Alexa অস্ট্রেলিয়ায় ১৩০ তিমির মৃত্যু

ঢাকা, শনিবার   ২০ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৫ ১৪২৬,   ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪০

অস্ট্রেলিয়ায় ১৩০ তিমির মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০:৩৬ ২৩ মার্চ ২০১৮   আপডেট: ২০:৫৩ ২৩ মার্চ ২০১৮

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ায় গণহারে প্রায় ১৩০টি ক্ষুদ্রাকৃতির তিমির মৃত্যু হয়েছে। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে সমুদ্রতীর থেকে তিমিগুলোর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া অন্তত ১৫টি তিমিকে জীবিত উদ্ধার করে কর্মীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দিয়ে সাগরে ফেরত পাঠানো উদ্যোগ নিয়েছেন।

পার্থ থেকে অন্তত ১৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে শুক্রবার শুরুতে হামেলিন বে’তে মৃত তিমিগুলোর খবর দেন স্থানীয় এক জেলে। তিনি মৃত তিমির মাংস খেতে সেখানে হাঙ্গরের বিচরণও লক্ষ্য করেন।

ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া স্টেট পার্ক এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ সংস্থা জানায়, ঘটনাস্থলে তাদের কর্মীরা কাজ করছে। তিমিদের অধিকাংশই রাতভর শুকনা বিচে অবস্থান করে এবং সেখানেই তাদের মৃত্যু হয়। তিমিদের উদ্ধারে দায়িত্বরত কর্মকর্তা জেরেমি চিক বলেন, বেঁচে যাওয়া তিমিদের উদ্ধারে তারা প্রয়োজনীয় উপকরণ ও সরঞ্জামের অপেক্ষায় আছেন।

প্রাণীগুলোর শারীরিক শক্তি এবং প্রচ- ঝড়ো হাওয়া, ভেজা আবহাওয়া থাকায় উদ্ধারকর্মীদের উদ্ধার কাজে বেগ পেতে হচ্ছে। কখন, কীভাবে এবং সমুদ্রের কোথায় তাদের ফিরিয়ে দেয়া যায়, সে চেষ্টায় রয়েছেন তারা। তিমিগুলোর পাশাপাশি উদ্ধারকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের জীবনের নিরাপত্তার বিষয়টি আমাদের নিশ্চিত করতে হচ্ছে, বলেন উদ্ধার কাজে অংশ নেয়া এ সমন্বয়ক।

কী কারণে এতগুলো তিমির একসঙ্গে মৃত্যু হলো, সে বিষয়টি এখনও পরিষ্কার নয়।

অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে তিমি ভেসে ওঠা ও আটকা পড়ার ঘটনা নতুন নয়। ২০০৯ সালে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার হামেলিন উপকূলে আটকা পড়ার পর ৮০টিরও বেশি তিমি ও ডলফিন মারা যায়।

সবচেয়ে বেশি তিমির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ১৯৯৬ সালে। ওই সময় অন্তত ৩২০টি তিমি উপকূলে ভেসে ওঠার পর আটকা পড়ে। তাদের মধ্যে মাত্র ২০টিকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছিল।

ডেইলি বাংলাদেশ/সালি