আটলান্টিক মহাসাগরের নিচে ‘বুমেরাং’ ভূমিকম্প!
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=199536 LIMIT 1

ঢাকা, শুক্রবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৩ ১৪২৭,   ২৯ মুহররম ১৪৪২

Beximco LPG Gas

আটলান্টিক মহাসাগরের নিচে ‘বুমেরাং’ ভূমিকম্প!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৪৬ ১৩ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ২০:১৬ ১৩ আগস্ট ২০২০

দ্য রোমানচে ফাটল অঞ্চল। ছবি: সিএনএন।

দ্য রোমানচে ফাটল অঞ্চল। ছবি: সিএনএন।

আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে একবার নয়, দুইবার ভূমিকম্প আঘাতের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। চার বছর আগে সেখানকার এক ভূমিকম্প গবেষণা করে দুই বার ভূমিকম্প চিহ্নিত করেন তারা। আর বিরল ভূমিকম্পটির নামকরণ হয়েছে বুমেরাং ভূমিকম্প।

২০১৬ সালের ২৯ আগস্ট আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে ৭ দশমিক ১ মাত্রার একটি বুমেরাং ভূমিকম্প রেকর্ড করে লন্ডনের সাদাম্পটন ইউনিভার্সিটি ওইম্পেরিয়াল কলেজের বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি গবেষণাটি নেচার জিওসায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

বুমেরাং হলো এক খণ্ড বাঁকানো কাঠ। এমন কাঠ অস্ত্র বা খেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। পৃথিবীর নানা এলাকায় বিভিন্ন আকৃতির বুমেরাং দেখা যায়। তবে ‘প্রত্যাবর্তনক্ষম বুমেরাং’ নামে বেশ পরিচিতি রয়েছে। বুমেরাং সঠিক পদ্ধতিতে নিক্ষেপ করলে উপবৃত্তাকার পথে প্রদক্ষিণ করে নিক্ষেপকারীর কাছে আবার ফিরে আসে।  

তেমনি বুমেরাং ভূমিকম্প যে গতির তরঙ্গে আসে, তার চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত গতির তরঙ্গে উৎসমুখে ফিরে যায়। ফলে বিশাল ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।

২০১৬ সালের ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পটি পানির নিচে হয়। এতে প্রতিক্রিয়া ঠিক মতো বোঝা যায়নি। তবে মাটিতে এ ধরনের ভূমিকম্প হলে ভূপৃষ্ঠ মারাত্মকভাবে কেঁপে উঠবে। অনেক বেশি ক্ষতির সম্ভাবনাও রয়েছে।

আটলান্টিকের নিচে ওই ভূমিকম্প সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ কবতে পানির নিচে সিসমোমিটার ব্যবহার করেন বিজ্ঞানীরা।

প্রধান গবেষক স্টিফেন হিকস বিভিন্ন টুইটে বলেন, বিচ্যুতির কারণে প্রথম যে ধাক্কা আসবে, তা প্রথমে পূর্বদিকে যেতে পারে। তারপর আবারো ঘুরে এসে উৎসের মধ্য দিয়ে পশ্চিম দিকে যাবে। বুমেরাং নামের অস্ত্রটিও ছুড়ে দিলে অভীষ্ট স্থানে গিয়ে ফের উৎসে ফিরে আসে।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন, আরো কয়েকটি বুমেরাং ভূমিকম্পের সন্ধান পেলে ভালো হয়। এ সম্পর্কিত গবেষণাও সমৃদ্ধ হবে। এমনকি ভবিষ্যৎ ভূমিকম্প সম্পর্কে পূর্বাভাস দেয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

সূত্র- সিএনএন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ