Exim Bank Ltd.
ঢাকা, মঙ্গলবার ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

আমি চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি: নাজমুল আবেদীন

সুমনা আহমেদডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
আমি চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি: নাজমুল আবেদীন
সবার প্রিয় ফাহিম স্যার
নাজমুল আবেদীন ফাহিম

তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের গেম ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার নাজমুল আবেদীন ফাহিম। বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের গুরু বা অভিভাবকও বলা হয় তাঁকে।

১৯৭৪-৭৫ সালে যখন তিনি স্কুলে পড়তেন তখন পাড়ায় নিজেদের একটা সেকেন্ড ডিভিশনাল ক্লাব ছিল। সেখান থেকেই তিনি খেলোয়ার জীবন শুরু করেন। তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেটের অগ্রগতির পেছনের মানুষগুলোর মধ্যে অন্যতম। একসময় ঘরোয়া লিগে খেললেও নিজের খ্যাতি ছড়িয়েছেন কোচ হিসেবে। কিন্তু বিসিবির সাথে যুক্ত থাকায় কখনোই ক্লাবের কোচ হননি তিনি।

যিনি ক্রিকেটারদের সবারই শেষ ভরসা। তিনি হলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের গেম ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার, নাজমুল আবেদীন ফাহিম। বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের গুরু বা অভিভাবকও বলা যায় তাঁকে।

১৯৭৪-৭৫ সালে তিনি স্কুলে পড়তেন তখন পাড়ায় নিজেদের একটা সেকেন্ড ডিভিশনাল ক্লাব ছিল। সেখান থেকেই তিনি খেলোয়ারী জীবন শুরু করেন। তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেটের অগ্রগতির পেছনের মানুষগুলোর মধ্যে অন্যতম। একসময় ঘরোয়া লিগে খেললেও নিজের খ্যাতি ছড়িয়েছেন কোচ হিসেবে। কিন্তু বিসিবির সাথে যুক্ত থাকায় কখনোই ক্লাবের কোচ হননি তিনি। তার স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য কিছু করা। আজ সেই স্বপ্ন তিনি পূরণ করেছেন। সাকিব, মুশফিকসহ সব ভালো ভালো ক্রিকেটার গড়ে তোলার পেছনে তার অনেক অবদান। শুধু সাকিব, তামিম, মুশফিক, সৌম্য নয়, আরো এমন বহু তারকার সকলের ভরসার নাম নাজমুল আবেদীন ফাহিম।

এমনকি সর্বশেষ নেদারল্যান্ডে আয়োজিত বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে চ্যা‌ম্পিয়ন ও বিশ্বকা‌পে কোয়া‌লিফাই করার কৃতিত্ব গড়েছেন সালমা, রুমানা, জাহানারা। তার কিছুদিন আগে ভারত‌কে হা‌রি‌য়ে এশিয়া কাপ চ্যা‌ম্পিয়ন হওয়া আরেকটি বড় অর্জন। এই সব অর্জনই এসেছে তার হাতের ছোঁয়া থেকে।

মাঠের ক্রিকেটারদের সবাই তাকে এক বাক্যেই ফাহিম স্যার নামেই চেনেন। মাঠের বাইরে থেকে এদেশের প্রতিভাকে যিনি বের করে আনেন, তার সাথে কথা বলে আজ তারই সাফল্য, ভবিষ্যৎ ভাবনা আর নানা বলা না বলা বিষয় নিয়ে আমরা কথা বলেছি নাজমুল আবেদীন ফাহিম স্যারের সাথে।

নারী ক্রিকেট দল ধারাবাহিক সাফল্য পাচ্ছে। তাদের এসাফল্যের পিছনে আপনার অবদান সবথেকে বেশি। বিষয়টা কিভাবে দেখছেন?

নাজমুল আবেদীন ফাহিম:

আমার অবদান সবথেকে বেশি এটা ঠিক না। অবদানের অনেকগুলো ক্ষেত্র আছে। বিশেষ করে যারা খেলে তাদের অবদানই সবথেকে বেশি। কারণ তারা অনেক পরিশ্রম করে। ওদের মধ্যে যে ফোকাস বা উদ্দাম সেটা যদি না থাকত তাহলে এটা কখনোই সম্ভব হত না। এই সফলতার পেছনে অনেকেরই অবদান আছে। আমাদের যেসব কোচিং স্টাফরা আছে, কোচের ভূমিকা, ক্রিকেট বোর্ডও এখানে অনেকটা ইম্পরট্যান্ট ভূমিকা রেখেছে। সবমিলিয়ে অনেকেই এর অংশীদার। ডেফিনিটলি খুব উপভোগ করি আমি। ওরা একটা পর্যায়ে আসতে পেরেছে। ওদের সারা বছরের পরিশ্রম সার্থক হয়েছে। এটাই সবচেয়ে বড় স্যাটিস্ফেকশন। সো আমি মনে করি এটা সবার জন্যই উপভোগ্য।

নারী ক্রিকেট দলের সাফল্য ধরে রাখতে তাদের নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী করছেন?

নাজমুল আবেদীন ফাহিম:

আমি তো মনে করি সাফল্যের মাপকাঠি একটাই, ওদের জয় পরাজয়। একটা সময় ছিল ওরা ভাল খেললেই আমরা খুশি থাকতাম। কিন্তু ওদের যে জেতার ক্ষমতা আছে সেটা প্রমান করেছে। তাই প্রত্যাশাটা সবার যেমন বেড়েছে ওদের নিজিদেরও বেড়েছে। তাই চ্যালেঞ্জটা এখন বেশি। এটা যদি আমরা মেন্টেইন করতে চাই আমাদেরকে আরো বেশি পরিশ্রম করতে হবে। সবথেকে ইম্পরট্যান্ট হল আমাদের ডমেস্টিক খেলা যদি কম্পেরেটিভলি রাখতে পারি তাহলে আমাদের আন্তর্জাতিক খেলার জন্য যে পর্যায়ে খেলাটা খেলতে হয় সেটা আমরা ডমেস্টিক খেলা থেকে অভ্যাস করতে পারব। আর এটায় নারীদের সাফল্য ধরে রাখতে সবচেয়ে সহায়তা করবে।

নারীদের জন্য ঠিকমতো ঘরোয়া লীগ হয় না। ফলে নতুন ও প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা উঠে আসছে না। ঘরোয়া লীগের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু বলে মনে করছেন?

নাজমুল আবেদীন ফাহিম:

ঘরোয়া লীগ অনেক কম সেটা বলব না। সিনিয়রদের জন্য ন্যাশনাল লীগ হচ্ছে। যেটা আমাদের নেই সেটা হচ্ছে নতুন খেলোয়াড়, নতুনরা উঠে আসবে। সেটার একটা স্ট্রাকচার আমাদের নেই। তো এখন থেকে আমরা সেটারই কাজ করব। এবছর আমরা একটা অনুর্ধ ১৮ টুর্নামেন্ট করব। সেখানে অনুর্ধ ১৮ এর নিচে যারা আছে তারাই খেলার সুযোগ পাবে। এবং ভবিষ্যতে এটা হয়ত অনুর্ধ ১৬ করা হবে। এভাবেই আসলে আমরা শুরু করব এবং নতুনদের খেলার সুযোগ তৈরি করে দেব।

আপনার সময়ে নারী ক্রিকেটাররা এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বিশ্বকাপের জন্য কোয়ালিফাই করেছে। বিশ্বকাপে মেয়েদের নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?

নাজমুল আবেদীন ফাহিম:

ওরা খেলায় জিতবে, ট্রফি জিতবে এটা একধরনের প্রত্যাশা। আরেকটা প্রত্যাশা হল ওরা ওদের সম্পর্কে, ওদের শক্তি সম্পর্কে ভালোভাবে জানবে। ওরা যে খুব সাধারণ না, এটা ওদের উপলব্ধি করতে হবে। ওরা দেশের কাছে, সমাজের কাছে, প্রত্যেক মানুষের কাছে সন্মানীত হবে। আর্থিক দিক দিয়ে বেনিফিটেড হবে। আমি যখন দেখছি যে সবাই ওদের অনেক সন্মান করছে এটাই আমার অনেক বড় পাওয়া। আর ইম্পরট্যান্ট যেটা সেটা হলো ওদের খেলায় মনোযোগ থাকবে। সবার সন্মানকে ধরে রাখার চেষ্টায় ট্রফি জেতার আশা আরো বাড়বে।

নারীরা এখন ধারাবাহিক সাফল্য পাচ্ছে। কখনো কখনো এর বিপরীতও হতে পারে। সেই কঠিন সময়ের জন্য কী প্রস্তুত আছেন? নাজমুল আবেদীন ফাহিম:

এর জন্য প্রস্তুত থাকতেই হবে। কারণ, আমি যদি ভালোটা নিতে পারি তাহলে খারাপটাও নিতে পারতে হবে। আমরা যখন এশিয়া কাপে শ্রীলংকার সাথে হেরেছিলাম, তখনকার সমালোচনা আমি বা আমরা নিয়েছিলাম। যদিও প্লেয়ারদের বুঝতে দেইনি। যাই হোক ওদের খারাপ সময়ের ভাগটাও নিতে হবে। ভাল বা মন্দ ২টাতেই খেয়াল রাখতে হবে। আর এগুলো মেনেই ওদেরকে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।

এই ক্রিকেটারদের নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী ?

নাজমুল আবেদীন ফাহিম:

২টা ভাগ করব। ১টা তো পারফর্মমেন্স এর ওপর চ্যালেঞ্জ থাকবেই। সামনে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে সেখানে অবশ্যই ভালো খেলতে হবে।

আরেকটা হল মেয়েরা শুধু জাতীয় দলে খেলার জন্য না বা প্রফেশনাল না, খেলাটাকে উপভোগ করার জন্য তারা খেলবে। আমার মনে হয় আমাদের খেলাটা শুরু করা উচিৎ উপভোগ করার জন্য। খেলায় হার জিত থাকবে। লং টাইমের খেলা এইটা। মাঠে অনেক বন্ধু বান্ধব হবে। তাই খেলাকে যদি উপভোগ করতে না পারি। যদি মনে করি আমি নতুন প্লেয়ার। ন্যাশনাল টিমে চান্স পাব না। খেলে আর লাভ কি। কিন্তু এটা আসলে দারুন উপভোগ করার মত খেলা। আমি চাইব সবাই খেলায় আসুক।

এমন কোন ব্যার্থতার ঘটনা কি আছে যা আপনাকে আজকের এই নাজমুল আবেদীন ফাহিম হয়ে ওঠার পিছনে বিশেষভাবে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে?

নাজমুল আবেদীন ফাহিম:

ঠিক ব্যার্থতা বলব না। আসলে আমাদের সময় খেলা অতটা প্রফেশনাল ছিল না। আমরা যখন খেলেছি, তার পাশাপাশি অন্য কাজ করেছি, পড়াশুনা করেছি। ডেফিনেটলি এখন অনেক চেঞ্জ হয়ে গেছে। আমাদের সময়ে অনেক অপূর্ণতা রয়ে গেছে। আমাদের ক্যারিয়ার বা ওই সময় যারা খেলেছে তাদের ক্যারিয়ার এখন এরকম হতে পারত। তো সেই এক্সপেরিয়েন্সগুলা কাজে লাগে, সেগুলা থেকে আমরা শিক্ষা নিয়েছি আর সেগুলোকে মাথায় রেখেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

দীর্ঘসময় ছেলেদের সাথে কাজ করার পর বেশ কিছুদিন হল মেয়েদের ডেভেলপমেন্টের দায়িত্ব পেয়েছেন। তো এখানেই কি আপনি সাচ্ছন্দবোধ করছেন নাকি আবার ছেলেদের কার্যক্রমে ফিরে যেতে চান?

নাজমুল আবেদীন ফাহিম:

মটেই না। এটা মনে হতে পারে ছেলেদের খেলা, অনেক বড় আসর। বা ওদের খেলায় অনেক গ্লামার আছে। কিন্তু আমার কাছে মনে হয় যেকোন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে তার সেরাটা বের করে আনাটাই চ্যালেঞ্জ। সেটা ছেলে হোক বা মেয়ে। ছেলেদের সাথে যে কাজ করব না তা না। তবে এখানে খেলাটাকে উপভোগ করতে পারছি।

আই এম কোয়াইট হ্যাপি। যে আমি এখানে কাজ করতে পারছি। আমি এখানে একটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে আছি। আশা করি এটা পূরণ হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/সালি

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে পরীই প্রথম
বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে পরীই প্রথম
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
ক্যান্সার শনাক্তে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর সাফল্য
ক্যান্সার শনাক্তে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর সাফল্য
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
তামিম-সৌম্য শতকে ৩৩২ তাড়া করে জয়
তামিম-সৌম্য শতকে ৩৩২ তাড়া করে জয়
তামান্নার অন্তরঙ্গ ছবি, রয়েছে শারীরিক সম্পর্ক!
তামান্নার অন্তরঙ্গ ছবি, রয়েছে শারীরিক সম্পর্ক!
“কে ডেকেছে, চলে যান, ১টায় ছেলেকে দাফন করবো”
“কে ডেকেছে, চলে যান, ১টায় ছেলেকে দাফন করবো”
শিরোনাম :
২৫৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করছে উইন্ডিজ, ৮৩ বলে প্রয়োজন ৮৩ । উইন্ডিজ ১৭২/৫, ওভার ৩৬, সাই হোপ ৮৭* ২৫৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করছে উইন্ডিজ, ৮৩ বলে প্রয়োজন ৮৩ । উইন্ডিজ ১৭২/৫, ওভার ৩৬, সাই হোপ ৮৭* জেএসসি-জেডিসির ফল প্রকাশ ২৪ ডিসেম্বর জেএসসি-জেডিসির ফল প্রকাশ ২৪ ডিসেম্বর উপজেলা চেয়ারম্যানরা পদত্যাগ না করেও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার বিচারপতি উপজেলা চেয়ারম্যানরা পদত্যাগ না করেও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার বিচারপতি উইন্ডিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৫৫ উইন্ডিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৫৫ জাপার সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের আপিল বাতিল জাপার সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের আপিল বাতিল আইএসপিআরের নতুন পরিচালক হলেন লেফট্যানেন্ট কর্নেল মো. আবদুল্লা ইবনে জায়েদ আইএসপিআরের নতুন পরিচালক হলেন লেফট্যানেন্ট কর্নেল মো. আবদুল্লা ইবনে জায়েদ