আবারও তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসানোর অনুমতি

ঢাকা, রোববার   ১৯ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪২৬,   ১৪ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

আবারও তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসানোর অনুমতি

 প্রকাশিত: ১৪:৪৭ ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭   আপডেট: ১৬:১২ ৪ অক্টোবর ২০১৭

আবারও উচ্চ মূল্যের তেল বিদ্যুৎ? গ্রীষ্ম মৌসুমকে সামনে রেখে প্রায় ১৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য বিনা টেন্ডারে দ্রুত জ্বালানী সরবরাহ আইনে কাজ পেয়েছে ১২টি কোম্পানী।

বিদ্যুৎ ও্ জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলছেন, কয়েকটি বড়ো বিদ্যুৎ কেন্দ্র সময়মতো উৎপাদনে না আসার কারণেই আবারও তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসানোর অনুমতি দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে একজন বিশেষজ্ঞ মনে করেন, পুরনো বিদ্যুৎ কেন্দ্র মেরামত করেই এই চাহিদা মেটানো সম্ভব।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর, সংকট মোকাবেলায় দ্রুত ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়। যার বেশিরভাগই তেলভিত্তিক ছোট ছোট বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ২০১২-১৩ অর্থবছরে এসব কেন্দ্র চালু হওয়ার পর, বেশ অগ্রগতি হয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে।

তবে উচ্চমূল্যের কারণে এসব কেন্দ্র নিয়ে সমালোচনা ছিল শুরু থেকেই। সরকারি পরিকল্পনায় ২০১৫ তেই এগুলো বন্ধ করার কথা থাকলেও, কয়েক দফা বাড়ানো হয়েছে মেয়াদ। নতুন করে অনুমোদন দেয়া হয়েছে একই ধরনের আরও কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। অবশ্য এসব কেন্দ্রকে রেন্টাল বলতে নারাজ সরকার।

আগামী মার্চের মধ্যে এসব কেন্দ্র থেকে ১ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চায় সরকার। সরকারি পরিকল্পনায়, বড়ো কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এ সময়ে উৎপাদনে আসার কথা ছিল। কিন্তু রামপাল কিংবা মহেশখালী থেকে বিদ্যুৎ পেতে আরও সময় লাগবে ৫ থেকে ৬ বছর।

এ বিশেষজ্ঞের মতে, পুরনো সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সংস্কার করলেই, একই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব ছিল।

অবশ্য নতুন খবর, সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে, আরও ১ হাজার মেগাওয়াট তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসানো নিয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে দর কষাকষি শুরু করবে সরকার।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ

Best Electronics