Alexa আদমদীঘিতে ৩ বোন আক্রান্ত থ্যালাসিমিয়ায়

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৭ ১৪২৬,   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

আদমদীঘিতে ৩ বোন আক্রান্ত থ্যালাসিমিয়ায়

 প্রকাশিত: ২১:২৮ ২৭ আগস্ট ২০১৮   আপডেট: ২১:২৮ ২৭ আগস্ট ২০১৮

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

বগুড়ার আদমদীঘিতে দরিদ্র একটি পরিবারের তিন বোন থ্যালাসিমিয়া রোগে আক্রান্ত হয়েছে। অসুস্থ তিন মেয়েকে বাঁচাতে অর্থের অভাবে চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে দরিদ্র পিতামাতা হিমশিম খাচ্ছেন।

এ পরিস্থিতিতে দেশের প্রধানমন্ত্রীসহ সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন তারা।  বর্তমানে উপজেলা সমাজসেবা অফিস থেকে সামান্য সহযোগিতা পেলেও আরো অর্থের অভাবে তিন মেয়ের পর্যাপ্ত রক্তদানসহ সুচিকিৎসা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

আদমদীঘির চাঁপাপুর বাজারের বাইসাইকেল মিস্ত্রি গোলাম মোস্তফার সংসারে স্ত্রী ও তিন মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে তানিয়া সুলতানা বিথী। দুপচাঁচিয়া মহিলা কলেজে রাষ্ট্র বিজ্ঞানের বিএ ক্লাশের ছাত্রী। মেজো মেয়ে নাদিয়া সুলতানা দিথী চাঁপাপুর জালাল উদ্দিন আহমেদ কলেজের দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছে। ছোট মেয়ে সামিয়া সুলতানা চৈতি কাঞ্চনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে৭ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশুনা করে।

এ তিন মেয়ে ছোট বেলা থেকে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়। চিকিৎসক জানায়, গোলাম মোস্তফা এবং তার স্ত্রীর শরীরে রক্তের একই গ্রুপ ‘ও’ পজেটিভ হওয়ার কারণে তার তিন মেয়েই থ্যালাসিমিয়া ও রক্তশূণ্যতা রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকের পরামর্শে প্রতি মাসেই তিন মেয়ের শরীরে রক্ত দিতে হয়। দরিদ্র গোলাম মোস্তফা তার সহায়-সম্বল বিক্রি ও বিভিন্নভাবে ধার কর্য করে এ পর্যন্ত মেয়েদের শরীরে প্রতিমাসে রক্ত কিনে দিয়ে কোন রকমে বাঁচিয়ে রেখেছেন।

মেয়েদের বাবা গোলাম মোস্তফা বিয়ের আগে প্রতিটি ছেলে ও মেয়ের রক্ত পরীক্ষা করে নেয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, থ্যালাসিমিয়ায় আক্রান্ত দুই মেয়েকে চাকরির ব্যবস্থা করে দেয়া হলে চিকিৎসা করানো অনেকটা সহজ হতো। 

কেউ আর্থিক সহযোগিতা করতে চাইলে- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, চাঁপাপুর শাখা, সঞ্চয়ী হিসাব নং ৩৪৯১-এ সাহায্য পাঠানোর অনুরোধ করেছেন। প্রয়োজনে ০১৭৩৭-২১১৬১২ ও ০৭৭২-৮৯৭০৫৭ নম্বর মোবাইলে যোগাযোগ করারও অনুরোধ করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/ইএ/জেডআর/এমআরকে