ভিত মজবুত করছে: অর্থমন্ত্রী
প্রবাসীরা অর্থনীতির ভিত মজবুত করছে: অর্থমন্ত্রী
অসম সম্পর্কে ক্ষিপ্ত বাবা, জানালেন অনুভূতি
অসম সম্পর্কে ক্ষিপ্ত বাবা, জানালেন অনুভূতি
কোয়েলকেই চাইছেন জিৎ, কিন্তু কেন?
কোয়েলকেই চাইছেন জিৎ, কিন্তু কেন?
আফগান বোর্ড চেয়ারম্যানের পদত্যাগ
আফগান বোর্ড চেয়ারম্যানের পদত্যাগ
মাদক প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে
মাদক প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে
ইউএস-বাংলা হাই-টেক ও এনডিই’র মধ্যে চুক্তি
ইউএস-বাংলা হাই-টেক ও এনডিই’র মধ্যে চুক্তি
দশমিনায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
দশমিনায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
উৎসে কর কমানোর বিষয়টি বিবেচনায়: বাণিজ্যমন্ত্রী
উৎসে কর কমানোর বিষয়টি বিবেচনায়: বাণিজ্যমন্ত্রী
চাপ অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ
চাপ অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ
বাঞ্ছারামপুরে সংঘর্ষে শিশুসহ আহত ১৫
বাঞ্ছারামপুরে সংঘর্ষে শিশুসহ আহত ১৫
গণতন্ত্রের খোঁজে নজরুল
গণতন্ত্রের খোঁজে নজরুল
ভারতে অজানা জ্বরে ৭৯ জনের মৃত্যু
ভারতে অজানা জ্বরে ৭৯ জনের মৃত্যু
গভীর রাতের বৃষ্টিতে জনজীবনে স্বস্তি
গভীর রাতের বৃষ্টিতে জনজীবনে স্বস্তি
পদ্মায় ফের নৌকাডুবি, নিখোঁজ ৩
পদ্মায় ফের নৌকাডুবি, নিখোঁজ ৩
ভারতীয় সাংবাদিককে মাশরাফির পাল্টা জবাব
ভারতীয় সাংবাদিককে মাশরাফির পাল্টা জবাব
আলিয়াকে দাম বাড়ানোর পরামর্শ, কেন জানেন?
আলিয়াকে দাম বাড়ানোর পরামর্শ, কেন জানেন?
ভোলায় ভাঙাচোরা স্কুল ঘরে পাঠদান
ভোলায় ভাঙাচোরা স্কুল ঘরে পাঠদান
সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ২০ দলের দাবি মানতে হবে
সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ২০ দলের দাবি মানতে হবে
অভিনেত্রী নয়, এবার গায়িকা শুভশ্রী!
অভিনেত্রী নয়, এবার গায়িকা শুভশ্রী!
সর্বাধিক পঠিত
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
সুজির মালাই পিঠা
সুজির মালাই পিঠা
আশুরার রোজা: নিয়ম ও ফজিলত
আশুরার রোজা: নিয়ম ও ফজিলত
তরুণীদের বেডরুমে নেয়ার পর হত্যা করাই কাজ
তরুণীদের বেডরুমে নেয়ার পর হত্যা করাই কাজ
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
সূরা আল নাস এর গুরুত্ব ও ফজিলত
সূরা আল নাস এর গুরুত্ব ও ফজিলত
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
মিলনে ‘অপটু’ ট্রাম্প, বোমা ফাটালেন এই পর্নো তারকা!
মিলনে ‘অপটু’ ট্রাম্প, বোমা ফাটালেন এই পর্নো তারকা!
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
শচীনের সঙ্গে অভিনেত্রীর ‘গোপন’ সম্পর্ক!
শচীনের সঙ্গে অভিনেত্রীর ‘গোপন’ সম্পর্ক!
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
সূরা বাকারার শেষ অংশের ফজিলত
সূরা বাকারার শেষ অংশের ফজিলত
‘পবিত্র আশুরা’
‘পবিত্র আশুরা’
‘শাহরুখ’ আর রেডি গোয়িং টু জাহান্নাম!
‘শাহরুখ’ আর রেডি গোয়িং টু জাহান্নাম!
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
উচ্চতা বাড়ায় যেসব খাবার
উচ্চতা বাড়ায় যেসব খাবার
কাকে বিয়ে করবেন?
কাকে বিয়ে করবেন?
এ কেমন কাণ্ড পুলিশ পুত্রের!
এ কেমন কাণ্ড পুলিশ পুত্রের!
শিরোনাম:
সূচকের পতনে শেষ হল দেশের দুই পুঁজিবাজারের লেনদেন সূচকের পতনে শেষ হল দেশের দুই পুঁজিবাজারের লেনদেন টাইগারদের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে আফগানিস্তান টাইগারদের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে আফগানিস্তান গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন: রিজভী গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন: রিজভী বাম গণতান্ত্রিক জোটের ইসি ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, আহত ২০ বাম গণতান্ত্রিক জোটের ইসি ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, আহত ২০ ক্ষমতা হারানোর জ্বালা থেকেই মনগড়া কথা বলছেন এস কে সিনহা: ওবায়দুল কাদের ক্ষমতা হারানোর জ্বালা থেকেই মনগড়া কথা বলছেন এস কে সিনহা: ওবায়দুল কাদের