Exim Bank Ltd.
ঢাকা, রবিবার ২২ জুলাই, ২০১৮, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫

অস্থিরতায় বড় দুই দল

সুজন সেন, শেরপুরডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চলছে একাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দল গোছাতে ব্যস্ত প্রার্থীরা।

শেরপুর-১ আসনের চিত্র ভিন্ন। নির্বাচন ঘিরেই অস্থির হয়ে পড়েছে বড় দুই দলের নেতাকর্মীরা। নির্বাচন এবং দলে প্রভাব বিস্তার নিয়ে শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগে বিরাজ করছে অস্থিরতা। কে কাকে টেক্কা দেবে, কার খুঁটির জোর কতো, কে ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করবেন এসব নিয়ে দলের ভেতর নেতাদের মধ্যে অসহিষ্ণুতা চলছে। ফলে বহু ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে দলটি। এখন কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে নেতারা ভাগ হয়ে একই নামে দুটি অফিস খুলে সভা সমাবেশ করে একে অন্যের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছেন।

অন্যদিকে বিএনপি সাংগঠনিকভাবে পিছিয়ে আছে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে ব্যর্থতার কারণে। সাংগঠনিক কার্যক্রমও চলছে ঢিমে তালে। ফলে বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে দলটিতে। আর মহাজোটের রাজনীতির হিসাব-নিকাশ মাথায় রেখে নির্বাচনী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয় পার্টির নেতারা এক ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। আর বামপন্থী ও ধর্মভিত্তিক দলগুলোর সাংগঠনিক অবস্থা ও কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের মনোযোগ কাড়তে সক্ষম হচ্ছে না।

বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় পুরনো দ্বন্দ্ব কাটিয়ে শেরপুর আওয়ামী লীগে সুবাতাস বইতে শুরু করে। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলে কমিটি গঠন, স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নসহ বিভিন্ন কারণে দলে বিরোধ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। এর এক পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, শেরপুর সদর আসনের এমপি হুইপ আতিউর রহমান আতিক ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পাল। অন্য পক্ষে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানু। জেলা আওয়ামী লীগের এ দ্বন্দ্বের প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোতেও। এখন কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে নেতারা ভাগ হয়ে এলাকা ভিত্তিক সভা সমাবেশ করে একে অন্যের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছেন। শহরের চকবাজারে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় খুলেছেন হুইপ আতিক। অন্যদিকে একই নামে ছানু-রুমানের নেতৃত্বে খরমপুর মোড়ে খোলা হয় আরেকটি নয়া কার্যালয়। এখন উভয়পক্ষ নিজেদের ক্ষমতা জাহির করতে শহরময় মিছিল আর স্লোগানে উত্তপ্ত হচ্ছে রাজনৈতিক পরিবেশ। দেওয়া হয় হরতালের মত কর্মসূচী। অনেক সময় দুই পক্ষকে সামাল দিতে গিয়ে শহরের মাঝখানে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ব্যারিকেড বসিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টাও করছে। দুই পক্ষের রেষারেষিতে ঘটছে সহিংসতার ঘটনা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে শেরপুর আওয়ামী লীগের বিবদমান দু’গ্রুপ পাল্টাপাল্টি সমাবেশ করেছে। এ উপলক্ষে ওই দিন বিকেলে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যানারে শহরের চকবাজারস্থ শহীদ মিনার চত্বরে হুইপ আতিক গ্রুপ এবং জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের ব্যানারে খরমপুর খাদ্য গুদাম মোড়ে ছানু-রুমান গ্রুপের উদ্যোগে আয়োজিত পৃথক পৃথক সমাবেশে দুপুরের পর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে স্ব-স্ব বলয়ের নেতাকর্মী সমর্থকরা পায়ে হেঁটে এবং বাস-ট্রাকে মিছিল সহকারে যোগ দিতে থাকে। ওই দু’টি জনসমাবেশকে ঘিরে টান টান উত্তেজনাসহ শহরে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে পুলিশী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারকরণের কারণে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

তারা বলেন, শেরপুর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে মেরুকরণের ধারাবাহিকতায় আইনজীবী সমাজকে অবমূল্যায়ন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে বৈষম্য ও একটি বিশেষ এলাকার প্রতি মাত্রাতিরিক্ত আসক্তির কারণে এবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন আতিক অনুসারী হিসাবে পরিচিত জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার। তিনি ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে এলাকার দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে নিয়ে সরাসরি দলের বিবদমান রুমান-ছানু বলয়ে যোগ দেন। বিষয়টি এখন ‘টক অব দি টাউন’ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।

অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার জেলা আওয়ামী লীগের চলমান রাজনীতির হালচাল এবং সংগঠন পরিচালনায় সংগঠনের সভাপতি হুইপ আতিউর রহমান আতিক সম্পর্কে খোলামেলা কথা-বার্তা বলেন। তিনি হুইপ আতিক বলয় ত্যাগ করে ছানু-রুমান বলয়ে যোগদানের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন এবং ‘আতিক ছাড়া নৌকা চাই, ছানু-রুমান ছাড়া উপায় নাই’ বলেও মন্তব্য করেন। সেইসাথে তিনি ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতাদের স্থান নিশ্চিত করার স্বার্থে নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠানেরও দাবি জানান।

শেরপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরি কমিটির সদস্য ছানোয়ার হোসেন ছানু বলেন, আতিক সাহেব পেছন থেকে কলকাঠি নাড়েন, এলাকা ভিত্তিক বিরোধ বাধানোর চেষ্টা করেন। ওনার বড় কথা হচ্ছে এই শেরপুরে যেন একটি লাশ পড়ে। লাশ পড়লে সবচেয়ে বড়গা ঈদ হলো তার। তিনি বক্তৃতা দিয়ে বেড়ান আমরা সন্ত্রাসী, ইঁদুর, চামচিকা।

জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির রুমান বলেন, হুইপ আতিক টাকার বিনিময়ে দলীয় পদ-পদবি বিক্রি করেছেন। যারা ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত দিতে পেরেছে তারাই দলে স্থান পেয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে হুইপ আতিক সবচেয়ে বড় সর্বনাশ করেছে। আতিক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে চন্দন কুমার পালকে দুইবার পদে রেখে উভয়েই অর্থ আত্মসাতের খেলায় মেতেছেন। আওয়ামী লীগ এখন ব্যবসায়ীক কারখানা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তাই জেলা আওয়ামী লীগে নেতৃত্বের পরিবর্তন প্রয়োজন।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পাল বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের জন্য সন্তোষজনক আসন যেন না পায় এই জন্য বিএনপি জামাতের ছত্র ছায়ায় কিছু লোক দলের ভিতর বিভেদ সৃষ্টি করতে চায়। আমরা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অস্ত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না।

জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরি কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাবেক সহ-সভাপতি কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা বলেন, আজ আশান্ত শেরপুর। এর দায়িত্ব জেলা আওয়ামী লীগ নেবে না। এর পেছনে রয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র।

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জাতীয় সংসদের হুইপ আতিউর রহমান আতিক বলেন, ওই সন্ত্রাসীরা কুছের (কোমরে) মধ্যে পিস্তল গুইজা হাত উচা কইরা দেখায়, বলে বেটা কথা কবিতো অসুবিধা আছে। এ সময় তিনি আগামীতে শেরপুরের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তার হাত শক্তিশালী করতে জনসাধারণের প্রতি আহবান জানান।

কেন্দ্র থেকে এখনই এর লাগাম টানা না হলে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক হানাহানি যেমন বৃদ্ধি পাবে, তেমনি এর প্রভাব পড়বে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এমন ইঙ্গিত দিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক অ্যাডভোকেট আখতারুজ্জামান বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে ত্যাগী নেতাকর্মীদের সঠিক মূল্যায়ন না করার ফলেই দলটি এখন দুই মেরুতে অবস্থান নিয়েছে।

প্রায় দেড় বছর হলো ইউনিয়নগুলোর আহ্বায়ক কমিটি হয়েছে। কোথাও ৭-৮ সদস্যের কমিটি, আবার কোথাও আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়ক দিয়ে দল চলছে। শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা ও পৌরসভা বাদে একই অবস্থা অন্য তিন উপজেলা কমিটির ক্ষেত্রে। প্রায় আট বছর পর ২০১৪ সালের মে মাসে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠনের পর পার হয়ে যায় তিন বছর। দলীয় কোন্দলের কারণে তখন পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা যায়নি। গত বছরের জানুয়ারি মাসে জেলা বিএনপির সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। কিন্তু এখনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা যায়নি। দলের এ অবস্থার প্রতিফলন রয়েছে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোতে।

জেলা বিএনপির সম্মেলনে সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেল সভাপতি ও ব্যবসায়ী হযরত আলী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। অনেক নেতাই বলেছেন, দলে নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছে না। ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত টাকার বিনিময়ে পদ-পদবি বিক্রি করা হচ্ছে। এতে একধরনের সাংগঠনিক স্থবিরতা চলছে। তাছাড়া মামলা-মোকদ্দমায় আদালতে হাজিরা দেওয়া, কর্মসূচি পালনে সরকারি বাধা এসব কারণেও কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পালন করা সম্ভব হয়ে উঠছে না।

কিছুদিন আগেও জেলা বিএনপিতে দুটি পক্ষ সক্রিয় ছিল। এক পক্ষে ছিলেন বর্তমান সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী। অন্য পক্ষে জেলা বাস-কোচ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বপন ও প্রয়াত সভাপতি সাইফুল ইসলাম কালামের ছেলে মামুনুর রশিদ পলাশ। কিন্তু এই বিভেদ এখন অনেকটাই প্রশমিত হয়ে এসেছে। তবে দলের একটি অংশের বিরুদ্ধে বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ডাকসাইটে কিছু নেতার সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে ফায়দা হাসিলের অভিযোগও করেছেন কেউ কেউ।

জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মামুনুর রশিদ পলাশ বলেন, আসলে আমাদের বিএনপিতে এখন উদ্যোক্তার অভাব, লোকের অভাব, মেধার অভাব। তাছাড়া ৪৪ বছর ধরে শেরপুর-১ আসনে ধানের শীষের কোনো প্রার্থী নেই। জোটের রাজনীতির কারণে এটি জামায়াতের কাছে ছাড় দিতে হয়েছে।

জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীতে আমাদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি রয়েছে। বিএনপিতে পদ-পদবি বেচাকেনার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, যারা নির্বাচিত হতে পারে নাই, তারা মনের ক্ষোভে এসব কথা বলতে পারে।

জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে শেরপুরে জেলা সভাপতি সাবেক সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইলিয়াস উদ্দিনের কথাই শেষ কথা। তিনি যেভাবে চাইবেন, সেভাবেই দল চলছে, চলবে। জেলা ও উপজেলা জাতীয় পার্টির পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়েছে প্রায় দেড় বছর আগে। কিন্তু ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সাত-আট বছর ধরে কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি। দলে এক নেতার একাধিক পদও রয়েছে। জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ বিষয়টির সত্যতা স্বীকারও করেছেন।

মামলা-মোকদ্দমা আর পুলিশের ধরপাকড়ে জেলায় জামায়াতের কার্যক্রম নেই বললেই চলে। তারা সঙ্গোপনে তালিমের নামে হঠাৎ হঠাৎ কিছু করতে চেষ্টা করে। কখনো বা জামায়াতের কিছু আদর্শের অনুসারী সংগঠনের ব্যানারে তারা একত্র হওয়ার চেষ্টা করে।

জেলা জাসদ বিভক্তির পর তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রমে অনেকটাই ভাটা পড়েছে। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি মাঝেমধ্যে কর্মসূচি পালন করে।

এ আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে দলটির জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী এগিয়ে আছেন। দলের অনেক নেতাই বলেছেন, হযরত আলী নেতাকর্মীদের নানাভাবে উৎসাহ-উদ্দীপনা দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের বিপদে-আপদে পাশে থেকে কাজ করছেন। তার অর্থ-সম্পদও রয়েছে।

হযরত আলী বলেন, দলের নেতৃবৃন্দ যদি আমাকে চান, তবে আমি নির্বাচনের মাঠে আছি, থাকব।

এ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চাইতে পারেন তৌহিদুর রহমান, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম। তবে জোটগত নির্বাচনের কারণে বারবার জামায়াতকে ছেড়ে দেওয়া হতো আসনটি। শোনা যাচ্ছে, জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি হওয়ায় তার ছেলে ইকবাল হাসান জামানকে এ আসনটি ছেড়ে দিতে পারে বিএনপির।

জেলা জাসদের (ইনু) সভাপতি মনিরুল ইসলাম লিটন দলীয় মনোনয়ন চাইবেন বলে জানিয়েছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর

আরও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
চার মাসের ‘গর্ভবতী’ বুবলী!
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিসা সেন্টার এখন ঢাকায়
শাকিবের সঙ্গে বিয়ে, যা বললেন নায়িকা বুবলী
ক্যামেরায় সম্পূর্ণ নগ্ন হয়েছেন এই অভিনেত্রীরা, কারা এরা?
ভেঙে গেলো পূর্ণিমার সংসার, পাল্টা জবাবে যা বললেন নায়িকা
মায়ের জিন থেকেই শিশুর বুদ্ধি বিকশিত হয়!
বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে নেয়ার কিছু টিপস
ব্যর্থ হলো মার্কিন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী পরীক্ষা
এইচএসসি'র ফল জানা যাবে যেভাবে
ধর্ষণের কবলে মৌসুমী হামিদ, ধর্ষক গাড়িচালক!
চীনের মধ্যস্থতায় তথ্য আদান-প্রদানে সম্মত পাকিস্তান-আফগানিস্তান
বিশ্বকাপের সব গোল্ডেন বল জয়ীরা
গৌরিকে নিয়ে ভক্তের প্রশ্ন, উত্তর দিলেন শাহরুখ!
যেসব দেশে কোনো নদী নেই
মহান আল্লাহ তাআলা যাদের প্রতি সন্তুষ্ট
জাবির 'এইচ' ইউনিটের ফল প্রকাশ
আমি বিশ্বের সেরা ক্লাবটিই বেছে নিয়েছি
কাতার বিশ্বকাপ নিয়ে কিছু ভবিষ্যতবাণী!
নিখোঁজের ৩৭ বছর পর ফিরে এসেছিলো যে বিমান
ভাত খাওয়ার পর যেসব ভুল ডেকে আনছে মৃত্যু
শিরোনাম:
দিল্লি পৌঁছে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এরশাদ ১ রানে বাংলাদেশের ১ উইকেটের পতন টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ সিরাজুল ইসলামকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র করা হয়েছে পদোন্নতিতে পেশাগত দক্ষতার ওপর জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী