Alexa আখাউড়ায় বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁজ!

ঢাকা, শুক্রবার   ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২২ ১৪২৬,   ০৯ রবিউস সানি ১৪৪১

আখাউড়ায় বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁজ!

কাজী মফিকুল ইসলাম, আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:২৯ ১৫ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৫:০২ ১৫ নভেম্বর ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার বাজারে বেড়েই চলেছে পেঁয়াজের ঝাঁজ। খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়ায় অস্বস্তিতে পড়েছে ক্রেতারা। তারা অসাধু ব্যবসায়ীদের দোষারোপ করছে। তবে পেঁয়াজ সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে বলে জানান বিক্রেতারা। 

এক সপ্তাহ আগে পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে খুচরা ব্যবসায়ীরা প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ ১১৫ থেকে ১২০ টাকা ও ভারতীয় পেয়াজ ১১০ থেকে ১১৫ বিক্রি হয়। কিন্ত তিন দিন ধরে প্রতি কেজিতে ৭০ থেকে ৮০ টাকা বেড়েছে।

পৌর শহরের মসজিদ পাড়ার এরশাদুল ইসলাম, মো. জামশেদ মিয়া বলেন, মাস জুড়েই পেঁয়াজের দাম বেড়েই চলেছে। প্রতিটি পরিবারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে পেঁয়াজের ব্যবহার রয়েছে। কিন্তু দাম বাড়ায় এক প্রকার অস্বস্তিতে রয়েছি। 

তিনি আরো বলেন, এখন ২৫০ গ্রাম পেঁয়াজ কেনা কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেশি পেঁয়াজ কিনলে বাকি বাজার কেনা সম্ভব হবে না। 

মো. সাদ্দাম হোসেন বলেন, পেঁয়াজের দাম বাড়ায় এখন ২৫০ গ্রামের বেশি পেঁয়াজ কেনা হয় না। সীমিত আয়ের সংসারে দৈনন্দিন বাজার করা খুবই কষ্টকর হয়ে উঠেছে।
  
তিনি আরো বলেন, সারাদেশে বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। এখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। 

সড়ক বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী মো. সোহাগ বলেন, এক মাসের বেশি সময় ধরে বেশি দামে পেঁয়াজ কিনে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে হচ্ছে। এমনিতেই পেঁয়াজ অনেক দাম, তারপরও বস্তা প্রতি তিন থেকে চার কেজি পেঁয়াজ নষ্ট হচ্ছে। বাজারে পেঁয়াজ বিক্রিতে খুবই সমস্যায় রয়েছি। এখন প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

পৌর শহরের সড়ক বাজারের ব্যবসায়ী মো. লিয়াকত হোসেন বলেন, পেয়াঁজের আমদানি কম থাকা ও ভারত থেকে পেঁয়াজের আমদানি বন্ধ থকায় অতিরিক্ত দামে পেঁয়াজ কিনতে হচ্চে। তাই বিক্রিও বেশি দামে করতে হচ্ছে। তবে পেঁয়াজ সরবরাহ করলে দাম কমে আসবে।

আখাউড়ার ইউএনও তাহমিনা আক্তার রেইনা বলেন, পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ