‘আমি মরে গেলে তোরা এগুলো দেখিস’
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=193476 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ১২ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৮ ১৪২৭,   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

‘আমি মরে গেলে তোরা এগুলো দেখিস’

নাটোর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০১:৫১ ১২ জুলাই ২০২০  

জেনি বেবি কস্তার ফেসবুক স্ট্যাটাসের স্ক্রিনশট

জেনি বেবি কস্তার ফেসবুক স্ট্যাটাসের স্ক্রিনশট

নাটোরের বড়াইগ্রামে করোনা পরিস্থিতিতে চাকরি হারিয়ে জেনি বেবি কস্তা নামে এক নারী ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এর একদিন আগে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নিজের ২৬টি ছবি আপলোড করেন তিনি। ওই পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লেখেন- ‘আমি মরে গেলে তোরা এগুলো দেখিস’।

শনিবার বিকেলে ওই উপজেলার মাঝগাঁও ইউপির বাহিমালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জেনি বেবি কস্তা ওই গ্রামের আব্রাহাম কস্তার মেয়ে।

নিহতের স্বজনরা জানান, ১৬ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় জেনির। এ পর আর কারো সঙ্গে ঘর বাঁধেননি। জীবিকার প্রয়োজনে তিনি ঢাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে চাকরি হারিয়ে তিন মাস আগে গ্রামে এসে ভাইয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন। এ সময় ভাই-ভাবি ও ভাতিজাদের হাতে একাধিকবার মারধরের শিকার হন তিনি।

চাকরি চলে যাওয়া, স্বজনদের কাছে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে জেনি মানসিকভাবে চরম হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এ কারণেই তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে ধারণা স্বজনদের।

বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ তৌহিদুল ইসলাম জানান, শনিবার বিকেলে নিজ ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন জেনি বেবি কস্তা। সন্ধ্যায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। নিহতের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ঘেটে একটি স্ট্যাটাস পাওয়া গেছে। শুক্রবার রাতে ওই স্ট্যাটাসে তিনি আত্মহত্যার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। ‘আমি মরে গেলে তোরা এগুলো দেখিস’ ক্যাপশন লিখে বিভিন্ন সময়ে তোলা নিজের ২৬টি ছবি আপলোড করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর