Alexa আমদানির চালে দাম কমেছে কেজিতে পাঁচ টাকা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৭ অক্টোবর ২০১৯,   কার্তিক ২ ১৪২৬,   ১৭ সফর ১৪৪১

Akash

আমদানির চালে দাম কমেছে কেজিতে পাঁচ টাকা

 প্রকাশিত: ১৫:৫৫ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭   আপডেট: ১১:৫২ ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

কৃত্রিম সংকটে দাম বাড়ানোর অভিযোগে দেশের বিভিন্ন এলাকার চালকলগুলোতে অভিযান চালানোয় এবং ওএমএসের মাধ্যমে চাল বিক্রির কারণে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে ক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছে। পুরোপুরি ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়েছে বন্দর এলাকা। এতে গত তিন দিনের ব্যবধানে ভারত থেকে আমদানি করা চালের দাম পাইকারিতে কমেছে কেজিতে চার থেকে পাঁচ টাকা।

হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর ফলে বন্দর দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ ট্রাক চাল আমদানি হচ্ছে। চলতি মাসের ৬ তারিখ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক হাজার ১৮৮টি ট্রাকে ৪১ হাজার ৭৬০ টন চাল আমদানি হয়েছে।

বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানি করা স্বর্ণা জাতের চাল পাইকারিতে (ট্রাকসেল) বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ৪৪ টাকা থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে। দুই থেকে তিন দিন আগে এসব চাল ৪৮ টাকা থেকে ৪৯ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। আর রত্না জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকা কেজি দরে। দুই-তিন দিন আগে এসব চাল ৫২ থেকে ৫৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। আর খুচরাতে এসব চাল কেজি প্রতি ৫০ পয়সা থেকে এক টাকা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

হিলি বাজারের পাইকারি চাল বিক্রেতা পলাশ বসাক জানান, ভারত থেকে প্রচুর চাল আমদানি হলেও ক্রেতা না থাকায় দু’তিনদিনের ব্যবধানে চালের দাম কেজিতে চার থেকে পাঁচ টাকা কমেছে।

হিলি স্থলবন্দর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে চাল সরবরাহকারী আব্দুল হালিম বলেন, ‘প্রতিদিন বন্দর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঁচ থেকে সাত গাড়ি চাল পাঠানো হলেও এখন চাহিদা না থাকায় দুই থেকে তিন গাড়ি চাল পাঠাচ্ছি।’ এমন অবস্থা চলতে থাকলে চালের দাম আরও কমবে বলে তিনি জানান।

চাল আমদানিকারক হারুন উর রশীদ ও মামুনুর রশীদ জানান, সম্প্রতি চালের দামের উর্ধ্বগতি রুখতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মিলগুলোতে অভিযানের ফলে ছোট ব্যবসায়ীরা চাল কেনা থেকে বিরত রয়েছেন। ফলে বন্দরে এখন চালের ক্রেতা নেই। তাছাড়া ওএমএস এর মাধ্যমে চাল বিক্রির ফলে বন্দরে ক্রেতা কমে গেছে।

তারা দাবি করেন, প্রচুর পরিমাণে চাল আমদানি করা হলেও ক্রেতা না থাকায় বিপাকে পড়েছেন। এছাড়া বর্তমানে দেশের বাজারে চালের দাম পড়ে যাওয়ায় নতুন করে কেউ এলসি খুলছেন না। এখন বন্দর দিয়ে আগের এলসি করা চালগুলোই প্রবেশ করছে।

হিলি স্থল বন্দর পরিচালনাকারী পানামা হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেডের জনসংযোগ বিষয়ক কর্মকর্তা মো. সোহররাব হোসেন জানান, বন্দর দিয়ে নিয়মিত চাল আমদানি ও খালাস হওয়ার কারণেই সম্ভবত চালের বাজার কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। এছাড়াও দেশের বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারও (১৫ সেপ্টেম্বর) বন্দরের কার্যক্রম খোলা রাখা হয়েছিল, যা আগামী শুক্রবারও খোলা থাকবে শুধুমাত্র চাল খালাসের জন্য।

ডেইলি বাংলাদেশ/আর কে