আদালতে আসিফ, রিমান্ডে নেয়ার আবেদন নাকচ

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৩ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ৮ ১৪২৬,   ১৭ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

আদালতে আসিফ, রিমান্ডে নেয়ার আবেদন নাকচ

 প্রকাশিত: ১৪:৫৩ ৬ জুন ২০১৮   আপডেট: ১৪:৫৪ ৬ জুন ২০১৮

আসিফ

আসিফ

বাংলা গানের যুবরাজ খ্যাত কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে, বুধবার বেলা দুইটার দিকে তাকে আদালতে তোলা হয়েছে। ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম কেশব রায় চৌধুরীর আদালতে রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

জানা গেছে, এরই মধ্যে এই শিল্পীকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। এর আগে আদালতে আসিফ আকবরকে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির উপপরিদর্শক (এসআই) প্রলয় রায়।

এর আগে, আসিফ প্রসঙ্গে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএস) মোল্যা নজরুল ইসলাম ডেইলি বাংলাদেশকে জানিয়েছেন, আসিফ আকবরকে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এতে এক পর্যায়ে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্বীকার করেছেন।

মোল্যা নজরুল ইসলাম আরো বলেন, আজ তাকে আদালতে হাজির করা হবে। তার বিরুদ্ধে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন চাইবেন তারা। 

এদিকে, রিমান্ডের আবেদনে প্রলয় রায় জানান, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। মামলার ঘটনার মূল রহস্য উন্মোচন এবং এ ঘটনার মূল হোতাকে খুঁজে বের করার জন্য আসামি আসিফকে রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

পাশাপাশি সহযোগীদের নাম ও ঠিকানা জোগাড় করার জন্য আসিফকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। এ ছাড়া এই কাজে ব্যবহার করা ইলেকট্রনিকস ডিভাইসের পরিচিতি এবং আসিফের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানার জন্য আসিফকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসা করা প্রয়োজন।

এদিকে, এই শিল্পীকে আজ বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে আদালতে আনা হয়। তাকে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে গীতিকার, সুরকার ও গায়ক শফিক তুহিনের করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল আসিফকে মগবাজারে তার অফিস থেকে গ্রেপ্তার করে।

এর আগে, সোমবার সন্ধ্যায় শফিক তুহিন মামলাটি করেন। মামলায় আসিফ ছাড়া আরও চার-পাঁচজন অজ্ঞাতনামা আসামি রয়েছেন। তাছাড়া মঙ্গলবার রাতে তল্লাশির সময় আসিফ আকবরের স্টুডিওতে এক বোতল টাকিলা আর এক কেস হেনিকেন বিয়ার পাওয়া যায়।

তবে এই বিষয়ে আসিফ তার মদ্যপানের লাইসেন্স আছে বলে জানান। তিনি কর্মকর্তাদের এ-সংক্রান্ত লাইসেন্সের একটি কপিও দেখান। সিআইডির কর্মকর্তারা লাইসেন্সটি যাচাই করার জন্য একটি কপি নিয়েও গেছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআই

Best Electronics