আম্ফানে লণ্ডভণ্ড সাতক্ষীরা উপকূল

ঢাকা, বুধবার   ২৭ মে ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪২৭,   ০৩ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

আম্ফানে লণ্ডভণ্ড সাতক্ষীরা উপকূল

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০১:০৭ ২১ মে ২০২০  

আম্ফানের তাণ্ডবে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

আম্ফানের তাণ্ডবে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা। প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ গ্রাম। তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি, গবাদিপশুসহ ক্ষেতের ফসল। তবে আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউপির কয়েকটি স্থানে কপোতাক্ষ, খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে।

আশাশুনির ইউএনও মীর আলিফ রেজা জানান, উপজেলার উপকূলীয় প্রতানগর. ক্রীউলা. আনুলিয়া ও খাজরা ইউপি অইশে পয়েন্টে বাঁধ ভেঙে গেছে। এরইমধ্যে চাকলা, দিঘলারাইট, কুড়িকাউনিয়া, হিজলা, কোলা, শ্রীউলা, হাজরাকালি, দয়ারগাট, বিছট, বাহাদুরপুর গ্রামসহ আরো অনেক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

উপজেলার শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা শাকিল জানান, তার ইউপির প্রায় সব কাঁচাঘর বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। এছাড়া উড়ে গেছে অনেকের টিনের চাল।

শ্যামনগরের ইউএনও আবুজর গিফারী বলেন, উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী, গাবুরা, পদ্মপুকুর ও রমজাননগর ইউপির উপকূলীয় বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পদ্মপুকুর ইউপির চাউলখোলা এলাকায়। সেখানকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২০০ ফুটের মতো বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে।

বুড়িগোয়ালিনি ইউপি চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার মণ্ডল বলেন, এরইমধ্যে তিনটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তার ইউপির ১৫টি গ্রামই প্লাবিত হবে।

কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা এলাকার খারহাটে ইছামতি নদীর বাঁধ ও মথুরেশপুর চিংড়া বাঁধ ভেঙে অনেক কাঁচাঘর, গাছপালা ভেঙে গেছে। প্লাবিত হয়েছে তিনটি গ্রাম।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী জানান, ঘণ্টায় ১০০-১২০ কিলোমিটার বেগে বিকেল ৪টায় সুন্দরবন উপকূলে আম্ফান আছড়ে পড়ে। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে এর গতিবেগ বেড়ে রাত ৮টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ১৪৮ কিলোমিটার বেগে পূর্বদিক থেকে পশ্চিম দিকে ঝড়ো হাওয়াটি প্রবাহিত হতে থাকে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর