Alexa আখাউড়ায় দুই দিনে বন্ধ ৪ বাল্যবিয়ে

ঢাকা, সোমবার   ২৬ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ১১ ১৪২৬,   ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

আখাউড়ায় দুই দিনে বন্ধ ৪ বাল্যবিয়ে

আখাউড়া (ব্রাক্ষণবাড়িয়া) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৫০ ২০ জুলাই ২০১৯  

ডেইলি বাংলাদেশ

ডেইলি বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ২ দিনে চারটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এরমধ্যে উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নে ২টি, মোগড়ায় ১টি ও পৌর শহরে ১টি রয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট একেএম শরীফুল হক পৃথক স্থানে বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে চার বিয়ে বন্ধ করেন। এতে রক্ষা পেল ৪ স্কুল ও মাদরাসার ছাত্রী।

শনিবার উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নে ফজলুল রহমানে মেয়ে টনকি ইসলামী আলিয়া মাদরাসার দাখিল ৯ম শেণির ছাত্রীর সঙ্গে একই ইউনিয়নের বর মো. হাবিবুর রহমানের ছেলের সঙ্গে বিয়ের দিন ঠিক হয়। এদিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলে এসময় হঠাৎ করে বিয়ে বাড়িতে হাজির হন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি কেএম শরীফুল হক। কিন্তু কনের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়ায় তিনি বিয়ে ভেঙে দেন। পরে কনে ও বরের অভিভবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

এরআগে শুক্রবার পৌর এলাকার লাল বাজার রেলগেইটের বাসিন্দা মো. আবু মিয়ার মেয়ে দেবগ্রাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে উপজেলার বিজয়নগরের বরের সঙ্গে শুক্রবার বিয়ের দিন ধার্য করা হয়। অনুষ্ঠান ও চলছিল ঠিকঠাক ভাবে। এসময় হঠাৎ করে বিয়ে বাড়িতে হাজির হন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি কেএম শরীফুল হক। কিন্তু কনের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়ায় তিনি বিয়ে ভেঙে দেন। পরে কনে ও বরের অভিভবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।  

এদিকে উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নে সহিদ মিয়ার সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ের সঙ্গে কসবা উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের এক বরের সঙ্গে শুক্রবার বিয়ের দিন ঠিক হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলে এসময় হঠাৎ করে বিয়ে বাড়িতে হাজির হন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি কেএম শরীফুল হক। কিন্তু কনের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়ায় তিনি বিয়ে ভেঙে দেন। পরে কনে ও বরের অভিভবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। অন্যদিকে মোগড়া ইউনিয়নের খলাপাড়া গ্রামে মুন্সিবাড়ির মুসলেম মিয়ার ৬ষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ের সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক বরের বিয়ে ঠিক করা হয়েছিল। বিয়ের সব কার্যক্রম প্রায় শেষ করার পথে।

এসময় হঠাৎ করে বিয়ে বাড়িতে হাজির হন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কেএম শরীফুল হক। কিন্তু কনের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়ায় তিনি বিয়ে ভেঙে দেন। পরে কনে ও বরের অভিভবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। পরে বিয়ের অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় সুন্নতে খৎনায়। বিয়ের জন্য আয়োজন করা খাবার আগত অতিথিদেরকে খাওয়ানো হয় সুন্নতে খৎনা অনুষ্ঠানের খাবার হিসেবে।  

ভারপ্রাপ্ত ইউএনও শরীফুল হক জানান, বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যধি। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে প্রশাসন সজাগ রয়েছে। এতে সবার সহযোগিতা করা প্রয়োজন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম

Best Electronics
Best Electronics