আট বছরেই দক্ষ রাঁধুনি, মোটা অর্থে বিক্রি হচ্ছে তার হাতের রান্না

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৪ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ৩০ ১৪২৭,   ২২ জ্বিলকদ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

আট বছরেই দক্ষ রাঁধুনি, মোটা অর্থে বিক্রি হচ্ছে তার হাতের রান্না

ফিচার ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:০৮ ২ জুন ২০২০  

ছবি: খুদে রাঁধুনি মোই

ছবি: খুদে রাঁধুনি মোই

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিশ্বের প্রায় সব দেশ এখনো লকডাউনে আছে। লকডাউনে থেকে অনেকেই অবসর সময়কে কাজে লাগাচ্ছেন বিভিন্নভাবে। কেউ ছবি আঁকা, কেউ বই পড়া কেউবা দীর্ঘদিনের শখের বাগান করে ফেলেছেন। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে ফিরছে এক খুদে রাঁধুনির ছবি। 

মাত্র আট বছর বয়স এই খুদে রাঁধুনির। এরই মধ্যে হয়ে উঠেছে একেবারে পাকা রাঁধুনি। তার হাতের জাদুতে মুগ্ধ আট থেকে আশি সবাই। মোই মিন্ট মে থু আট বছরের এই রাঁধুনি মিয়ানমারের বাসিন্দা। শুধু পরিবারের জন্যই সে রাঁধছে না, বেশ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে তার বানানো সুস্বাদু পদগুলো। 

করোনা মোকাবিলায় মিয়ানমারবাসীকে এখনো গৃহবন্দি থাকারই নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। তাই লেখাপড়ার ফাঁকে মাঝে মধ্যেই রান্নাঘরে ঢুকে পড়ে মোই। মায়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নানা ধরনের খাবার বানাতে সেও পছন্দ করে।

মায়ের সঙ্গে রান্নায় ব্যস্ত মেয়েগত এপ্রিলে মেয়ের এই কীর্তির একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন মোইয়ের মা। যেখানে দেখা যায়, স্পাইসি ফ্রায়েড প্রন বানাচ্ছে ছোট্ট মোই। ব্যস, মুহূর্তে নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় শিশুটির ভিডিও। মা ও মেয়েকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন নেটিজেনরা। রাতারাতি স্টার শেফ হয়ে ওঠে মোই। আরো রান্নার ভিডিও দেখার আবদার আসতে থাকে। 

নেটদুনিয়ার বাসিন্দাদের নিরাশ করেননি মোইয়ের মা হানি চো। মেয়ের নানা রেসিপির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন তিনি। ক্যাটফিশের স্যুপ থেকে ফ্রায়েড ফ্রগ এই খুদে পারে না, এমন পদ নেই। রীতিমতো দক্ষ হাতে খুন্তি নাড়ায় সে। 

মেয়েকে আদর করছে মাশুধু দেখতেই নয়, তার রান্না করা পদ খেতেও সুস্বাদু। তার প্রমাণ মিলছে বিক্রির প্রসার আর ক্রেতার চাহিদা দেখেই। বেশ চড়া দামে খুদের তৈরি খাবার কিনছেন ভোজনরসিকরা। মোইয়ের হাতে ১৫ রকম ডিশ খাওয়ার অপেক্ষায় থাকেন তারা। 

যার মধ্যে রয়েছে টম্যাটো ফিশ পেস্ট কারি, পর্ক স্টু ইত্যাদি। অর্ডার দিলেই গালভরা নামের সুস্বাদু খাবার পৌঁছে যায় ক্রেতার ঠিকানায়। এক-একটি ডিশের দাম সাত দশমিক ২০ ডলার। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৫০০ টাকা। মেয়ের দৌলতে লকডাউনে বেশ ফুলে-ফেঁপে উঠেছে পরিবারের এই ব্যবসা। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় রাতারাতি স্টার হয়ে ওঠা মোই বলছে, তার রান্না করতে খুব ভালো লাগে। লকডাউনে মায়ের সঙ্গে খাবার বানাতে বেশ মজা লাগে তার। মোই জানায়, বড় হয়ে নামী শেফ হতে চায় সে।

সূত্র: এনডিটিভি

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস