Alexa অস্তিত্ব সঙ্কটে ভারতের টেলিকম খাত

ঢাকা, শনিবার   ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ১৬ ১৪২৬,   ০৫ রজব ১৪৪১

Akash

অস্তিত্ব সঙ্কটে ভারতের টেলিকম খাত

নিউজ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:২৩ ১৭ জানুয়ারি ২০২০  

সংগৃহীত

সংগৃহীত

ভারতের কয়েকটি টেলিকম অপারেটরের কাছ থেকে ৯২ হাজার কোটি রুপি আদায়ের যে আদেশ ভারতের সুপ্রিম কোর্ট গতবছর দিয়েছিল, তা পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। এর ফলে পুরো অর্থ দিতে হচ্ছে ভারতী এয়ারটেল, ভোডাফোন আইডিয়াসহ অন্যান্য অপারেটরদের। এর ফলে অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়েছে ভারতের টেলিকম খাত।

ভারতের টেলিকম বিভাগ দীর্ঘদিন ধরেই অপারেটরগুলোর কাছ থেকে লাইসেন্স ফি,লেভি ও সুদ মিলিয়ে ‘অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভিনিউ’ (এজিআর) হিসেবে ওই অর্থ দাবি করে আসছিল।

বৃহস্পতিবার ভারতের সর্বোচ্চ আদালতের এই রায়কে টেলিকম খাতে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছে বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘ টানাপড়েন শেষে গতবছর অক্টোবরে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সরকারের টেলিকম বিভাগের পক্ষে রায় দেয়। পাওনা পরিশোধে অপারেটরগুলোকে ছয় মাস সময় বেঁধে দেয়া হয়। এরপরই ভারতী এয়ারটেল, ভোডাফোন, আইডিয়া এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া টাটা টেলিসার্ভিসেস আদালতের ওই আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করেছিল।

বৃহস্পতিবার তা খারিজ করে দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, অপারেটরদের ওই টাকা পরিশোধ করতে হবে তিন মাসের মধ্যে। এর বাইরে স্পেকট্রাম ফি বাবদ অপারেটরগুলোকে আরো ৪১ কোটি রুপি পরিশোধ করতে হবে।

ব্রিটেনের ভোডাফোন গ্রুপ ও ভারতের আইডিয়া সেলুলার মিলে গ্রাহক সংখ্যার দিক দিয়ে ভারতের সবচেয়ে বড় অপারেটর। তাদের কাছে ভারতের টেলিকম বিভাগের দাবি ১৯ হাজার ৮২৩ কোটি রুপি। এছাড়া ভারতী এয়ারটেলকে ২৩ হাজার কোটি রুপি এবং রিলায়েন্স কমিউনিকেশনসকে ১৬ হাজার ৪৫৬ কোটি রুপি পরিশোধ করতে হবে। ভোডাফোন আইডিয়ার জন্য এই আদেশ রীতিমত অস্তিত্বের সঙ্কট তৈরি করবে বলে মনে করছেন অনেকে।

ভোডাফোন জানায়, সরকার যদি ওই পাওনা মওকুফ না করে, অথবা আইনি একটি সমাধান যদি খুঁজে বের করা না হয়, তাহলে আর তাদের পক্ষে ভারতে ব্যবসা করা সম্ভব না। আর ভারতী এয়ারটেল বলেছে, টেলিকম খাত যেখানে আগে থেকেই ধুঁকছে, আদালতের এই আদেশের ফলে এখন টিকে থাকাই কঠিন হয়ে যাবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস