Alexa আবহাওয়াবিদের নতুন খোঁজ, আকাশে ‘ঢেউ’ তুলছে নতুন ধরণের মেঘ!

ঢাকা, শনিবার   ২০ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৫ ১৪২৬,   ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪০

আবহাওয়াবিদের নতুন খোঁজ, আকাশে ‘ঢেউ’ তুলছে নতুন ধরণের মেঘ!

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:০২ ২২ জুন ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আকাশে মেঘ জমে, আর মেঘের খেলাও চলে পুরো আকাশ জুড়ে। যা দেখলে অন্য রকম ভালো লাগার সৃষ্টি হয়। মনের অজান্তেই কণ্ঠে গানের সুর বেজে ওঠে। আবহাওয়াবিদের খোঁজে মেলা এই মেঘ দেখলে গান নয়, মাথায় ভিড় করে আসবে একাধিক প্রশ্ন। সবার আগে যে প্রশ্নটা আসবে, তা হল আকাশটা ভেঙে মাথায় পড়বে না তো? কারণ এই ধরণের মেঘ যদি মাথার ওপরের আকাশে ঘনীভূত হয়, তাহলে চোখে পড়বে একাধিক ঢেউ এর সমষ্টি।

এই মেঘের নাম অ্যাসপিরেটাস। এই মেঘ জমাটবদ্ধ হলে, ঠিক এরকমই দেখতে লাগে সম্পূর্ণ আকাশটাকে। মনে হয় একাধিক ঢেউ যেন খেলে বেড়াচ্ছে আকাশ জুড়ে। তখন মনে হয় অনেকটা কাছে নেমে এসেছে আকাশ, হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যাবে তাকে।

এই আকাশের ছবি দেখা গেছে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ণের কাছে মার্টলফোর্ডে। পল ম্যাকুলি প্রথম দেখেন এই মেঘ। মেঘের কারণে আকাশটাকে বড় একটা পুকুর বা সমুদ্রের একটা অংশের মতো লাগছিল। যেখানে তৈরি হচ্ছে একাধিক ঢেউ। আর ঢেউগুলো আছড়ে পড়ছে একে অন্যের ঘাড়ে। তবে এই মেঘগুলো খুব দ্রুত স্থান পরিবর্তন করছিল। এ এক অনন্য নজির, যা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাসই হবে না। পরিবেশবিজ্ঞানীদের কথায় এই মেঘের নাম অ্যাসপেরিটাস ক্লাউড।

মূলত ঢেউয়ের আকারে এই মেঘের গঠন। খুব দ্রুত স্থান পরিবর্তন করা এর মূল বৈশিষ্ট্য। এই ধরণের মেঘ গত দশকে খুব বেশি দেখা না গেলেও, ২০১৭ সালের আগে এই ধরণের মেঘকে মেঘসমষ্টি হিসেবে ধরাই হত না।

এই ধরণের মেঘ সমষ্টি এখন দেখা যায় প্রায়ই। ফলে বিজ্ঞানীরা নতুন ভাবে একে নিয়ে ভাবনা চিন্তা করেছেন। ক্লাউড অ্যাপ্রিসিয়েশন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা বিজ্ঞানী গ্যাভিন প্রেটোর-পিনি প্রথম এই মেঘ নিয়ে লেখা শুরু করেন। নাম দেন অ্যাসপেরিটাস ক্লাউড। এই ধরণের মেঘ নিয়ে সচেতনতা ক্যাম্পেনও শুরু করেন তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ