Alexa আধুনিক ভারত গড়তে বিজেপির ইশতেহার

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৪ ১৪২৬,   ১৯ মুহররম ১৪৪১

Akash

ভোটের আগে গণমাধ্যমে মোদি

আধুনিক ভারত গড়তে বিজেপির ইশতেহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৪৮ ১০ এপ্রিল ২০১৯   আপডেট: ২০:৪৩ ১০ এপ্রিল ২০১৯

ছবি: নিউজ ১৮ এর সৌজন্যে

ছবি: নিউজ ১৮ এর সৌজন্যে

লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারতের সংবাদ মাধ্যম নেটওয়ার্ক ১৮ এর সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠান নিউজ ১৮ এর এডিটর ইন চিফ রাহুল যোশীকে দেয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাত্‍‌কারে মোদি কাশ্মীর ইস্যুকে বহু পুরানো  সমস্যা উল্লেখ করে জন্মলগ্ন থেকে নানা বিতর্ক আছে বলে দাবি করেন। এছাড়া নির্বাচন, ভোটে জোট, ইশতেহার, বালাকোটে এয়ার স্ট্রাইক, ভারত-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কসহ বিভিন্ন ইস্যূতে কথা বলেন নরেন্দ্র মোদি। 

নিউজ ১৮ এর সৌজন্যে মোদির সেই এক্সক্লুসিভ সাক্ষাত্‍‌কারটি তুলে ধরা হলো ডেইলি বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য। ভারতের সিনিয়র সাংবাদিক রাহুল যোশীকে দেয়া সেই সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরেছেন ডেইলি বাংলাদেশ এর বার্তা সম্পাদক কাজী লুৎফুল কবীর।

প্রশ্ন. কাশ্মীর সমস্যা কীভাবে দেখছেন?

প্রধানমন্ত্রী:  কাশ্মীরের সমস্যা বহু পুরানো। বল্লভভাই দায়িত্ব পেলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতো। কাশ্মীর সমস্যা নেহরু নিজেই মেটাতে চেয়েছিলেন। কাশ্মীরের জন্মলগ্ন থেকেই নানা বিতর্ক চলছে,  বহু সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। সরকার কাশ্মীরের জন্য অনেক করেছে। কাশ্মীর নিয়ে আগের সরকারের ব্যর্থতা প্রচুর। লাদাখ বা জম্মুতে কোনো সমস্যা নেই। শুধু উপত্যকার কয়েকটি জেলাতে সমস্যা। কাশ্মীরে চাকরি ও বিনিয়োগ দরকার। ৩৭০ ধারা সেই উন্নয়নের পথে বাধা। কাশ্মীরে আগ্রহ দেখান না বিনিয়োগকারীরা, নেহরুর নীতি এখন বাধা।

প্রশ্ন. AFSPA নিয়ে আপনার কী ভাবনা?

প্রধানমন্ত্রী: এমন একটা পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে AFSPA-র কোনো প্রয়োজন নেই। যা আমরা অরুণাচল প্রদেশে করেছিলাম। কিছু জেলা থেকে আমরা সরিয়েছিলাম। তারপর বেশ কয়েকটি রাজ্য থেকেও সরিয়েছিলাম। আমরাই ১৯৮০ সালে প্রথম এধরণের পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা হয়েছিল। নিজেদের সেনাকে সুরক্ষা দেয়ার দায়িত্ব সরকারের। তাহলেই লড়াই করার মতো মানসিক অবস্থা তাদের থাকবে। জম্মু-কাশ্মীর থেকে AFSPA সরানো মানে, সেনাদের ফাঁসিতে ঝোলানো। এটা কখনই হতে দেব না।

প্রশ্ন. পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়তে হামলার পর কী পরিকল্পনা ছিল? 

প্রধানমন্ত্রী: প্রথমদিনই বলেছিলাম, পাকিস্তান এবং সন্ত্রাসবাদীরা অনেক বড় ভুল করেছে। সেদিন আপনি আমার শরীরি ভাষা দেখেই বুঝতে পেরেছিলেন, আমি কেমন অনুভব করছিলাম। আমি কখনো কোনো শর্ট-কাট নিই না। তড়িঘড়ি কোনো সিদ্ধান্ত নিই না। সময় নিয়ে সেনা অফিসারদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পর বালাকোটে হামলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পুলওয়ামা জঙ্গি হামলায় কারা জড়িত ভারতীয় সেনারা আগেই খুঁজে বের করেছিল। যেটা অবশ্যই একটা বড় কীর্তি। কিন্তু তাতে সন্তুষ্ট হইনি। আমরা যদি সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘরে হামলা না করতাম, তাহলে ওদের উচিত শিক্ষা দেয়া যেত না। মনে করুন ২৬/১১-এ সংসদে জঙ্গি হামলা। পাকিস্তান ভেবেই নিয়েছিল, আমরা হয়তো আগের মতোই কিছু করব না এবারও। কিন্তু আমরা ভাবলাম আর নয়, এরপরই উরি হামলার বদলা হিসেবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে যাই।

প্রশ্ন. প্রথমে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, তারপর বালাকোটে এয়ার স্ট্রাইক। এরপরও লস্কর ও জইশরা কাশ্মীরে হামলা অব্যাহত রেখেছে, ভবিষ্যতের জন্য তাহলে কী প্ল্যান ?

প্রধানমন্ত্রী: প্রথমত এটা মানতেই হবে যে পুলওয়ামাকে বাদ দিলে সন্ত্রাসী হামলা অনেকাংশেই কমেছে। এখন সেনার সঙ্গেই বেশি জঙ্গি সংঘর্ষ সীমাবদ্ধ থাকছে। সন্ত্রাসবাদীদের উপর হামলা বজায় রেখে তাদের ব্যস্ত রাখছে সেনাই। আর এসব ঘটনাই ঘটছে বিজেপির সরকার ক্ষমতায় আসার পর।

প্রশ্ন. এয়ারস্ট্রাইক নিয়ে বিরোধীদের প্রমাণ দেবেন ?

প্রধানমন্ত্রী: সংকটের সময় প্রমাণ চাইছে বিরোধীরা। বিরোধীদের ভূমিকা দায়িত্বজ্ঞানহীন। তাদের ভাষা শত্রুদের মনোবল জোগাচ্ছে। এর আগেও অনেক যুদ্ধ হয়েছে। সেসময় কি কেউ এমন মন্তব্য করেছে ? কংগ্রেস ক্ষমতা পেতে মরিয়া। ক্ষমতার লোভে নিচে নেমেছে তারা। পাকিস্তান নিজেই যথেষ্ট প্রমাণ দিয়েছে। ভোর পাঁচটায় উঠে ট্যুইট কেন?

প্রশ্ন. পাকিস্তানের তরফ থেকে কী আশা করেন ?

প্রধানমন্ত্রী: পাকিস্তানের বিশ্বাসযোগ্যতাই নেই। বিরোধীরা পাকিস্তানের ভাষা বলছে। ভোট আর এয়ারস্ট্রাইক মেলানো ভুল।

প্রশ্ন. চীনের সঙ্গে কি আলোচনা প্রয়োজন ?

প্রধানমন্ত্রী: ভারত-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, দু’দেশেই উভয়ের বিনিয়োগ আছে। তা সত্ত্বেও দু’দেশের মধ্যে সীমান্ত সমস্যা রয়েছে। দু’দেশের মধ্যে নানা মতপার্থক্য আছে। কিন্তু, মতপার্থক্য যেন বিদ্বেষ না হয়। প্রত্যেক দেশ নিজস্বভাবে সিদ্ধান্ত নেয়। কিছু ক্ষেত্রে আমরা প্যালেস্টাইনের পাশে, কিছু ক্ষেত্রে ইজরায়েলেরও পাশে আছি। কখনো ইরানকেও সমর্থন। কখনও বা আরব দেশগুলিকে সমর্থন করি। একসময় শুধু রুশ সাহায্য পেত ভারত, বাকি দেশগুলো ছিল পাকিস্তানের পাশে। এখন পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। এখন কেবল চীনই ভারতের পাশে, বাকিরা ভারতকে সমর্থন দেয়।

প্রশ্ন. মাসুদ আজহার নিয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনা ?

প্রধানমন্ত্রী: চীনের সঙ্গে সব বৈঠকে নানা বিষয়ে কথা হয়েছে , মাসুদ আজহার নিয়েও আগে আলোচনা হয়েছে।

প্রশ্ন. চীনা পণ্য কি বয়কট করা উচিত ?

প্রধানমন্ত্রী: বিশ্বায়নের যুগে সব দেশই পরস্পর যুক্ত। আমরা ডব্লিউ টি ও-তে সই করেছি। ভারত সেই আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলে। মানুষ চীনের পণ্য বয়কট করতে পারে। 

প্রশ্ন. লোকসভাকে সামনে রেখে বিজেপি ৮ এপ্রিল ইশতেহার প্রকাশ করেছে। প্রশ্ন হলো- ইশতেহারের গুরুত্বপূ্র্ণ বিষয় কোনগুলো ?

প্রধানমন্ত্রী: দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের এটা অত্যন্ত পরিণত ইশতেহার। যার দায়িত্ব হল দেশের জন্য কাজ চালিয়ে যাওয়া। প্রথমবারের মতো এমন কোনো ইশতেহার প্রকাশ করেছি, যা ২০২২ এবং ২০২৪ দু’বছরের রোডম্যাপ। এর অর্থ হল সরকারের কাজ শুধুমাত্র পাঁচ বছরেই শেষ হয় না। কোনো রাজনৈতিক দল এ কাজ আগে কখনো করেনি। ২০২২-এর মধ্যে যে বিষয়গুলি অর্জন করতে চাই, সেই ৭৫টি পদক্ষেপের কথাই উল্লেখ করা হয়েছে ইশতেহারে। ওই বছরই ভারত স্বাধীনের ৭৫ বছর পূর্তি হবে। দ্বিতীয়ত, ২০৪৭-এ দেশের স্বাধীনতার যখন ১০০ বছর পূর্তি হবে, তখন দেশের কোন জায়গায় থাকা উচিত। তার শিলান্যাসের কাজ ২০২৪-এর শেষেই করে ফেলব ৷ এর পাশাপাশি কালো টাকা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কীভাবে লড়াই করতে হবে, তার কথাও উল্লেখ রয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক সব বিষয়গুলোই আলোচনা করা হয়েছে। গরীব মানুষ কীভাবে ন্যায় পাবেন। অনগ্রসর শ্রেণী ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের উন্নয়নের কথাও উল্লেখ আছে। ওদের উন্নয়নে কোনো সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়নি। নারী, তরুণ এবং বয়স্ক নাগরিকদের জন্য কী করা উচিত? গ্রামের মানুষ ও কৃষকদের উন্নয়ন এবং কীভাবে আধুনিক ভারত গড়া হবে, সেসব কিছুই উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রশ্ন. কোন ক্ষেত্রে বিজেপির ইশতেহার বাকীদের চেয়ে আলাদা? বিশেষ করে কংগ্রেসের সঙ্গে যদি তুলনা করা হয় ?

প্রধানমন্ত্রী: নামটাই তো আলাদা। বাকীদেরটা হল ঘোষণাপত্র, আর বিজেপির সঙ্কল্প। বুদ্ধিজীবী মানুষ দু’দলের ইশতেহার তুলনা করুক। বিজেপির ইশতেহার ট্র্যাক রেকর্ডকে বিচার করেই দেখা উচিত। অন্যদিকে কংগ্রেসেরটা বিচার করা উচিত ওদের ট্র্যাক রেকর্ড মাথায় রেখেই। দেখবেন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিশাল পার্থক্য। বিজেপি সন্ত্রাসবাদ মুক্ত দেশ গড়ার কাজে নেমেছে। সন্ত্রাসবাদীরা হতাশ হয়ে পড়েছে। মানসিক যুদ্ধেও ওদেরকে হারিয়েছি। এ ধরণের কাজে সমর্থন না দিয়ে সন্ত্রাসবাদে কোনো পদক্ষেপই নিচ্ছে না কংগ্রেস। ওদের দেশের সেনার প্রতি মনোভাব পাকিস্তানের যেমন, ঠিক তেমনই। কোনো দেশপ্রেমিক এ ধরণের ভাষা মেনে নিতে পারেন না। ওদের ইশতেহারে AFSPA (Armed Forces Special Powers Act) তুলে দেয়ার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ সেনাদের হাত থেকে অস্ত্র কেড়ে নিতে চায় ওরা। এটা কি ঠিক? দেশের সেনা ইউনাইটেড নেশনসের শান্তি প্রক্রিয়া বজায় রাখতে কাজ করছে। ইউএন-এর শান্তি মিশনে সবচেয়ে বেশি সেনা পাঠাই। দেশের প্রতি ভারতীয় সেনার যে অবদান। তার প্রশংসা করতেই হবে।

প্রশ্ন. পিডিপির সঙ্গে জোট কি ভুল ছিল ?

প্রধানমন্ত্রী: পিডিপির সঙ্গে জোট একটা পরীক্ষা। কেউ একা সরকার গড়তে পারত না। ভেবেছিলাম পিডিপি ও এনসি জোট করবে। কিন্তু, তারা একে অপরের চোখের বালি। আমরা ২-৩ মাস পর আলোচনা করি। জানতাম, আদর্শে খাপ খায় না। জোটে অনিচ্ছা ছিল মেহবুবা মুফতির। তারপরই রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়। পঞ্চায়েত ভোটে পশ্চিমবঙ্গে অশান্তি চলেছে। কিন্তু, শান্ত ছিল জম্মু-কাশ্মীর। সংবাদমাধ্যম কাশ্মীরে শুধু জঙ্গিহানা দেখে, কিন্তু, সেখানে বহু উন্নয়ন হয়েছে।

প্রশ্ন. ৩৭০ ও ৩৫-এ ধারা নিয়ে আপনার কী মত ?

প্রধানমন্ত্রী: কাশ্মীরে সমস্যা ৫০ পরিবারের কারণে। তারা ঘোলা জলে মাছ ধরছে। তারা চায় না, সাধারণ কাশ্মীরিরা সুবিধা পাক। সাধারণ মানুষকে তারা ব্যবহার করে। আইটি হানায় তাদের অনেকে জালে আটকা পড়েছে। পাথরবাজদের অর্থ যোগায় পাকিস্তান। জনসাধারণ এদের থেকেই স্বাধীনতা চায়। জনসাধারণের আবেগ নিয়ে ৫০ বছর ধরে খেলছে ওই পরিবারগুলো ৷

প্রশ্ন. জাতীয়তাবাদই কি এখন প্রধান অস্ত্র ?

প্রধানমন্ত্রী: ভারতমাতার জয়গান করছি। কিন্তু, দেশ যন্ত্রণায় কাঁদছে। তবে কি আমার জাতীয়তাবোধ সঙ্গত ? স্বচ্ছ ভারতও জাতীয়তাবাদ। গরিবদের পাকা ছাদ জাতীয়তাবাদ। দারিদ্র্য দূরীকরণও জাতীয়তাবাদ। আয়ুষ্মান ভারতে ৫ লাখ টাকা স্বাস্থ্যবিমা, মানুষকে বঞ্চিত করে জাতীয়তাবাদ হয় ? কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো জাতীয়তাবাদ। সেনার আধুনিকীকরণও জাতীয়তাবাদ। জাতীয়তাবাদের সংজ্ঞা বহুমুখী। দেশবাসীকে সুবিধা দেয়াই জাতীয়তাবাদ।

প্রশ্ন. জাতীয়তাবাদ ছাড়া আর কোনো বিষয়ে নজর আছে কী?

প্রধানমন্ত্রী: উন্নয়ন আমাদের প্রথম লক্ষ্য। বহু মানুষ বুনিয়াদি সুবিধা পান না। আমরা চাই প্রত্যেকে সম্মানের সঙ্গে বাঁচুক। মধ্যবিত্তরা দেশের বড় শক্তি। তারা আইনকে সম্মান করে। নিয়মিত কর দেয়। কংগ্রেস মধ্যবিত্তদের অপমান করেছে। কৃষকদের দ্বিগুণ আয়ের আশ্বাস দেয়া হয়েছে। ৬০ বছর পর কৃষকদের সুনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য পেনশনের ব্যবস্থা। ১০০ লাখ কোটি বিনিয়োগের আশ্বাস রয়েছে। বিনিয়োগে প্রচুর কর্মসংস্থান হবে। বাস্তব ভিত্তিতেই বিজেপির ইশতেহার তৈরি হয়েছে। হেডলাইন হওয়ার জন্য ইশতেহার করা হয়নি ৷


প্রশ্ন. রাফাল দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী ?

প্রধানমন্ত্রী: রাফাল নিয়ে একজন লাগাতার মিথ্যে বলছেন। সুপ্রিম কোর্ট, ক্যাগ ছাড় দিয়েছেন। বফর্স নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন তোলেন কিন্তু, একজনই রাফাল নিয়ে বলছেন। মিথ্যে কথা কতদিন টিকবে ?  জনসমক্ষে তারা প্রমাণ করতে পারছেন না ৷ ফলে রাফাল অভিযোগও খাটছে না। দেশের মানুষ মিথ্যে বিশ্বাস করবে না। গত ভোটেও নিজেকে চৌকিদার বলেছিলাম, এবারও বলছি। আমরা সততার সঙ্গে সরকার চালাচ্ছি।

প্রশ্ন. কংগ্রেসের ‘ন্যায়’ সম্পর্কে আপনার মত কী ?

প্রধানমন্ত্রী: কংগ্রেস বলছে, অব হোগা ন্যায়। তারা ৬০ বছরের ব্যর্থতা তাহলে মানছে ? ১৯৮৪-র হিংসা নিয়ে তাদের মত কি ? ৩ রাজ্যে কৃষিঋণ মওকুফ কি মত ? ভোপাল দুর্ঘটনার নায়ক পালাল কী করে ? মিথ্যা অভিযোগে জেলে ইসরোর বিজ্ঞানী। কংগ্রেস আমলে জেলে গিয়েছেন নির্দোষরা। তারা আবার ন্যায় বিচারের কথা বলেন। তারাই প্রথম হিন্দু সন্ত্রাসবাদের কথা বলে। নরসিমা রাও বিচার চাইছেন। পার্টি অফিসে তার দেহ ঢুকতে বাধা। নেতাজি, আম্বেদকর, সর্দার প্যাটেল বিচার চান। কেন তাদের অবদান ভুলে যাওয়া হল ?

ডেইলি বাংলাদেশ/এলকে